আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট এ আপনাকে স্বাগতম

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি
সব প্রশ্ন অর্থনৈতিক আকিকা আকীদা নামায আখিরাত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আদব আখলাক ইতিহাস ঈদ-কুরবানী ঈমান তাওহীদ রিসালাত জানাযা-কবর যিয়ারত জান্নাত-জাহান্নাম জিহাদ তাফসীর ত্বহারাত পবিত্রতা সফর জুমআ তারাবীহ নফল সালাত বিতর পোশাক-পরিচ্ছেদ ফারায়েজ ফিতরা বিচার-আচার বিবাহ-তালাক মানত যাকাত যিকির/দুআ/আমল রোজা লেনদেন শিরক-বিদআত সাধারণ দান-সদকাহ সিরাত/সামায়েল সুন্নাত হজ্জ হাদীস ও উসূলুল হাদীস হালাল হারাম বিবিধ কুরআন হাদীস বাতিল ফিরকা দাওয়াত ও তাবলিগ জাদু-টোনা মসজিদ মুসাফির রমযান সুদ-ঘুষ হালাল ইতিকাফ কাজা/কাফফারা গুনাহ জায়েয তায়াম্মুম ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ বিদআত কসর তাওবা জিন-পরি ব্যবসা-বাণিজ্য বই অসিয়ত
প্রশ্নঃ 1787
হানাফী মতে সাদাকাতুল ফিতর অর্থ দিয়ে আদায় হয়। প্রশ্ন হচ্ছে- ১. এটা কী সুন্নাহ নাকি শুধু জায়েজ? ২. অর্থ দিয়ে আদায় করারা দলীল কী? প্রধান খাদ্য দিয়ে যারা ফিতর এর কথা বলেন তাদের দলীল কী?
13 Jan 2026

এই বিষয়ে করা একটি প্রশ্নের উত্তর নিচে দিয়ে দিচ্ছি, সেখানে আপনিও আপনার উত্তর খুঁজে পাবেন। অর্থ বা টাকা-পয়সা দ্বারা যাকাতুল ফিতর আদায় করার ব্যাপারে ফকীহদের মাঝে দুটি মত বিদ্যমান। হবে এবং হবে না। ইমাম আবু হানিফা, সুফিয়ান সাওরী, উমার ইবনে আব্দুল আযীয, ইবনে তাইমিয়া রহ.সহ প্রমুখ আলেমের নিকট অর্থ দিয়ে আদায় করলে জায়েজ হবে বরং ক্ষেত্রে বিশেষ এটাই উত্তম হবে। পক্ষান্তরে ইমাম মালেক, আহমাদ, শাফী রহ.সহ অধিকাংশ আলেম বলেছন খাদ্য ছাড়া অন্য কোন কিছু দিয়ে আদায় করলে হবে না। যারা বলেন খাদ্য দিয়েই ফিতরা দিতে হবে তাদের দলীল: ইবনে উমার রা. বলেন, রা. فرض رسول الله صلى الله عليه و سلم زكاة الفطر صاعا من تمر أو صاعا من شعير على العبد والحر والذكر والأنثى والصغير والكبير من المسلمين وأمر بها أن تؤدى قبل خروج الناس إلى الصلاة অর্থ: রাসূলুল্লা সা. সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন এক সা. (সাড়ে তিন কেজির মত ) খেজুর অথবা জব। স্বাধীণ, গোলাম, নারী, পুরুষ, ছোট-বড় প্রতিটি মুসলিমের উপর। এবং তিনি ঈদের সালাতে বের হওয়ার পূর্বেই ফিৎরা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৩২। এছাড়া অনেক সহীহ হাদীসে গম, কিসমিস, আখরোট ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে। যারা বলেন অর্থ তথা টাকা-পয়সা দিয়ে আদায় করলেও জায়েজ হবে তাদের দলীল: সাহাবী মুআয রা. ইয়ামানবাসীদের বলেন, ائتُوني بعَرْضٍ : ثيابٍ خَميصٍ ، أَو لَبيسٍ في الصدقة ، مكان الشعير والذُّرة ، أَهوَنُ عليكم ، وَخَيْرٌ لأصحاب رسولِ الله -صلى الله عليه وسلم- بالمدينة অর্থ: তোমরা জব এবং ভুট্টার পরবর্তে পোশাক সদকা (যাকাত কিংবা ফিতরা) দাও। কেননা তা তোমাদের জন্য সহজ এবং রাসূলুল্লাহ সা. এর সাহবীদের জন্য কল্যানকর। সহীহ বুখারী, বা-বুল আরযি ফিয যাকাত, ২/১১৬। এছাড়া উমার ইবনে আবদুল আযীয, হাসান বসরী রহ. ফিতরার ক্ষেত্রে মূল্য নিতে বলেছেন বলে বর্ণিত আছে। দেখুন, মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা, হাদীস নং ১০৪৬৯-১০৪৭৩। ১০৪৭০ নং হাদীসটির আরবী পাঠ নিরুপ: حدثنا وكيع ، عن قرة ، قال : جاءنا كتاب عمر بن عبد العزيز في صدقة الفطر : نصف صاع عن كل إنسان ، أو قيمته نصف درهم এ বিষয়ে আরো জানতে দেখুন, আলফিকহুল ইসলাম্যিু ও আদিল্লাতুহু ৩/ ৩৮৩,৩৮৫। বর্তমানে মূল্য দ্বার ফিতরা জায়েজ হওয়া মতটাই বেশী যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয়। ঈদের দিন এখন মানুষের ময়দা বা কিসমিস বেশী প্রয়োজন হয় না । বেশী প্রয়োজন হয় চাল, গোশাত, সেমাই-চিন, জামা কাপড় ইত্যাদি। সহীহ হাদীসে অবশ্য খাবারের কথা বলা হয়েছে সে হিসাবে আপনি চাল দিতে পারেন। এখন যদি আমরা সবাই তাদেরকে চাল বা ময়দা দেই তাহলে গরীবরা অন্য জিনিসগুলো কোথায় পাবে? বিতর্কের সূত্রে যদি কেউ বলে এগুলো বিক্রি করে গোশত, সেমাই-চিনি কিনবে তাহলে এটা সবাই স্বীকার করবেন যে, গরীব মানুষেরা এক্ষেত্রে ন্যায্য মূল্য পাবে না। কারণ এসব ক্ষেত্রে নানা জনের নানান রকম দ্রব্য এক হয়ে মান কমে যায়, যার কারণে মূল্যও কমে যায়। সতরাং সাহাবীদের থেকে যেহেতু খাদ্যের বদলে কাপড় দেয়ার কথা উল্লেখ আছে এবং একদল আলেম মুদ্রা দিলেও জায়েজ হবে বলেছেন সেক্ষেত্রে কেউ যদি মুদ্রা দিয়ে যাকাতুল ফিতরা আদায় করে তাহলে বিতর্কে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের যার যেভাবে ভাল লাগবে আমারা সেভাবে ফিতরা আদায় করবো। তবে সব সময় গরীব মানুষের প্রয়োজনটার দিকে বেশী লক্ষল করবো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফীক দিন। আমীন

প্রশ্নঃ 1778
Assalamuaalaikum. Muhtaramer kace amar prosno hocce …amader dese jei poddhotite bitirer Salah adai kora hoi sei poddhoti ta purapuri sunnat sommoto..jemon titio rakate rukute jawar age ROFul yadain kore tarpor qunot tarpore ruku? R amra jani Allahr Rasul (sa:) koekhti poddhotite bitir adai korece. Akhon ami ki j kono ek poddhotite adai korbo naki amra jesob poddhoti sunnate peaci sei onujae ekek somoi ekek vabe adai korbo? R ekek somoi ekek poddhotite adai korle ulamader motamot ki ektu janaben jekono ek poddhoti beche nie adai korle ki bidat hobe naki?qunuter somoi munazat korbo naki. R bitirer salah ki oajib naki sunnate muakkada? kaza korle ki bidan ektu clear kore diben asa kori jeno samne r didhadonde na pori?
13 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, আমাদের দেশে যেভাবে বিতর পড়া হয় তা সুন্নাহ সম্মত। এই বিষয়ে আল্লামা ইবনে হাযাম জাহেরী রহ. বলেছেন, والوتر وتهجد الليل ينقسم على ثلاثة عشر وجها، أيها أفعل أجزأه বিতর ও রাতের তাহাজ্জুদ ১৩ টি পদ্ধতি রয়েছে। যে কোন এক পদ্ধতিতে পড়লেই যথেষ্ট হবে। এরপর তিনি দলীল সহ ১৩ পদ্ধতিই উল্লেখ করেছেন। ১২ নং পদ্ধতি উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, والثاني عشر: أن يصلي ثلاث ركعات، يجلس في الثانية، ثم يقوم دون تسليم و يأتي بالثالثة، ثم يجلس ويتشهد ويسلم، كصلاة المغرب. وهو اختيار أبي حنيفة ১২নং তিন রাকআত নামায পড়বে, দ্বিতীয় রাকআতে বসবে, এরপর সালাম না ফিরিয়ে উঠবে এবং তৃতীয় রাকআত পড়বে। তারপর বসে তাশাহুদু পড়ে সালাম ফিরাবে মাগরিবের নামাযের মত। আর এটা আবু হানীফা পছন্দ করেছেন। আল মুহল্লা (২/৮২)। আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন, আমাদের দেয়া 0105 এবং 0153 নং প্রশ্নের উত্তর। যে কোন একটি পদ্ধতিতে আদায় করলেই হবে। একেকে সময় একেক পদ্ধতিতেও আদায় করতে পারেন। বিতর সুন্নাত কি ওয়াজিব সে বিষয়ে নিচের হাদীসটি দেখুন عَنْ أَبِى أَيُّوبَ الأَنْصَارِىِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- الْوِتْرُ حَقٌّ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِخَمْسٍ فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِثَلاَثٍ فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُوتِرَ بِوَاحِدَةٍ فَلْيَفْ অর্থ: আবু আয়্যুব আনসারী রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, বিতর প্রতিটি মুসলিমের উপর আবশ্যক সুতরাং যে ৫ রাকআত আদায় করতে চায় সে তাই করবে, যে তিন রাকআত আদায় করতে চায় যে তাই করবে এবং যে এক রাকআত বিতর আদায় করতে চায় সে তা্ করেবে। সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ১৪২৪; সুনানু নাসায়ী, হাদীস নং ১৭১১। শায়খ শুয়াইব আরনাউত রহ. এবং শায়খ আলবানীর রহ.সহ অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, الْوِتْرُ حَقٌّ فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا الْوِتْرُ حَقٌّ فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا الْوِتْرُ حَقٌّ فَمَنْ لَمْ يُوتِرْ فَلَيْسَ مِنَّا বিতর আবশ্যক, যে বিতর পড়বে না সে আমাদের অন্তর্ভক্ত না, বিতর আবশ্যক, যে বিতর পড়বে না সে আমাদের অন্তর্ভক্ত না,বিতর আবশ্যক, যে বিতর পড়বে না সে আমাদের অন্তর্ভক্ত না। সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ১৪২১। শায়খ শুয়াইব আরনাউত রহ. হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। হাদীসের ভিত্তিতে ওয়াজিব বলেই মনে হয়। যারা সুন্নাত বলেছেন তারাও গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত বলেছেন। ছুটে গেলে কাজা করার মধ্যে মঙ্গল।

প্রশ্নঃ 1769
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? আমি যদি সেমাই, চিনি, দুধ, নারকেল, কিসমিস ইত্যাদির সমন্বয়ে ফিতরা আদায় করতে পারবো? জানালে উপকৃত হবো।
13 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।জ্বী, পারবেন। তবে সেটা যেন ফিতরার সর্বনিম্ন মূল্য অতিক্রম করে।

প্রশ্নঃ 1756
আস্সালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? আমি যদি সেমাই,চিনি,দুধ,নারকেল,কিসমিস ইত্যাদির সমন্বয়ে ফিতরা আদায় করতে পারবো? জানালে উপকৃত হবো। বিঃদ্রঃ উল্লেখিত সামান দিলে আমাদের এলাকার গরিব লোকেরা অনেক খুশি হয়।
08 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হ্যাঁ, পারবেন। তবে একটি ফিতরার সর্বনিম্ন মূল্যে যেন অতিক্রম করে।

প্রশ্নঃ 1712
jon proti fitra koto dibo? fitra ki kaddo drobbo diye dewa baddotamulok? sobai jodi kaddo drobbo de oder jonno kosto hoye jai? oraw kaddo drobbo nite chaina, taka dite bole. r taka diye ki fitra adai hobena?
08 Jan 2026

অর্থ দ্বারা যাকাতুল ফিতর আদায় করার ব্যাপারে ফকীহদের মাঝে দুটি মত বিদ্যমান। হবে এবং হবে না। ইমাম আবু হানিফা, সুফিয়ান সাওরী, উমার ইবনে আব্দুল আযীয, ইবনে তাইমিয়া রহ.সহ প্রমুখ আলেমের নিকট অর্থ দিয়ে আদায় করলে জায়েজ হবে বরং ক্ষেত্রে বিশেষ এটাই উত্তম হবে। পক্ষান্তরে ইমাম মালেক, আহমাদ, শাফী রহ.সহ অনেত আলেম বলেছন খাদ্য ছাড়া অন্য কোন কিছু দিয়ে আদায় করলে হবে না। যারা বলেন খাদ্য দিয়েই ফিতরা দিতে হবে তাদের দলীল: ইবনে উমার রা. বলেন, রা. فرض رسول الله صلى الله عليه و سلم زكاة الفطر صاعا من تمر أو صاعا من شعير على العبد والحر والذكر والأنثى والصغير والكبير من المسلمين وأمر بها أن تؤدى قبل خروج الناس إلى الصلاة অর্থ: রাসূলুল্লা সা. সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন এক সা. (সাড়ে তিন কেজির মত) খেজুর অথবা জব। স্বাধীণ, গোলাম, নারী, পুরুষ, ছোট-বড় প্রতিটি মুসলিমের উপর। এবং তিনি ঈদের সালাতে বের হওয়ার পূর্বেই ফিৎরা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৩২। এছাড়া অনেক সহীহ হাদীসে গম, কিসমিস, আখরোট ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে। যারা বলেন অর্থ তথা টাকা-পয়সা দিয়ে আদায় করলেও জায়েজ হবে তাদের দলীল: সাহাবী মুআয রা. ইয়ামানবাসীদের বলেন, ائتُوني بعَرْضٍ : ثيابٍ خَميصٍ ، أَو لَبيسٍ في الصدقة ، مكان الشعير والذُّرة ، أَهوَنُ عليكم ، وَخَيْرٌ لأصحاب رسولِ الله -صلى الله عليه وسلم- بالمدينة অর্থ: তোমরা জব এবং ভুট্টার পরবর্তে পোশাক সদকা (যাকাত কিংবা ফিতরা) দাও। কেননা তা তোমাদের জন্য সহজ এবং রাসূলুল্লাহ সা. এর সাহবীদের জন্য কল্যানকর। সহীহ বুখারী, বা-বুল আরযি ফিয যাকাত, ২/১১৬। এছাড়া উমার ইবনে আবদুল আযীয, হাসান বসরী রহ. ফিতরার ক্ষেত্রে মূল্য নিতে বলেছেন বলে বর্ণিত আছে। দেখুন, মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা, হাদীস নং ১০৪৬৯-১০৪৭৩। ১০৪৭০ নং হাদীসটির আরবী পাঠ নিরুপ: حدثنا وكيع ، عن قرة ، قال : جاءنا كتاب عمر بن عبد العزيز في صدقة الفطر : نصف صاع عن كل إنسان ، أو قيمته نصف درهم এ বিষয়ে আরো জানতে দেখুন, আলফিকহুল ইসলাম্যিু ও আদিল্লাতুহু ৩/ ৩৮৩,৩৮৫। বর্তমানে মূল্য দ্বার ফিতরা জায়েজ হওয়া মতটাই বেশী যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয়। ঈদের দিন এখন মানুষের ময়দা বা কিসমিস বেশী প্রয়োজন হয় না । বেশী প্রয়োজন হয় চাল, গোশাত, সেমাই-চিন, জামা কাপড় ইত্যাদি। সহীহ হাদীসে অবশ্য খাবারের কথা বলা হয়েছে সে হিসাবে আপনি চাল দিতে পারেন। এখন যদি আমরা সবাই তাদেরকে চাল বা ময়দা দেই তাহলে গরীবরা অন্য জিনিসগুলো কোথায় পাবে? বিতর্কের সূত্রে যদি কেউ বলে এগুলো বিক্রি করে গোশত, সেমাই-চিনি কিনবে তাহলে এটা সবাই স্বীকার করবেন যে, গরীব মানুষেরা এক্ষেত্রে ন্যায্য মূল্য পাবে না। কারণ এসব ক্ষেত্রে নানা জনের নানান রকম দ্রব্য এক হয়ে মান কমে যায়, যার কারণে মূল্যও কমে যায়। সতরাং সাহাবীদের থেকে যেহেতু খাদ্যের বদলে কাপড় দেয়ার কথা উল্লেখ আছে এবং একদল আলেম মুদ্রা দিলেও জায়েজ হবে বলেছেন সেক্ষেত্রে কেউ যদি মুদ্রা দিয়ে যাকাতুল ফিতরা আদায় করে তাহলে বিতর্কে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের যার যেভাবে ভাল লাগবে আমারা সেভাবে ফিতরা আদায় করবো। তবে সব সময় গরীব মানুষের প্রয়োজনটার দিকে বেশী লক্ষল করবো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফীক দিন। আমীন। জন প্রতি ফিতরা সরকারীভাবে কত নির্ধারন হয়েছে সেটা দেখুন। এলাকাভেদে ফিতরার টাকার পরিমানে তারতম্য হয়ে থাকে। খাদ্য দিয়ে দিলে সাড়ে তিন কোজি জব, খোজুর বা চাল। আর গম দিয়ে দিলে অর্ধেক দেয়া যায়।

প্রশ্নঃ 1685
1 cha =koto kg (Fitra jonno)
08 Jan 2026

৩ কেজি ৩০০ গ্রামের মত।

প্রশ্নঃ 770
ফিতরা কিভাবে দিতে হবে? টাকা দিয়ে নাকি খাদ্য দিয়ে?
01 Jan 2026

খাদ্য দিয়ে দিলে সকল আলেমের মতে ফিতরা আদায় হয়ে যাবে। তবে অর্থ দ্বারা যাকাতুল ফিতর আদায় করার ব্যাপারে ফকীহদের মাঝে দুটি মত বিদ্যমান। হবে এবং হবে না। ইমাম আবু হানিফা, সুফিয়ান সাওরী, উমার ইবনে আব্দুল আযীয, ইবনে তাইমিয়া রহ.সহ প্রমুখ আলেমের নিকট অর্থ দিয়ে আদায় করলে জায়েজ হবে বরং ক্ষেত্রে বিশেষ এটাই উত্তম হবে। পক্ষান্তরে ইমাম মালেক, আহমাদ, শাফী রহ.সহ অধিকাংশ আলেম বলেছন খাদ্য ছাড়া অন্য কোন কিছু দিয়ে আদায় করলে হবে না। যারা বলেন খাদ্য দিয়েই ফিতরা দিতে হবে তাদের দলীল: ইবনে উমার রা. বলেন, রা. فرض رسول الله صلى الله عليه و سلم زكاة الفطر صاعا من تمر أو صاعا من شعير على العبد والحر والذكر والأنثى والصغير والكبير من المسلمين وأمر بها أن تؤدى قبل خروج الناس إلى الصلاة অর্থ: রাসূলুল্লা সা. সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন এক সা. (সাড়ে তিন কেজির মত ) খেজুর অথবা জব। স্বাধীণ, গোলাম, নারী, পুরুষ, ছোট-বড় প্রতিটি মুসলিমের উপর। এবং তিনি ঈদের সালাতে বের হওয়ার পূর্বেই ফিৎরা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৩২। এছাড়া অনেক সহীহ হাদীসে গম, কিসমিস, আখরোট ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে। যারা বলেন অর্থ তথা টাকা-পয়সা দিয়ে আদায় করলেও জায়েজ হবে তাদের দলীল: সাহাবী মুআয রা. ইয়ামানবাসীদের বলেন, ائتُوني بعَرْضٍ : ثيابٍ خَميصٍ ، أَو لَبيسٍ في الصدقة ، مكان الشعير والذُّرة ، أَهوَنُ عليكم ، وَخَيْرٌ لأصحاب رسولِ الله -صلى الله عليه وسلم- بالمدينة অর্থ: তোমরা জব এবং ভুট্টার পরবর্তে পোশাক সদকা (যাকাত কিংবা ফিতরা) দাও। কেননা তা তোমাদের জন্য সহজ এবং রাসূলুল্লাহ সা. এর সাহবীদের জন্য কল্যানকর। সহীহ বুখারী, বা-বুল আরযি ফিয যাকাত, ২/১১৬। এছাড়া উমার ইবনে আবদুল আযীয, হাসান বসরী রহ. ফিতরার ক্ষেত্রে মূল্য নিতে বলেছেন বলে বর্ণিত আছে। দেখুন, মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা, হাদীস নং ১০৪৬৯-১০৪৭৩। ১০৪৭০ নং হাদীসটির আরবী পাঠ নিম্নরুপ: حدثنا وكيع ، عن قرة ، قال : جاءنا كتاب عمر بن عبد العزيز في صدقة الفطر : نصف صاع عن كل إنسان ، أو قيمته نصف درهم এ বিষয়ে আরো জানতে দেখুন, আলফিকহুল ইসলাম্যিু ও আদিল্লাতুহু ৩/ ৩৮৩,৩৮৫। বর্তমানে মূল্য দ্বার ফিতরা জায়েজ হওয়া মতটাই বেশী যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয়। ঈদের দিন এখন মানুষের ময়দা বা কিসমিস বেশী প্রয়োজন হয় না । বেশী প্রয়োজন হয় চাল, গোশাত, সেমাই-চিন, জামা কাপড় ইত্যাদি। সহীহ হাদীসে অবশ্য খাবারের কথা বলা হয়েছে সে হিসাবে আপনি চাল দিতে পারেন। এখন যদি আমরা সবাই তাদেরকে চাল বা ময়দা দেই তাহলে গরীবরা অন্য জিনিসগুলো কোথায় পাবে? বিতর্কের সূত্রে যদি কেউ বলে এগুলো বিক্রি করে গোশত, সেমাই-চিনি কিনবে তাহলে এটা সবাই স্বীকার করবেন যে, গরীব মানুষেরা এক্ষেত্রে ন্যায্য মূল্য পাবে না। কারণ এসব ক্ষেত্রে নানা জনের নানান রকম দ্রব্য এক হয়ে মান কমে যায়, যার কারণে মূল্যও কমে যায়।সতরাং সাহাবীদের থেকে যেহেতু খাদ্যের বদলে কাপড় দেয়ার কথা উল্লেখ আছে এবং একদল আলেম মুদ্রা দিলেও জায়েজ হবে বলেছেন সেক্ষেত্রে কেউ যদি মুদ্রা দিয়ে যাকাতুল ফিতরা আদায় করে তাহলে বিতর্কে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের যার যেভাবে ভাল লাগবে আমারা সেভাবে ফিতরা আদায় করবো। তবে সব সময় গরীব মানুষের প্রয়োজনটার দিকে বেশী লক্ষল করবো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফীক দিন। আমীন

প্রশ্নঃ 768
যাকাতুল ফিতরের পরিমান কত এবং তা রমযানের কত তারিখ থেকে দেওয়া যায়? কুরআন-সুন্নাহ এবং আয়িম্মায়ে মুজতাহিদদের মতামত সহ বিস্তারিত জানতে চাই।
01 Jan 2026

সদাকাতুল ফিতর গম বা আটা বাদে অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে এক সা, যা বর্তমান মাপে সাড়ে তিন কেজির মত। আর গম বা আটার ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে। কেউ বলেন. অর্ধ সা (এক কেজি সাতশ গ্রামের মত), আবার কেউ বলেন, এক সা। যারা এক সা বলেন তাদের দলীল, ইবনে উমার রা. বলেন, রা. فرض رسول الله صلى الله عليه و سلم زكاة الفطر صاعا من تمر أو صاعا من شعير على العبد والحر والذكر والأنثى والصغير والكبير من المسلمين وأمر بها أن تؤدى قبل خروج الناس إلى الصلاة অর্থ: রাসূলুল্লা সা. সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন এক সা. (সাড়ে তিন কেজির মত ) খেজুর অথবা জব। স্বাধীণ, গোলাম, নারী, পুরুষ, ছোট-বড় প্রতিটি মুসলিমের উপর। এবং তিনি ঈদের সালাতে বের হওয়ার পূর্বেই ফিৎরা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৩২। প্রতিটি বস্তুর ক্ষেত্রে যেহেতু এক সা সুতরাং গমের ক্ষেত্রেও এক সা হবে। উল্লেখ্য রাসূলুল্লাহ সা. থেকে স্পষ্ট নেই যে, গমের ক্ষেত্রে কতটুকু দিতে হবে। আর যারা বলেন অর্ধ সা (এক কেজি সাতশো গ্রামের মত) তাদের দলীল: ইবনে উমার রা. বলেন, فرض النبي صلى الله عليه و سلم صدقة الفطر أو قال رمضان على الذكر والأنثى والحر والمملوك صاعا من تمر أو صاعا من شعير فعدل الناس به نصف صاع من بر অর্থ: রাসূলুল্লা সা. সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন (কিংবা ইবনে উমার বলেনে, রমজান মাসে ফরজ করেছেন) এক সা. (সাড়ে তিন কেজির মত ) খেজুর অথবা জব। স্বাধীণ, গোলাম, নারী, পুরুষ, ছোট-বড় প্রতিটি মুসলিমের উপর। আর লোকেরা এর স্থলে অর্ধ সা (প্রায় এক কেজি সাতশো গ্রাম) গম দিতো। সহীহ বুখারী হাদীস নং ১৪৪০। এই হাদীসে আমরা স্পষ্ট জানতে পারলাম যে, সাহাবীরা অর্ধ সা গম দিতেন। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সা. থেকে ফিতরার ক্ষেত্রে গমের পরিমান স্পষ্ট বর্ণিত নেই তবে সাহাবীদের থেকে স্পষ্ট বর্ণিত আছে যে অর্ধ সা। আর প্রথম হাদীস থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, ঈদের সালাতে আসার পূর্বেই যাকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে। উক্ত হাদীস থেকে যাকাতুল ফিতর ইদুল ফিতরের দিন দেওয়া উত্তম বলে হাদীস থেকে মন হয়। তবে ঈদের দুই-পাঁচ দিন আগেও দিতে পারেন। এর আগে দেওয়া ঠিক হবে না। কেননা এই দানের নামই যাকাতুল ফিতর। আগে দিলে তারা ঈদুল ফিতরের আনন্দের কাজে তারা নাও ব্যবহার করতে পারে।

প্রশ্নঃ 765
যাকাতুল ফিতর নিয়ে হানাফী ও সালাফী আলিমদের দুই ধরনের মত দেখা যাচ্ছে। যাকাতুল ফিতর কি খাদ্য দিয়ে দেওয়া জরুরী? নাকি অর্থ দিয়েও দেয়া যাবে? কুরআন-সুন্নাহ ও আয়িম্মায়ে মুজতাহিদদের মতামত সহ বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
01 Jan 2026

অর্থ দ্বারা যাকাতুল ফিতর আদায় করার ব্যাপারে ফকীহদের মাঝে দুটি মত বিদ্যমান। হবে এবং হবে না। ইমাম আবু হানিফা, সুফিয়ান সাওরী, উমার ইবনে আব্দুল আযীয, ইবনে তাইমিয়া রহ.সহ প্রমুখ আলেমের নিকট অর্থ দিয়ে আদায় করলে জায়েজ হবে বরং ক্ষেত্রে বিশেষ এটাই উত্তম হবে। পক্ষান্তরে ইমাম মালেক, আহমাদ, শাফী রহ.সহ অধিকাংশ আলেম বলেছন খাদ্য ছাড়া অন্য কোন কিছু দিয়ে আদায় করলে হবে না। যারা বলেন খাদ্য দিয়েই ফিতরা দিতে হবে তাদের দলীল: ইবনে উমার রা. বলেন, রা. فرض رسول الله صلى الله عليه و سلم زكاة الفطر صاعا من تمر أو صاعا من شعير على العبد والحر والذكر والأنثى والصغير والكبير من المسلمين وأمر بها أن تؤدى قبل خروج الناس إلى الصلاة অর্থ: রাসূলুল্লা সা. সদকাতুল ফিতর ফরজ করেছেন এক সা. (সাড়ে তিন কেজির মত ) খেজুর অথবা জব। স্বাধীণ, গোলাম, নারী, পুরুষ, ছোট-বড় প্রতিটি মুসলিমের উপর। এবং তিনি ঈদের সালাতে বের হওয়ার পূর্বেই ফিৎরা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৩২। এছাড়া অনেক সহীহ হাদীসে গম, কিসমিস, আখরোট ও খাবারের কথা উল্লেখ আছে। যারা বলেন অর্থ তথা টাকা-পয়সা দিয়ে আদায় করলেও জায়েজ হবে তাদের দলীল: সাহাবী মুআয রা. ইয়ামানবাসীদের বলেন, ائتُوني بعَرْضٍ : ثيابٍ خَميصٍ ، أَو لَبيسٍ في الصدقة ، مكان الشعير والذُّرة ، أَهوَنُ عليكم ، وَخَيْرٌ لأصحاب رسولِ الله -صلى الله عليه وسلم- بالمدينة অর্থ: তোমরা জব এবং ভুট্টার পরবর্তে পোশাক সদকা (যাকাত কিংবা ফিতরা) দাও। কেননা তা তোমাদের জন্য সহজ এবং রাসূলুল্লাহ সা. এর সাহবীদের জন্য কল্যানকর। সহীহ বুখারী, বা-বুল আরযি ফিয যাকাত, ২/১১৬। এছাড়া উমার ইবনে আবদুল আযীয, হাসান বসরী রহ. ফিতরার ক্ষেত্রে মূল্য নিতে বলেছেন বলে বর্ণিত আছে। দেখুন, মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা, হাদীস নং ১০৪৬৯-১০৪৭৩। ১০৪৭০ নং হাদীসটির আরবী পাঠ নিম্নরুপ: حدثنا وكيع، عن قرة، قال : جاءنا كتاب عمر بن عبد العزيز في صدقة الفطر : نصف صاع عن كل إنسان ، أو قيمته نصف درهم এ বিষয়ে আরো জানতে দেখুন, আলফিকহুল ইসলাম্যিু ও আদিল্লাতুহু ৩/ ৩৮৩,৩৮৫। বর্তমানে মূল্য দ্বার ফিতরা জায়েজ হওয়া মতটাই বেশী যুক্তিযুক্ত বলে মনে হয়। ঈদের দিন এখন মানুষের ময়দা বা কিসমিস বেশী প্রয়োজন হয় না । বেশী প্রয়োজন হয় চাল, গোশাত, সেমাই-চিন, জামা কাপড় ইত্যাদি। সহীহ হাদীসে অবশ্য খাবারের কথা বলা হয়েছে সে হিসাবে আপনি চাল দিতে পারেন। এখন যদি আমরা সবাই তাদেরকে চাল বা ময়দা দেই তাহলে গরীবরা অন্য জিনিসগুলো কোথায় পাবে? বিতর্কের সূত্রে যদি কেউ বলে এগুলো বিক্রি করে গোশত, সেমাই-চিনি কিনবে তাহলে এটা সবাই স্বীকার করবেন যে, গরীব মানুষেরা এক্ষেত্রে ন্যায্য মূল্য পাবে না। কারণ এসব ক্ষেত্রে নানা জনের নানান রকম দ্রব্য এক হয়ে মান কমে যায়, যার কারণে মূল্যও কমে যায়।সতরাং সাহাবীদের থেকে যেহেতু খাদ্যের বদলে কাপড় দেয়ার কথা উল্লেখ আছে এবং একদল আলেম মুদ্রা দিলেও জায়েজ হবে বলেছেন সেক্ষেত্রে কেউ যদি মুদ্রা দিয়ে যাকাতুল ফিতরা আদায় করে তাহলে বিতর্কে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের যার যেভাবে ভাল লাগবে আমারা সেভাবে ফিতরা আদায় করবো। তবে সব সময় গরীব মানুষের প্রয়োজনটার দিকে বেশী লক্ষল করবো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফীক দিন। আমীন

প্রশ্নঃ 751
ফিৎরা কী? কেন দেওয়া হয়? কারা দিবে? কাদেরকে দিবে?
31 Dec 2025

রমজান মাসের শেষে ঈদের পূর্বে ইসলামী শরীয়ত কতৃক আদেশকৃত বিশেষ দানকে ফিতরা বলে। ইসলাম চাই ইসলামী উৎসবগুলোতে ধনী-গরীব সবাই যেন শামিল হয়। এই কারণে প্রতিটি উৎসবের সময়ই কিছু কিছু দান-সদকা করতে ইসলাম আদেশ করে অথবা উৎসাহ দেয়। অসংখ্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. ফিতরা দিতে বলেছেন। ফিৎরা দেয়া আবশ্যক। যারা নিত্য প্রয়োজনীয় সম্পদ (বাসস্থান ও খাদ্যখাবার ) বাদে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রোপা বা সাড়ে সাত তোলা সোনার মালিক কিংবা ঐ পরিমাণ সোনার বা রুপার মূল্যমানের নগদ টাকা বা অন্য কোন সম্পদের মালিক তারা ফিতরা দিবে। যারা এর চেয়ে কম পরিমান সম্পদের মালিক তারা ফিতরা পাবে । বিস্তারিত জানতে স্থানীয় কোন আলেমের নিকট জিজ্ঞাসা করুন। বিস্তারিত জানতে

প্রশ্নঃ 68
ফিতরা কয় শ্রেণীর মানুষের মাঝে বন্টন করতে হবে?
20 Dec 2025
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। যাকাত যাদেরকে দেয়া যায় ফিতরাও তাদেরকে দেয়া যায়। আর কুরআনে তাদের পরিচিতি দেয়া হয়েছে এই আয়াতে:
إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاء وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ
অর্থ: সাদকা (যাকাত ) পাওয়ার অধিকারী হলো, দরিদ্র, মিসকিন, সরকারের পক্ষ থেকে যাকাত আদায়ের জন্য নিযুক্ত লোক, অমুসলিমদেরকে ইসলামের দিকে আকষর্নের জন্য ( এটা সরকারের পক্ষ থেকে হতে হবে), গোলাম আযাদের জন্য, ঋনগ্রস্থ ব্যক্তির ঋন পরিষোধের জন্য, মুজাহিদ, মুসাফির। সূরা তাওবা, আয়াত ৬০। এই আয়াত থেকে আমরা জানতে পারি যে, যাকাত উল্লেখিত আট শ্রেনীর মানুষকে দেয়া যায়। তেমনিভাবে সদকাতুল ফিতরও এই আট শ্রেণীর মানুষকে দেয়া যায়।বিস্তারিত জানতে দেখুন, আলফিক্হ আলা মাজাহিবিল আরবা ১/৪৮৪-৪৮৬।

কপিরাইট স্বত্ব © ২০২৫ আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট - সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত| Design & Developed By Biz IT BD