সহীহ হাদীসে রাসূলুল্লাহ সা. সূরা ফাতিহার পরে আমীন বলতে উদ্বুদ্ধ করেছেন। সুতরাং আমীন বলা সুন্নাত।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হাদীসটি লক্ষ্য করুন:
1196- حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ ، عَنْ يَحْيَى ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ ، قَالَ : حَدَّثَنِي خُبَيْبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، عَنْ حَفْصِ بْنِ عَاصِمٍ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَا بَيْنَ بَيْتِي وَمِنْبَرِي رَوْضَةٌ مِنْ رِيَاضِ الْجَنَّةِ وَمِنْبَرِي عَلَى حَوْضِي
আবু হুরায়রা (রা) রাসুলুল্লাহ (সা:) থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন: আমার ঘর ও মিম্বারের মাঝখানের জায়গাটি জান্নাতের রওজা (বাগান) সমুহের একটি রওজা (বাগান), আর আমার মিম্বরটি আমার হাওজের উপরে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১১৯৬।
এই হাদিস দ্বারা রওজার বিশেষ মর্যাদা বুঝা যায়। তবে রওজায় সালাত আদায় করার বিশেষ ফজিলতে কোন হাদিস রাসুলুল্লাহ (সা:) থেকে বর্ণিত হয়েছে বলে জানা নেই। এই জায়গার বিশেষ মর্যাদা থাকার কারনে মানুষ এখানে সালাত আদায় করার জন্য ভিড় জমায় ।
কোন কোন আলেম এই জায়গায় সালাত আদায় করলে জায়গার ফজিলতের কারনে সওয়াব বেশী হবে বলে মন্তব্য করেছেন। তবে সওয়াব বেশী হওয়ার জন্য দলিল প্রয়োজন। আর আহলে সুফ্ফার লোকেরা যেখানে ছিল ঐ জায়গার ফজিলতে কোন হাদিস বর্ণিত হয়েছে বলে জানা নেই। কোন আলেম এই জায়গার কোন গুরুত্ব দিয়েছেন বলেও জানা নেই।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, দাঁড়ানোর নামই তো আরবীতে কিয়াম । যাহোক আপনি যেটা জানতে চেয়েছেন তা আমরা বুঝতে পেরেছি। এই দাঁড়ানো বা কিয়াম বিদআত। রাসূলুল্লাহ সা. এর জন্মের প্রায় হাজার বছর পর এই প্রথা চালু হয়েছে। সুতরাং এই আনুষ্ঠানিকতা বর্জন করা উচিত। বিস্তারিত জানতে দেখুন শায়েখ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত এহ্ইয়াউস সুনান বইটির শেষ অধ্যায়, বিশেষ করে ৫৩২-৫৩৩ পৃষ্ঠা।
আপনি আররাহিকুল মাখতুম পড়বেন। এটা রাসূলুল্লাহ সা. এর জীবনী নিয়ে ভাল ও স্বীকৃত বই।