ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, পর্দা করা, নামায পড়া এগুলো শিরক হবে না। তবে নিয়তটা পরিবর্তন করলেই তো লৌকিকতা থেকে বেঁচে থাকা যায়।
৩। যদি তিনি মাফ করে দেন তাহলে মাফ হবে।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এই কিতাবটি যে আবু হানীফা রাহ. লিখিত তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে এই কিতাবটির নাম মূলত কী তা নিয়ে মতভেদ আছে। এই বিষয়ে ভূমিকার মধ্যে স্যার রহ. আলোচনা করেছেন, আপনি অনুগ্রহ করে সেটা দেখে নিন। আশা করি আপনার প্রশ্ন দূর হয়ে যাবে।
এটি কোন হাদীসে আছে বলে আমাদের জানা নেই। তবে যিনি মসজিদ নির্মান করবেন তার জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে মসজিদের মত বাড়ি নির্মাণ করবেন বলে সহীহ হাদীসে উল্লেখ আছে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৪৫০।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা ভাল আছি। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন। আপনি কম্পিউটারে যে কাজ করছেন তা সরাসরি অপরাধ নয় তবে অপরাধে কিছুটা হলেও সহযোগিতা। তাই আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে কাজ করার চেষ্টা করুন যে প্রতিষ্ঠানে এতটুকু সহযোগিতারও কোন অবকাশ নেই। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব হলো আপনাকে অবশ্যই জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আপনার সমস্যার কারণে আপনি প্রথম জামাতেই (আপনার ভাষায় আহলে হাদীস মসজিদে) সালাত আদায় করে নিবেন। অন্যান্য মাজহাবেও আসরের সালাত আগেই আদায় করা হয়, সুতরাং এই সময় আসরের সালাত আদায় করলে কোন সমস্যা নেই।ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা ভাল আছি। আমরা দুআ করি আল্লাহ আপনাকেও ভাল রাখুন। আপনি কম্পিউটারে যে কাজ করছেন তা সরাসরি অপরাধ নয় তবে অপরাধে কিছুটা হলেও সহযোগিতা। তাই আপনি এমন একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে কাজ করার চেষ্টা করুন যে প্রতিষ্ঠানে এতটুকু সহযোগিতারও কোন অবকাশ নেই। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব হলো আপনাকে অবশ্যই জামাতে সালাত আদায় করতে হবে। আপনার সমস্যার কারণে আপনি প্রথম জামাতেই (আপনার ভাষায় আহলে হাদীস মসজিদে) সালাত আদায় করে নিবেন। অন্যান্য মাজহাবেও আসরের সালাত আগেই আদায় করা হয়, সুতরাং এই সময় আসরের সালাত আদায় করলে কোন সমস্যা নেই।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কোন ধরণের অন্যায় কাজে টাকা-পয়সা দেয়া অবশ্যই অপরাধ এবং গুনাহের কাজ। এখন যদি বাধ্য হয়ে দিতেই হয় তাহলে মনে মনে ঘৃনা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে অপারগতার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কোন ধরণের অন্যায় কাজে টাকা-পয়সা দেয়া অবশ্যই অপরাধ এবং গুনাহের কাজ। এখন যদি বাধ্য হয়ে দিতেই হয় তাহলে মনে মনে ঘৃনা করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে অপারগতার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, আপনি উক্ত নোটে কী পড়েছেন? কী দলীল সেখানে আছে? বিস্তারিত জানালে আমাদের জন্য উত্তর দেয়া সহজ হবে। তবে সংক্ষেপে আপনাকে বলি শিয়াদের অনেকেই মনে করে বর্তমান কুরআন বিকৃত কুরআন। তাদের এমন বিশ্বাস কুফরী। আল্লাহ তায়াল কুরআনে বলেছেন, إِنَّانَحۡنُنَزَّلۡنَاٱلذِّكۡرَوَإِنَّالَهُۥلَحَٰفِظُونَ ا নিশ্চয় আমরা কুরআন নাযিল করেছি, আর আমরা স্বয়ং তার হিফাযত-কারী। সূরা আল-হিজর, আয়াত: ৯। সুতরাং যদি বলা হয় কুরআন বিকৃত হয়ে গেছে তাহলে বলতে হবে আল্লাহ তায়ালা কুরআনকে হেফাজত করতে পারেন নি। নাউযুবিল্লাহ। অথবা বলতে হবে কুরআন মিথ্যা, কারণ আল্লাহ তায়ালা বলেছেন হেফাজত করবেন পরে আর হেফাজত করেন নি। নাউযুবিল্লাহ। কোনটিই গ্রহনযোগ্য নয়। সুতরাং কুরআন বিকৃত হয়েছে এটা মিথ্যা ও ভুল কথা। কুরআন বিকৃত হওয়ার পক্ষে তারা যে দলীলই দিক তা অগ্রহনযোগ্য বলেই বিবেচিত হবে। তাদের এসব মিথ্যা, প্রতারণা পূর্ণ কোন নোট বা বই না পড়া্ই আমাদের জন্য কল্যানকর। আমরা আল্লহর কাছে দুআ করি আল্লাহ যেন আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করেন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ১. না জেনে শিরক বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন সেটা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। কারো কাছে যদি ইসলামের দাওয়াত একেবারই না পৌছায় তাহলে আল্লাহ তার উপরে সাধ্যের বাইরে কোন কিছু চাপাবেন না। আর যদি ছোট ছোট শিরক করে যেটা কবীর গুনাহের পর্যায়ের তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করতে পারেন আবার শাস্থিও দিতে পারেন। ছোট শিরক যেমন, কোন কিছুর মধ্যে অকল্যান আছে এমন বিশ্বাস করা ইত্যাদি। ২. না জেনে নামাযের ক্বিরাতে ভুল করার পর যখন জানতে পারবে নামাযে ভুল পড়েছে তখন পূনরায় নামায পড়েব। কারণ ঐ নামায তার হয় নি। অবশ্য ভুল এমন হতে হবে যে ভুল করার কারণে অর্থ পাল্টে যায়। আপনি আরো স্পষ্ট করে প্রশ্ন করবেন। আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, এই ধরনের কথার মধ্যে না জাযেজ কোন কিছু তো পাচ্ছি না। মানুষ আবেগের কারণে এমনটি বলতে পারে, এতে দোষের কিছু নেই। না জায়েজ হওয়ার জন্য যে সমস্ত দলীল দরকার এখানে তেমন কিছু আছে বলে আমার জানা নেই। মানুষ পা ধরে ক্ষমা চাওয়াকে ক্ষমা চাওয়ার শেষ স্তর মনে করে তাই হয়তো তিনি বলেছেন, আল্লাহর কুদরতি পায়ে ধরে ক্ষমা চাচ্ছি। আল্লাহ ভাল জানেন।
আপনি আপনার বিশ্বাসের উপর অটল থাকুন। তাদের এমন কথার জবাবে আপনি বলবেন: ১। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কথা শুনতে পান না তাই মাধ্যম লাগে। আল্লাহ সবার কথা শুনতে পান তাই মাধ্যম লাগে না। কুরআনে যে আমাকে ডাকবে আমি তার ডাকে সাড়া দিবো। وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ । সূরা বাকারাহ, আয়াত ১৮৬। দরুদ পাঠ না করলে দুআ কবুল হয় না এটাও ঠিক না । কুরআনের এই আয়াতে আল্লাহ বলেছেন বান্দা ডাকলেই অর্থাৎ দুআ করলেই আমি সাড়া দেব। তাহলে দরুদ জরুরী কেন হবে বলুন? তবে দরুদ পড়া অনেক সওয়াবের কাজ। কোন বাবার কথাতো আর দলীল নয় দলীল কুরআন-সুন্নাহ, সাহাবীদের কাজ। রোগ হলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া এটাই সুন্নাত। রোগ হলে আল্লাহর কাছে দুআ করতে হবে আর চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। মনে রাখবেন দুআ একটি ইবাদত, তা সুন্নাহ নির্দেশিত পন্থাতেই হতে হবে। অসুস্থাতা থেকে সুস্থতা একটা জাগতিক কাজ এখানে জাগতিকভাবেই সমাধান করতে হবে। তবে আল্লাহ তায়ালার কাছেতো দুআতো করতেই হবে। বিষয়টি বিস্তারিত জানতে আপনি ড. আব্দুল্লঅহ জাহাঙ্গীর রচিত কুরআন সুন্নাহর আলোকে ইসলামী আকীদা বইটি পড়ুন। ওখানে আপনার সব প্রশ্নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
ইচ্ছা করে এমন করা উচিত হবে না। এভাবে উচ্চারণ করলে সুবহানাল্লাহ এবং জাতীয় অন্যান্য শব্দ বললে যে সওয়াব হয় তা পাওয়া যাবে না। আল্লাহ শব্দের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত এমন করা অবশ্যই গুনাহ । তবে না জেনে কে্উ এমন করলে আশা করা যায় তিনি গুনাহগার হবেন না।
না, এই কথার কারণে শিরক হবে না। শিরক বিষয়ে বিস্তরিত জানতে পড়ুন ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত কুরআন-সুন্নাহের আলোকে ইসলামী আকীদা বইটি।