ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, এগুলো জায়েজ নয়। আপনি একটি পরিচ্ছন্ন-হালাল কর্মের সন্ধান করুন। আমরা আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ তায়ালা আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমান, সম্মানজনক হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করে দিন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ১। বিষয়টি নিয়ে আলেমদের মাঝে মতভেদ আছে। অনেকেই জায়েজ বলেছেন আবার অনেকেই না জায়েজ বলেছেন। না জায়েজ হওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট কোন দলীল নেই। ২। নামায হবে তবে তাকে বাদ দেয়া মসজিদ কমিটির জন্য আবশ্যক।
খরগোশের গোশত খাওয়া জায়েজ।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমরা যতদূর জানতে পেরেছে হুন্ডি হলো সরকারী ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে অর্থ লেনদেনের একটি ব্যবস্থা। সরকারকে ফাঁকি দেয়ার কারণে এটা জায়েজ হবে না।
পিতা-মাতার খেদমত-সহযোগিতা করা সন্তানের দায়িত্ব। তাদের সুবিধা-অসুবিধা দেখা সন্তানের দায়িত্ব। এই দায়িত্বে অবহেলা করে স্ত্রী নিয়ে আলাদা থাকা হারাম। তবে সকল দায়িত্ব পালন করে স্ত্রী নিয়ে আলাদা থাকতে পারেন।
না, এভাবে নেওয়া জায়েজ হবে না। এটা চুরি হবে। তার জ্ঞাত সারে নিতে হবে।
প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কুরবানী দেয়া জায়েজ। তবে যার নেসাব পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর ওয়াজিব। বিধবার নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার উপরও কুরবানী ওয়াজিব।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমার মনে হয় এসব গুজব, ক্যাপসুলের আবরণ শুকুরের চর্বি দিয়ে হয় এটা সম্ভবত ভুল কথা। এমন হলে তো এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের জানার কথা ছিল। আপনি পরিপূর্ণ নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ক্যাপসুল খেতে পারেন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যারা এই প্রোগাম বিক্রি করে তাদের সাথে কথা বলবেন। তারা যদি তিন জনকে ক্লাস করতে অনুমতি দেয়, তাহলে সমস্যা নেই। যদি অনুমতি না দেয় তাহলে করা যাবে না।
না, অভাবের চিন্তা করে, আমি সন্তানদের খাওয়াব কীভাবে, পরাব কীভাবে, এই চিন্তা থেকে যদি কেউ জন্ম নিয়ন্ত্রণ করেন, তাহলে সেটি সম্পূর্ণ হারাম। কারণ রিজিকের মালিক হলেন আল্লাহ রাব্বুলআলামিন, রিজিকদাতা আল্লাহতায়ালা। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, ٱلشَّيْطَٰنُ يَعِدُكُمُ ٱلْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُم بِٱلْفَحْشَآءِ ۖ وَٱللَّهُ يَعِدُكُم مَّغْفِرَةً مِّنْهُ وَفَضْلًا ۗ وَٱللَّهُ وَٰسِعٌ عَلِيمٌ শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্রতার ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার আদেশ দেয় এবংআল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা ও অনুগ্রহের ওয়াদা করেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সুবিজ্ঞ। সূরা বাকারাহ, আয়াত ২৬৮। সুতরাং শয়তানের ধোকায় পড়ে কিছুতেই অভাব অনটনের ভয়ে জন্মবিরতী করা যাবে না।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, হারাম খাবার ডেলিভারীর কাজ করা জায়েজ হবে না। আপনি অন্য কোন হালাল পেশা গ্রহণ করুন। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন,(ولا تعاونوا على الإثم والعدوان) মন্দকর্ম ও সীমালংঘনের কাজে তোমরা একে অপরকে সহযোগিতা করো না। সূরা মায়েদা, আয়াত নং ২।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। সরকার যে টাকা বাধ্যতামূলক রেখে দেয় তা লাভসহ নেয়া জায়েজ। তবে নিজে থেকে কিছু রাখলে তার লাভ নেয়া হারাম।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না-জায়েজ নয়। তবে অহেতুক সময় নষ্ট করা ঠিক নয়।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বর্তমানে নারী-পুরুষ কারো জন্যই কোন ওরস মাহফিলে যাওয়া জায়েজ নেই। ওরস মাহফিলগুলো বর্তমানে শিরকের আস্তানা। এখান মানুষ সেখানে যাই জীবিত বা মৃত পীরের কাছে বিভিন্ন সমস্যর সমাধান চাওয়ার জন্য, এটা শিরক।
না, পুরুষ মানুষে কোন অবস্থাতেই স্বর্ণ ব্যবহার করতে পারবে না। এই ব্যাপারে আলিমগণ একমত। হাদীসের প্রতিটি কিতাবে এই সম্পর্কে বহু হাদীস বিদ্যমান। সব হাদীস লেখা সম্ভব নয়। শুধু একটা হাদীস দিয়ে দিচ্ছি। আর আপনি তাকে বলুন কোথায় পরা হালাল হওয়ার ব্যাপারে বলা হয়েছে। এবার হাদীসটি দেখুন: عن أبي موسى أن رسول الله صلى الله عليه و سلم قال : إن الله عز و جل أحل لإناث أمتي الحرير والذهب وحرمه على ذكورها আবু মুসা রা. থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা আমার উম্মাতের মহিলাদের জন্য স্বর্ণ ও রেশমকে হালাল করেছেন এবং পুরুষদের জন্য সেগুলোকে হারাম করেছেন। সুনানু নাসায়ী, হাদীস নং ৫২৬৫; মুসনাদু আহমাদ, হাদীস নং ১৯৫২৫। হাদীসটিকে শায়খ আলবানী, শায়খ শুয়াইব আরনাউত রহ.সহ সকল মুহাদ্দিসগণ সহীহ বলেছেন। এই হাদীসে স্পষ্ট বলা হয়েছে স্বর্ণ মুসলিম পুরুষদের জন্য হালাল নয়। এবং এব্যাপরে কোন মতভেদও নেই। ঐ ব্যক্তি কেন এমন বলেছেন তা বোধগম্য নয়।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। দাদা-দাদী ও নানা- নানী তো মাহরামই। মাহরামের পর্যায় পড়ার তো কিছু নেই। কী ধরণের কথা বলা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন তা স্পষ্ট করে প্রশ্ন করুন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আব্বা-আম্মা না বলে কী বলবেন? জায়েজ আছে আর এটাই উচিৎ। নয়তো সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হবে। কারণ তখন আপনার স্ত্রীও আপনার পিতা-মাতাকে আব্বা-আম্মা বলবে না।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। একটি প্রশ্নের উত্তরে স্যার রহ. বলেছেন, প্রভিডেন্ট ফান্ডের ইন্টারেস্ট অধিকাংশ আলেমের মতে সুদ নয়, হালাল। তবে কোন কোন আলেম হারাম বলেছেন। তবে হারাম নয় বলেই মনে হয় 240 নং প্রশ্নের উত্তরে।
আশুরার দিন সিয়াম পালন করার কথা হাদীসে আছে। তাজিয়া মিছিল, ফুলের মালা, বাঁশ, কালো পতাকা, ছেলে মেয়ে একত্রে রালী সবই নব-সৃষ্ট জঘন্য বিদআত। প্রতিটি মূমিনের জন্যই এসবে থেকে দূরে থাকা একান্ত প্রয়োজন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। গানের কথা ভাল হলে,কুরআন-হাদীস বিরোধী না হলে কোন সমস্যা নেই। ওযু করে গান গাইলে ওযু ভাঙে না। গোসল করার পর ওযু করতে রাসূলুল্লাহ সা. নিষেধ করেছেন। গোসলই পবিত্রতা অর্জনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম। তবে কোন কারণে ওযু না থাকলে তোয়ালে পরে ওযু করা যাবে।
সরকারী চাকুরী জায়েজ। বেতন থেকে যে টাকা সরকার রেখে চাকুরী শেষে দেয় তা সুদসহ নেয়া জায়েজ। এটা তার জন্য সুদ হিসাবে গণ্য নয়। তবে চাকুরী শেষে পুরা টাকা না নিয়ে অর্ধেক টাকা নিলে তার থেকে যে সুদ আসে তা নেয়া জায়েজ নেই। অথা্ৎ আপনার ২নাম্বার প্রশ্নে যে বিষয়টি বলেছেন তা জায়েজ নেই। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, যে কবিতার ভাষা ভাল-সুন্দর, ইসলামের সাথে কোন বিরোধ নেই এই ধরনের কবিতা পাঠ জায়েজ। আর যে কবিতার ভাষা ভাল নয়, ইসলাম বিরোধী তাহলে জায়েজ হবে না। নিচের হাদীসটি দেখুন: ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : الشِّعْرُ بِمَنْزِلَةِ الْكَلاَمِ ، حَسَنُهُ كَحَسَنِ الْكَلامِ ، وَقَبِيحُهُ كَقَبِيحِ الْكَلامِ
হ্যাঁ, কিডনি বিকল মুমূর্ষ রোগীকে কিডনি প্রদান করা জায়েজ আছে। তেমান রক্তের প্রয়োজন এমন রোগীকে রক্ত দেয়া জায়েজ। দলীলসহ বিস্তারিত জানতে দেখুন: দাওয়াতুল হক্ক (ইন্টানরেনেটে) এই শিরোনামে حكم التبرع بالدم وحكم التبرع بالاعضاء للغير؟। এবং আল-ইসলাম সুয়াল ও জবাব (আরবী), ফতোয়া নং ২৩২০।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, আপনার কুরআন শরীফ হাদীয়া দেয়া জায়েজ হয়েছে। আল্লাহ আপনার এই ভাল কাজ কবুল করুন।
ক. আলেম ও ফকীহগণ এ ব্যাপারে একমত যে, রক্ত বিক্রি করা জায়েজ নেই, হারাম। সাহবী আবু জুয়াইফা রা. বলেন, إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ ثَمَنِ الدَّمِ নবী সা. রক্তের মূল্য নিতে নিষেধ করেছেন। সহীহ বুখারী হাদীস নং ২২৩৮। হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী রহ. বলেন, والمراد تحريم بيع الدم كما حرم بيع الميتة والخنزير وهو حرام إجماعا أعني بيع الدم وأخذ ثمنه (এই হাদীস দ্বারা) উদ্দে্শ্য হলো রক্ত বিক্রি হারাম। যেমন মৃত জন্তু এবং শুকুর বিক্রি হরাম। আর রক্ত বিক্রি করা এবং রক্ত বিক্রি করে মূল্য গ্রহণ করা সকলের নিকট হারাম। ফাতহুল বারী, ৪/৪২৭। উক্ত হাদীসের আলোচনা। সুতরাং রক্ত বিক্রি করা যাবে না। খ.মানুষের শরীরের অঙ্গের মালিক মানুষ নয়। আর মালিকান বিহীেন কোন কিছু বিক্রি কর হারাম। দলীলসহ বিস্তারিত জানতে দেখুন,(ইন্টারনেটে) তরিকুল ইসলাম (আরবী), ما حكم بيع الأعضاء والدم على المذاهب الأربعة এই প্রশ্নের উত্তর। মারকাজুল ফাতাওয়া, ফাতাওয়া নং ৬৩২।
রাসূলুল্লাহ সা. জীবিত থাকাকালীন বহু সাহাবী মারা গিয়েছিলেন, তিনি কোন দিন কারো জন্য শোক দিবস পালন করেন নি, মৃত্যু বার্ষিকীও পালন করেন নি। রাসূলুল্লাহ সা. এর মৃত্যুর পর প্রায় ১০০ বছর সাহাবীরা দুনিয়াতে ছিলেন তারা রাসূলুল্লাহ সা. বা অন্য কারো জন্য শোক দিবস পালন করেন নি, তাঁর মৃত্যুবাষিকীও পালন করেন নি। তাবেয়ী, তাবে তাবেয়ী এবং পরবর্তী আলেমগণও শোক দিবস পালন করেন নি। যে কাজ রাসূলুল্লাহ সা. সাহাবী-তাবেয়ীগণ করেন নি তার আমাদের জন্য করা উচিৎ নয়। জায়েজ না খুঁজে আমাদের সুন্নাত খুঁজা উচিৎ। আর সুন্নাত হলো পালন না করা।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। খরগোশ খাওয়া জায়েজ।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বিপদ-সংকটে সবর করার মধ্যেই রয়েছে মূমিনের সফলতা। অনেক সময় আল্লাহ তায়ালা এই বিপদাপদ দ্বরা তাঁর প্রিয় বান্দাদের পরীক্ষা করেন। সুতরাং আপনি দুঃশ্চিন্তা করবেন না। আল্লাহর কাছে দুআ করুন আশা করি আপনার সমস্যা দূর হয়ে যাবে। আপনি রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো নফল সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দআটিও সালাতে এবং অন্যান্য সময় বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ আমরা আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ যেন আপনার সব সংকট দূর করে দেন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যদি নিশ্চিত ভাবে জানা যায় যে. কোন ব্যান্ডের কোমল পানিতে হারাম কোন দ্রব্য আছে তাহলে তা খাওয়া জায়েজ হবে না। এছাড়া জায়েজ। তবে শক্তিবর্ধক পানীয়গুলোতে মদের উপস্থিতি আছে বলে অনেকেই মনে করেন। তাই এগুলো বর্জন করা উচিত। নিশ্চিত হলে খাওয়া হারাম।
একই মা কিন্তু বাবা দুইটা অথ্যৎ দুই বাবার দুই সন্তান এমন ভাই বোনের বিবাহ জায়েজ নেই।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ১। আপনার পক্ষে যদি সম্ভব হয় তাকে মিথ্য বলার কুফল বুঝাবেন। নাহলে অন্য কাউকে দিয়ে বুঝাবেন। তবে কোন অবস্থাতেই তার সাথে খারাপ আচরণ করবেন না। আল্লাহর কাছে দুআ করতে থাকুন, কান্নাকাটি করতে থাকুন। আল্লাহ চাই তো তিনি এই বদঅভ্যাস ছেড়ে দিবেন। ২। শিশুদেরকে নিচের এই দুআ পড়ে ঝাড়-ফুঁক করবেন, হাদীস শরীফে আছে রাসূলুল্লাহ সা. হাসান-হুসাইনকে এই দুআ পড়ে ঝাড়-ফুক করেছেন। أُعيذُك بكلماتِ الله التامّة، من كلِّ شَيطان وهامَّةِ، ومِنْ كُلِّ عَينٍ لامَّةٍ، উচ্চারণ: উই-যুকা বি কালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শায়ত্ব-নিন ও হা্-ম্মাতিন ও মিন কুল্লি আইনিন লা-ম্মাতিন। অর্থ : আমি তোমার বিষয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি সকল শয়তান থেকে, বিষাক্ত প্রাণী থেকে এবং বদ-নজর থেকে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩১৯১; সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৭৩৭। ৩। এইভাবে লোহা বেঁধে রাখা যাবে না, হারম, শিরক। হাদীসে শরীফে এইসব লোহা ইত্যাদি বাঁধাকে শিরক বলা হয়েছে। জিন থেকে বাঁচার জন্য উপরের দুআটি পড়তে পারেরন তবে প্রথম শব্দে কা বাদ দিয়ে পড়বেন। এছাড়া এই দুআটিও সকাল সন্ধা তিন বার করে পড়তে পারেন: بِسْمِ اللَّهِ الَّذِى لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَىْءٌ فِى الأَرْضِ وَلاَ فِى السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ হাদীস শরীফে আছে যে ব্যক্তি সকলে এই দুআ তিনবার পড়বে সন্ধা পর্যন্ত কোন কিছু তাকে ক্ষতি করতে পারবে না আবার সন্ধায় তিনবার পড়বে কোন কিছু সকাল পর্যন্ত তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। সুনানু তিরমীযি, হাদীস নং ৩৩৮৮; সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ৫০৯০; সুনানু ইবনু মাজাহ, হাদীস নং ৩৮৬৯। ইমাম তিরমিযীসহ সকল মুহাদ্দিস হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। সুতরাং দুআ পড়তে বলুন, লোহা-লক্কড় বাদ দিন। লোহা-লক্কড়ে কোন লাভ হবে না বরং গুনাহ হবে।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। দেখুন! হাদীসে চুল কালো করতে নিষেধ করা হয়েছে। বলা হয়নি এভাবে কালো করা নিষেধ আর এভাবে জায়েজ সুতরাং যে কোন ভাবেই হোক না কেন চুল কালো করা জায়েজ হবে না।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমাদের সব সময় সুন্নত অনুসন্ধান করা উচিত জায়েজ নয়। বিয়ে উপলক্ষে আলোকসজ্জা করা সুন্নাত তো নয়ই বরং বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুসরণ। এসব বর্জন করুন।