আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট এ আপনাকে স্বাগতম

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি
সব প্রশ্ন অর্থনৈতিক আকিকা আকীদা নামায আখিরাত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আদব আখলাক ইতিহাস ঈদ-কুরবানী ঈমান তাওহীদ রিসালাত জানাযা-কবর যিয়ারত জান্নাত-জাহান্নাম জিহাদ তাফসীর ত্বহারাত পবিত্রতা সফর জুমআ তারাবীহ নফল সালাত বিতর পোশাক-পরিচ্ছেদ ফারায়েজ ফিতরা বিচার-আচার বিবাহ-তালাক মানত যাকাত যিকির/দুআ/আমল রোজা লেনদেন শিরক-বিদআত সাধারণ দান-সদকাহ সিরাত/সামায়েল সুন্নাত হজ্জ হাদীস ও উসূলুল হাদীস হালাল হারাম বিবিধ কুরআন হাদীস বাতিল ফিরকা দাওয়াত ও তাবলিগ জাদু-টোনা মসজিদ মুসাফির রমযান সুদ-ঘুষ হালাল ইতিকাফ কাজা/কাফফারা গুনাহ জায়েয তায়াম্মুম ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ বিদআত কসর তাওবা জিন-পরি ব্যবসা-বাণিজ্য বই অসিয়ত
প্রশ্নঃ 2114
হুজুর আস্সালামুআলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ, আমার নিমোক্ত প্রশ্নের উত্তর দুটি দিলে আমি খুবই উপকৃত হতাম— ১। কাযা নামাজ আদায় করার সঠিক নিয়ম কোনটা বা আমরা কাযা নামাজ কিভাবে আদায় করবো বা কাযা নামাজ আদায়ে ইসলামে কোন বিধি-বিধান আছে কি? বিস্তারিত জানাবেন প্লিজ। ২। আমরা যখন কম্পিউটারে পিডিএফ ফরমেটে বাংলা তাফসীর পড়বো তখন কি অযু অবথা তায়াম্মুম করার প্রয়োজন আছে কি?
19 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কাযা নামায রাসূলুল্লাহ সা. ধারবাহিকভাবে আদায় করেছেন। অর্থাৎ যেটা আগে কাযা হয়েছে সেটা আগে। তারপর পরেরটা। এগুলো অবশ্য কয়েক ওয়াক্ত কাজার ক্ষেত্রে। অনেক নামায কাজা হলেও এভাবে পড়লে ভাল হবে। এর বাইরে বিস্তারিত বিধি বিধান হাদীসে পাওয়া যাবে না। কারণ তখন মুসলিমরা নামায কাজা করতো না। ২। না, পবিত্রতা অর্জন করা ফরজ নয়। তবে করলে ভাল।

প্রশ্নঃ 2055
আচ্ছালামু আলাইকুম,কেউ যদি ফরজ রোযার কাজা রাখে আর স্ত্রী সহবাসের কারণে তা ভেংগে গেলে তাতে কি গুনাহ হবে আর তার জন্য কি কাফফারা দিতে হবে? উল্লেখ্য আমি বিগত অনেক আগের রোযা গুলা লিস্ট করে কাজা রাখার চেষ্টা করছি।
18 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। রামাজানের কাজা রোজা সহাবাসের মাধ্যমে ভেঙে ফেললে শুধু কাজা করতে হবে কাফফারা দিতে হবে না। এই বিষয়ে ইমাম নববী রহি. বলেন, لو جامع في صوم غير رمضان من قضاء أو نذر أو غيرهما فلا كفارة وبه قال الجمهور وقال قتادة تجب الكفارة في إفساد قضاء رمضان কেউ যদি রমাজানের বাইরে রমাজানের কাজা রোজা, মান্নাতের রোজা কিংবা অন্য কোন রোজা রেখে ভেঙে ফেলে তাহলে অধিকাংশ আলেমের মতে কাফফারা দিতে হবে না। কাতাদাহ রহি. বলেছেন, রমাজানের কাজা রোজা ভাঙলে কাফফারা ওয়াজিব। আলমাজমু শারফিল মুহাজ্জাব, ৬/৩৪৫।

প্রশ্নঃ 1975
আমার বাসায় দীর্ঘদিন আগে কিনা শক্ত পলিথিনের কভারযুক্ত একটি কোরআন শরীফ আছে। বর্তমানে, বিশেষ করে শীতকাল হওয়ায় কিনারাগুলো একটু ধাঁরালো হয়ে গেছে। টিস্যু দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করার সময় অসতর্কতা বসত  ধারালো অংশে আঙ্গুল কেটে যায় এবং হালকা রক্ত বের হয়। ঘটনাক্রমে কোরআন শরীফটি দ্রুত তাকের মধ্যে রেখে দেওয়া হয় এবং যথাযতভাবে রাখা হয়নি বলে সম্পূর্ণ অনেকচ্ছাকৃতভাবে তাক থেকে কোরআন শরীফটি পায়ের কাছে পড়ে যায়। এখন আমার করণীয় কি? কাফপারা প্রযোজ্য কিনা? মূল্যবান মতামত জানানোর অনুরোধ রইল।
17 Jan 2026

না, কোন কাফফারা, সদাকা প্রয়োজন নেই। ভবিষ্যতে সাবধান হবেন যেন কুরআন শরীফের সাথে এমন না হয়। 

প্রশ্নঃ 1826
আস-সালামু আলাইকুম, ১) আমার বয়স ২১ আমার জীবনের পূর্বের সকল ফরয আমল সমূহের (বিশেষ করে সলাত) কাফফারা কিভাবে দিতে হবে? কিভাবে মাফ পাওয়া যাবে? ২) রাসুলুল্লাহ (সঃ) দিনে ৭০ বার তওবা করতেন… তিনি কিভাবে, কোন দোয়া পড়ে করতেন যেখানে একাধিক দোয়া আছে… আমি যদি সাইয়েদ্যুল ইস্তেগফারের দোয়া ৭০ বার পড়ি তাহলে কি আদায় হয়ে যাবে যেখানে সকাল সন্ধ্যায় পড়তে বলা হয়েছে সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার…
13 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কাজা হয়ে যাওয়া সালাতগুলো একটু একটু করে আদায় করার চেষ্টা করুন এবং আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। আশা করা যায় তিনি ক্ষমা করে দিবেন। ২। দেখুন, ইস্তিগফার এর অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা করা। আপনি যে কোন দুআ দ্বারা কিংবা নিজের ভাষায় ইস্তিগফার করতে পারেন।

প্রশ্নঃ 1823
স্যার আপনার বইটি কিনেছি। কিছুপ্রশ্ন ছিল নামাজ কাজা হলে নাকি নামাজ হয় না কথাটা কি সত্যি? উচ্চারন স্পষ্ট করে পরা উচিত কিন্তু পরতে গিয়ে মুখে জড়তা চলে আসে অই সময় উচ্চারন উলটাপালটা হয় সেই ক্ষেত্রে কি করা যায়? ওযু ছাড়া কি কুন সুড়া পরা যায়?দুয়া পরা যায়?
13 Jan 2026

ইচ্ছাকৃত নামায কাযা করা বিরাট গুনহের কাজ। তবে যেভাবেই কাজা হোক কাজা নামায পড়তে হবে। চেষ্টা করবেন শুদ্ধ উচ্চারণের জন্য।ইনশাআল্লাহ এক সময় ঠিক হয়ে যাবে। ওযু ছাড়া সুরা পড়া যায় তবে কুরআন স্পর্শ করা যায় না।

প্রশ্নঃ 1348
আসসালামুআলাইকুম । আমি জানি আল্লাহর নামে কসম করলে সেটা পুরন করতে হয়, নচেৎ কসমের কাফফারা দিতে হয়। কিন্তু কিছু কসম কথার ছলে বা এমনি এমনি করে ফেলি। এই সব কসম আল্লাহর নামে করা হয় না । যেমনঃ আমি এটা আর করবোনা, আমি এটা আর খাব না, আমি অমুক জায়গায় যাবো না, কিন্তু মনের উদ্দেশ্য কিন্তু এটা থাকে না। একটু পরে যে কাজটা করবোনা বলছি সেই কাজটাই আবার করছি। এখন প্রশ্ন হল এই রকম কসমের জন্য কি আমাদের কসম ভাঙ্গার কাফফারা দিতে হবে?
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, এটা কসম নয়, সুতরাং কাফফারা দিতে হবে না।

প্রশ্নঃ 1340
আল্লাহর সাথে ওয়াদা করে ওয়াদা ভঙ্গ করলে এর কাফ্ফারা কী? দয়াকরে জানাবেন।
05 Jan 2026

জ্বী, কাফফারা দিতে হবে। কাফফারা হলো দশজন মিসকিনকে মধ্যম মানের খাবার খাওয়ানো অথবা দশ জন মিসকিনকে জামা-কাপড় দেয়া। এগুলো না পারবেল তিনটি রোজা রাখা। আলকুরআন, সূরা মায়িদাহ, আয়াত নং ৮৯।

প্রশ্নঃ 975
ইসলামী শরীয়াতে উমরী কাযার বিধান কি? যদি কেউ ইচ্ছা করে বছরের পর বছর শিরকী পথে চলার পর সুন্নাতের পথে আসে তখন কি বিগত বছরের না আদায় করা সমস্ত ফরজ নামাযের উমরী কাযা এখনই আদায় করকে হবে?
03 Jan 2026

অধিকাংশ আলেমের অভিমত হলো বহুদিন ধরে ইচ্ছাকৃত নমায ছেড়ে দিলে (যাকে অনেকেই উমরি কাজা বলে) উক্ত নামায আদায় করতে হবে। তা সে যত ওয়াক্তই হোক না কেন। আর আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, যেন তিনি ক্ষমা করে দেন। তবে কোন কোন আলেম বলেছেন,~ উমরি কাজা করা লাগবে না, আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে, মাফ চাইতে হবে। সর্বাবস্থায় যথাসম্ভভ শুধু ফরয সালাতগুলো কাযা আদায় করা উচিত। সাধ্যের মধ্যে কাযা আদায় করার পাশাপাশি বেশি বেশি নফল সালাত আদায় করতে হবে এবং তাওবা ইসতিগফার করতে হবে। দলীল এবং ইমাম ও ফকীহদের মতামত বিস্তারতি জানতে দেখুন, আলফিকহুল ইসলামিয়্যতুল কুয়েতিয়্যাহ, ৩৪/২৬; আলফিকহুল ইসলামিয়্যু ও আদিল্লাতুহু, ২/৩০১; আদদুররিল মুযিয়্যাহ শারহু দুররিল বাহিয়্যাহ, ১/১০৮; আল ফিকহ্ আলা মাজাহিবিল আরবা, ১/৭৫৭।

প্রশ্নঃ 681
আসসালামু আলায়কুম, আমি একটি পাপ কাজ বার বার করতাম। অনেক চেষ্টার পরও ছাড়তে পারিনাই। একদিন আল্লাহর নামে শপথ করেছিলাম যে, এই পাপ কাজ আর করবনা, কিন্তু কিছুদিন পর আবার আমি পাপ কাজটি করে ফেলি, আমর প্রশ্ন হলো এখন আমাকে কিভাবে এটার কাফফারা দিতে হবে?
31 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কসমের কাফফারা নিম্নরূপ : (তিনটির যে কোন একটি) (১) দশজন মিসকীনকে খানা খাওয়ানো। (২) দশজন মিসকীনকে সালাত আদায় করতে পারে এতটুকু পোশাক দেয়া। (৩) ত্রটিমুক্ত একজন মুমিন দাস মুক্ত করে দেয়া। কাফফারা আদায়কারী তিনটির যে কোন একটি বেছে নিবে। যদি উল্লেখিত কোন একটি না পায় তাহলে একাধারে তিন দিন রোযা রাখবে। ইরশাদ হচ্ছে : لَا يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ وَلَكِنْ يُؤَاخِذُكُمْ بِمَا عَقَّدْتُمُ الْأَيْمَانَ (المائدة:৮৯) আল্লাহ তাআলা তোমাদের কসমগুলোর মধ্যে অর্থহীন কসমের জন্যে পাকড়াও করবেন না। কিন্তু তিনি তোমাদেরকে ঐ কসকমসমূহের জন্যে পাকড়াও করবেন, যেগুলোকে তোমরা (ভবিষ্যত বিষয়ের প্রতি) দৃঢ় কর, (অর্থাৎ ইচ্ছাকৃত শপথ)। (সুরা মায়েদাহ :৮৯) সুতরাং এর কাফফারা হচ্ছে দশজন অভাবগ্রস্থকে (মধ্যম ধরণের) খাদ্য প্রদান করা, যা তোমরা নিজ পরিবারের লোকদেরকে খাইয়ে থাক, কিংবা তাদেরকে (মধ্যম ধরণের) পরিধেয় বস্ত্র দান করা কিংবা একটা গোলাম বা বাঁদী মুক্ত করে দেয়া, আর যে ব্যক্তি সমর্থ না রাখে, সে একাধারে তিন দিন রোযা রাখবে। এটা তোমাদের কসমের কাফফারা।


কপিরাইট স্বত্ব © ২০২৫ আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট - সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত| Design & Developed By Biz IT BD