আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট এ আপনাকে স্বাগতম

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি
সব প্রশ্ন অর্থনৈতিক আকিকা আকীদা নামায আখিরাত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আদব আখলাক ইতিহাস ঈদ-কুরবানী ঈমান তাওহীদ রিসালাত জানাযা-কবর যিয়ারত জান্নাত-জাহান্নাম জিহাদ তাফসীর ত্বহারাত পবিত্রতা সফর জুমআ তারাবীহ নফল সালাত বিতর পোশাক-পরিচ্ছেদ ফারায়েজ ফিতরা বিচার-আচার বিবাহ-তালাক মানত যাকাত যিকির/দুআ/আমল রোজা লেনদেন শিরক-বিদআত সাধারণ দান-সদকাহ সিরাত/সামায়েল সুন্নাত হজ্জ হাদীস ও উসূলুল হাদীস হালাল হারাম বিবিধ কুরআন হাদীস বাতিল ফিরকা দাওয়াত ও তাবলিগ জাদু-টোনা মসজিদ মুসাফির রমযান সুদ-ঘুষ হালাল ইতিকাফ কাজা/কাফফারা গুনাহ জায়েয তায়াম্মুম ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ বিদআত কসর তাওবা জিন-পরি ব্যবসা-বাণিজ্য বই অসিয়ত
প্রশ্নঃ 2128
আসসালামুআলাইকুম। প্রশ্ন: বিতর নামাজে দোয়া কুনুতের পরে এবং যে কোন নামাজের শেষ বৈঠকে দোয়া মাছুরা পড়ার পরে অন্য যে কোন দোয়া কি করা যাবে, যেমন : আল্লাহুম্মা আংতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আংতা খলাক্বতানি………. রব্বানা লা তুযিগ কুলুবানা……….. রব্বানা আতিনা……. ইত্যাদি ।
20 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কুনুতের সময় দুআ কুনুতই পড়বেন। কুনুতের একাধিক দুআ আছে। আপনি এক বা একাধিক দুআ কুনুত পড়তে পারেন। আর প্রচলিত দুআ মাসূরার পরে অন্য দুআ মাসূরা অর্থাৎ কুরআন-হাদীস উল্লেখিত যে কোন দুআ পড়তে পারেন, আপনি যেগুলো উল্লেখ করেছেন সেগুলোও পড়তে পারেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

প্রশ্নঃ 2121
আসসালামু আলাইকুম। লাশ দাফনের পর কবরে মাটি দেওয়ার সময় একটি দুআ পড়া হয় মিনহা খলাকনাকুম অ ফিহা নুয়িদুকুম অ মিনহা নুখরিজুকুম তারতানউখরা। এটাকি মাসনুন দুআ?
20 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।এই বিষয়ে ইমাম নববী রহ.বলেন, কাজী হুসাইন এবং অন্যান্যরা বলেছেন, তিন বার মাটি দেয়ার পথমবার বলবে মিনহা খলাকনাকুম আর দ্বিতীয়বার বলবে ওফিহা নুয়িদুকুম আর তৃতীবার মাটি দেয়ার সময় বাকী অংশটু টুকু বলবে। قال القاضى حسين والمتولي وآخرون يستحب أن يقول في الحثية الاولي (منها خلقناكم) وفى الثانية (وفيها نعيدكم) وفى الثالثة (منها نخرجكم تارة أخرى) আলমাজমুঈ, ৫/২৯৩। এই বিষয়ে একটি দূর্বল হাদীসও পাওয়া যায়। হাদীসটির হলো عن أبي أمامة قال : لما وضعت أم كلثوم ابنة رسول الله صلى الله عليه و سلم في القبر قال رسول الله صلى الله عليه و سلم { منها خلقناكم وفيها نعيدكم ومنها نخرجكم تارة أخرى } আবু উমামা বলেন, যখন রাসুলুল্লাহ সা. এর কন্যা উম্মে কুলসুমকে কবরে রাখা হলো তখন রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, মিনহা খলাকনাকুম অ ফিহা নুয়িদুকুম অ মিনহা নুখরিজুকুম তারতানউখরা। মুসনাদু আহমাদ, হাদীস নং ২২২৪১। তবে ইমাম নববী রহ. বলেছেন, وان كان ضعيفة الاسناد ويعمل بها في الترغيب والترهيب وهذا منها দূর্বল হাদীস অনুযায়ী এই সব ক্ষেত্রে আমল করা যায়। আলমাজমুঈ, ৫/২৯৪। সুতরাং উক্ত দুআটি পড়া যেতে পারে। তবে এটা সুন্নাত বলা কঠিন, কারণ কোন গ্রহনযোগ্য হাদীস নেই।

প্রশ্নঃ 2093
আসসালামূ আলাইকূম, ভাই আমার অনেক দেনা আছে। এই মুহূর্তে সব শোধ করতে পারছিনা। মহান আল্লাহর কাছে কিভাবে দোয়া করবো।
19 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, রাহে বেলায়াত গ্রন্থে অনেকগুলো ঋণ মু্ক্তির দুআ অছে। আপনি বইটি সংগ্রহ করে দুআগুলো শিখে নিন।

প্রশ্নঃ 2061
আস সালামু আলাইকুম ঢাকার তাওহীদ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত সহীহ দুআ ঝাড়ফুঁক ও যিকর বইটির তেত্রিশ পৃষ্ঠায় ক্রমিক নং ৭-এ একটি যিকর উল্লেখ করে রেফারেন্স হিসেবে তাবারানী ও সহীহুল জামে ২৬১৫ নং দেওয়া আছে। যিকরটি নিম্নরূপঃ আলহামদু লিল্লাহি আদাদা মা খলাক, আলহামদু লিল্লাহি মিল আ মা খলাক, আলহামদু লিল্লাহি আদাদা মা ফিস সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরজ, আলহামদু লিল্লাহি আদাদা মা আহসা কিতাবুহ, ওয়াল হামদু লিল্লাহি আলা মিল ই মা আহসা কিতাবুহ, ওয়াল হামদু লিল্লাহি আদাদা কুল্লি শাই, ওয়াল হামদু লিল্লাহি মিল আ কুল্লি শাই। সুবহানাল্লাহি আদাদা মা খলাক, সুবহানাল্লাহি মিল আ মা খলাক, সুবহানাল্লাহি আদাদা মা ফিস সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরজ, সুবহানাল্লাহি আদাদা মা আহসা কিতাবুহ, ওয়া সুবহানাল্লাহি আলা মিল ই মা আহসা কিতাবুহ, ওয়া সুবহানাল্লাহি আদাদা কুল্লি শাই, ওয়া সুবহানাল্লাহি মিল আ কুল্লি শাই। জানতে চাইছি যে এটি সহীহ কি না। এ রকমের আর একটি যিকর আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত রাহে বেলায়াত ও রাসুলুল্লাহর (সাঃ) যিকর-ওযীফা বইটির ৯১ পৃষ্ঠায় যিকর নং ১১ তে আছে। তবে যিকরটির কিছু শব্দে আছে ভিন্নতা। আরও একটি যিকর যার ভাষা নিম্নরূপঃ সুবহানাল্লাহি আদাদা মা খলাকা ফিস সামা, ওয়া সুবহানাল্লাহি আদাদা মা খলাকা ফিল আরজ, ওয়া সুবহানাল্লাহি আদাদা মা বাইনা যালিক, ওয়া সুবহানাল্লাহি আদাদা মা হুয়া খলিক। তারপর আল্লাহু আকবর যোগ করে, তারপর আল হামদু লিল্লাহ যোগ করে, তারপর লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ যোগ করে এবং তারপর লা হাওলা ওয়া লা কুও ওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ যোগ করে বাক্যগুলো পাঠ করতে হবে। এই যিকরটির বিবরণ অনেক কিতাবে আছে। এই যিকরটির তাহকীক করা হয়েছে। যিকরটি আমার খুব পছন্দের। কিন্তু তাহকীক রিয়াদুস সালেহীনে মুহাদ্দিস আলবানির মন্তব্যটা বুঝতে পারলাম না। কিতাবটির ১৪৪৯ অথবা ১৪৫০ নং হাদিসে যিকরটি পাওয়া যায়। আলবানি বলেছেন যে হাদিসটির মূল অংশ সহীহ। মূল অংশ বলতে কী বুঝাতে চেয়েছেন? বিস্তারিত জানালে খুশি হবো। আস সালামু আলাইকুম।
18 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আবু উমামা রা. থেকে এই জিকিরটি শব্দের একটু কম বেশী করে অনেক কিতাবে উল্লেখ আছে। হাদীসটি সহীহ। আপনি যে কোন একটি কিতাব থেকে জিকিরটি মুখস্থ করে পড়তে পারেন। আলবানী রহি. এর তাহকীককৃত রিয়াদুস সালেহীন আমাদের কাছে নেই, তবে তিনি বিভিন্ন কিতাবে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।

প্রশ্নঃ 2042
আসসালামুয়ালাইকুম। আমি আজ ডঃ মুফতি ঈমাম হোসেন সাহেবের এক ইউ টিউব ভিডিও তে দেখলাম আস্তাগফিরুল্লাহ রাব্বি মিনকুল্লি জাম্বিউ এই এস্তেগফার টা নাকি সহিহ না। তাহলে সহিহ কোনটি জানালে খুব উপকার হবে।
18 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ইস্তিগফার অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা।আস্তাগফিরুল্লাহ রাব্বি মিনকুল্লি জাম্বি এর অর্থ আমার প্রতিপালক আল্লাহর কাছে সকল গুনাহ থেকে ক্ষমা চাচ্ছি। এটা কেন সহীহ না এটা আমাদের বোধগম্য নয়। তবে সায়্যিদুল ইস্তিগফার পড়া সবচেয়ে ভাল।

প্রশ্নঃ 2024
আসসালামু আলাইকুম। আমাকে কি নিম্নের দোয়াটার বাংলা তরজমাা লবেেন? আমি দোয়াটা আমল করি। লা ইলাহা ইল্লাল লাহু ওয়াদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালহুল হামদু ওহুয়া আলা কুল্লি সাইয়্যিন কাদির।
18 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। দুআটির অর্থ হলো, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তার, প্রসংসা শুধু তার জন্য আর তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

প্রশ্নঃ 2001
আস-সালামু আলাইকুম, আমি চন্দন মন্ডল। পশ্চিমবঙ্গ থেকে. আমি জীবনের জন্য সংগ্রাম করছি৷ আমি খুব দরিদ্র ছেলে৷ আমি আমার অর্থনৈতিক অবস্থা নিরাময় করতে চাই তাই দয়া করে আমার অর্থনৈতিক অবস্থা নিরাময়ের জন্য আমাকে কিছু সুন্নাত আমল সম্পর্কে বলবেন?
18 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমরা আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ যেন আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সম্মানজনক হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করে দেন। আপনি কুরআনের এই দুআটি বেশী বেশী পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং হাদীসের এই দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করুন। اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى

প্রশ্নঃ 1982
বিপদ- আপদ, বিভিন্ন ধরনের সমস্যার জন্য যেসব দোয়া ও আমল আছে তা জানার জন্য স্যার এর কোন বইটি কিনব?
17 Jan 2026

বিপদ- আপদ, বিভিন্ন ধরনের সমস্যার জন্য যেসব দোয়া ও আমল আছে তা জানার জন্য স্যার এর রাহে বেলায়াত বইটি সংগ্রহ করবেন।

প্রশ্নঃ 1886
আসসালামু আলাইকুম, আমি একটা NGO তে Audit officer হিসাবে আছি, কিন্তু শাখা অফিসগুলোতে প্রায়ই যে সব অনিয়ম হয় সেগুলো আমাকে খুজে বের করতে হয় কিন্তু কি কারনে তারা এই সব অনিয়ম করে তা বের করা খুবই কঠিন, তাই আমি এমন দুআ শিখতে চাই, যা আমাকে এইসব অপরাধ খুজে বের করতে সাহায্য করবে। আমার প্রশ্ন কোন দুআ পড়লে আল্লাহ আমার কাজে সাহায্য করবেন?
14 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. লিখিত রাহে বেলায়াত বইটি সংগ্রহ করে সেখানে থেকে আপনার প্রয়োজনীও দুআগুলো শিখে নিবেন।

প্রশ্নঃ 1858
আমি একটি দুয়া পড়ি, যা ১০০ শত ভাগ কারযকর আল্লাহর আশেষ রহমতে, যা ব্যথার দুয়া, ( আউজউবিল্লাহি উয়া কুদ্রাতিহি মিন শার রী মা আজিদু …………। , ) এ ছাড়া আমি আরও কিছু দুয়া শিখতে চাই, যা কোরআন হাদিসে আছে, ১০০ ভাগ অথেন টিক। আমাকে কিছু রোগ ব্যাধি থেকে মুক্ত হওয়ার দুয়া বলুন (কিডনি রোগ, হার্ট, প্রেসার), বিশেষ করে একজিমা থেকে মুক্ত হওয়ার দুয়া বলুন।
14 Jan 2026

আপনি নিচের দুআগুলো পড়তে পারেন। اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭০২৫। এই দুআটি দুই সাজদার মাঝখানে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করবেন। ৭০২৫ اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَاسَ اشْفِهِ وَأَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمً সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৭৪৩। বিস্তারিত জানতে দেখুন, শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত রাহে বেলায়াত বইটি।

প্রশ্নঃ 1840
আসসালামু আলাইকুম… আমার প্রশ্ন হলো, জান্নাতে অনেক মানুষই যাবে…নবী-রাসূলরাও যাবে… তবে সকলের মর্যাদা সমান হবেনা… কেউ উপরের স্তরে, কেউ নিচের স্তরে থাকবে… উপরের স্তরে জায়গা পাওয়ার জন্য যেকোনো মানুষের জন্য কোনো স্পেশাল করণীয় বা আমল আছে কি?
13 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ফরজ দায়িত্বগুলো যথাযথ পালন আবশ্যক, হারাম এবং সন্দেহযুক্ত প্রতিটি বিষয় থেকে বিরত থাকতে হবে। এটা হলেপ জান্নাতে যাওয়ার পথ। এর বাইরে নফল ইবাদাত এবং অন্যান্য ভাল কাজ যে যত করবে তার মর্যাদা তত হবে।

প্রশ্নঃ 1777
আসসালামু আলাইকুম মনের নেক আশা পুরন করার কি কোন সুন্নত আমল আছে? যদি আমল গুলো দিতেন অথবা রেফারেন্স দিতেন তাহলে খুবি উপকৃত হয়তাম।
13 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. লিখিত রাহে বেলায়াত বইটি সংগ্রহ করে সেখানে থেকে দুগুলো জেনে নিন।

প্রশ্নঃ 1733
ড, জাহাঙ্গীর Khandaker হুজুরের একটা ভিডিও দেখেছি, তিনি বলেছেন যে, একদিন এক লোক আসলেন পুরানো পল্টন এলাকার তার একটি কোটি কোটি টাকা দামের জমি এক ডেভেলপার নিয়ে গিয়েছি, আর ফিরত দেয় না। তখন হুজুর কিছু দোয়া/আমল করতে বলেছিলেন, এক মাস এর মধ্যে ডেভেলপার দলিল ফিরত দিলেন, আমার প্রশন হুজুর কি কি দোয়া কিভাবে পরতে বলেছিলেন? একটু জানালে অনেক উপকার হবে। কয়েকদিন আগে আমি আপনাকে একটি প্রশন করে ছিলাম, প্রশন নাম্বার ১৭৭৩, পড়লে আরও ক্লিয়ার হবেন, আমার ১৫ লক্ষ টাকার বিল পাচ্ছি না, তাই খুব কষ্টে আছি। কি আমল করলে এই বিপদ থেকে উদ্দার হতে পারি।
08 Jan 2026

স্যার রাহি. ঠিক কী কী দুআ করতে বলেছিলেন তা আমাদের জানা নেই। তবে রাহে বেলায়াত বইয়ের নিম্নের দুআগুলো এই ধরণের সমস্যার ক্ষেত্রে আমল করতে হয়। ১৮৭ নং থেকে ১৯২ এবং ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ২৬, ১৫৭ নং দুআ। আপনি আপনার সাধ্যমত আমল করতে থাকুন। বিশেষত ১৮৭ থেকে ১৯২ পর্যন্ত। স্যার রহি. সম্ভবত এই দুআগুলোই আমল করতে বলেছিলেন। প্রয়োজনে 01734717299

প্রশ্নঃ 1724
আযান ও একামতেৱ মাঝে হাত উঠিয়ে দুয়া কৱা যাবে কি?
08 Jan 2026

যে কোন দুআ হাত উঠিয়ে করা যায়। দুআতে হাত উঠাতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। সুতরাং এই সময়ও হাত উঠিয়ে দুআ করা যাবে।

প্রশ্নঃ 1697
Assalamu Alaikum, Vay gonaher kaj korle ki amol nosto hoy? Jodi hoy tobe sei gonaho gulor nam bolun.
08 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কুফরী করলে, মুরতাদ হলে আমল নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া অন্যান্য গুনাহ করলে সৎ আমলের সওয়াব নষ্ট হয় না তবে গুনাহের কারণে শাস্তি হতে পারে।

প্রশ্নঃ 1686
Assalamualikum, Amar biyer jonno patro pokkho asi ferot jay.2, 3 jon hujur amar jonno dekheche. 2 jon bollo amer biya bondho koreche kufri kalam dia. Tara koraner bivinno doa dia amake katiche amake bollo kufri kalam hujur ra pura kataite pare na. Amake base base amol korte bollen.Ami to namaj kalam pori. Job kori, tai khub basi somoy pai na. Ja pai chesta kori. R Kotho kotho amol korte hobe Kufri kalam katbe. Ami kom somoy a basi amol kivabe korbo.Janaben.
08 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমার মনে হয়, কুফুরী কালাম টালাম কিছু না। আপনার বয়স, কী চাকুরী করেন, লিখলে উত্তর দেয়া সহজ হতো। আমাদের দেশের অনেক মানুষই চাই স্ত্রী হিসেবে এমন মেয়ে ঘরে আসুক যে হবে সহজ-সরল, দুনিয়ার ম্যার-প্যাচ কম বুঝবে এবং মেয়েটে যেন তার নিয়ন্ত্রনে থাকে, তার কথা শোনে। অনেক সময় মেয়েদের বেশী বয়সের কারণে এবং চাকুরীর কারণে অনেক ছেলে তাদেরকে এড়ানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি আপনি ভেবে দেখবেন। আর কুরআনের এই দুআ দুটি সর্বদা পড়বেন। رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا এবং رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

প্রশ্নঃ 1669
আমি দ্রুত কুরআন তেলাওয়াত করতে পারি না। এখন রমাদানে যদি অর্থসহ তেলাওয়াত করি,তাহলে হয়তো রমাদানে কুরআন খতম নাও হতে পারে। এমতাবস্থায় আমার জন্য কোনটি ভালো হবে-অর্থসহ তেলাওয়াত করা নাকি শুধু তেলাওয়াত করা।
08 Jan 2026

অর্থসহ তেলাওয়াত করা উত্তম হবে। কুরআন খতম না হলেও সমস্যা নেই।

প্রশ্নঃ 1538
মুসলিম হয়ে সব ধর্মের উপাসনালয়ে দুয়া চাওয়া, শান্তি কামনা করা, উপাসনা করার নির্দেশ করা কতটুকু শরীয়তসম্মত?
07 Jan 2026

সব ধর্মের উপাসনালয়ে দুআ চাইলে সে মুশরিক, সে মুসলিম নয়। মুসলিম নামধারী কেউ এটা করলে সে মুশরিক হয়ে যাবে।

প্রশ্নঃ 1523
ইমাম আবু হানিফা (রহমাতুল্লাহ) এর যত জীবনী বই এবং ইন্টারনেট ডকুমেন্ট পাওয়া যায়, প্রায় সবখানে বলা থাকে, তিনি রমজানে দিনে একবার রাতে একবার কোরান খতম করতেন, রসুল (সাঃ) যেখানে উনার এক সাহাবীকে (রাঃ) তিন দিনের কমে শেষ করতে অনুমতি দেননি, সেখানে এই আমলের গুরুত্ব কি? আর আসলে এক রাতে কোরান খতম দেওয়া সম্ভব নাকি ৯-১০ ঘন্টায়? আমার প্রশ্ন, ইমামে আজম সম্পর্কে এইরকম এট্রিবিউশন গুলো কি সত্য? না হলে যারা এই মিথ্যা দেদারছে প্রচার করে তাদের মাকছাদ কি?
07 Jan 2026

এটা ঠিক যে, এই কথাটি ইমাম আবু হানীফা রহ. ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। তবে কোন গ্রহনযোগ্যসূত্রে এই কথাটির সত্যতা আমরা পাইনি। এই কথা বলে যারা ইমাম আবু হানীফা রহ. মর্যাদ বৃদ্ধি করতে চান তারা আসলে না বুঝে এমনটি করেন। হাদীসের পূর্ণ অনুসরনের মধ্যেই রয়েছে প্রকৃত মর্যাদা। আমাদের সকলের হাদীসই অনুসরণ করা উচিত।

প্রশ্নঃ 1519
আসসালামুলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ১। নামাজে (ফরজ, সুন্নাত, নফল সব নামাজেই ) সালাম ফেরানোর আগে কি রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া . . ., রাব্বানা জালামনা আনফুসানা . . ., রাব্বির হামহুমা . . ., রাব্বি হুবলি মিনাস . . .,দুআ ইউনুস এই দুআ গুলো পড়া যাবে? মানে কুরআন হাদিস এর যেকোনো দুআ কি পড়তে পারি? ২। রুকু করার সময় দৃষ্টি কোথায় রাখতে হবে? ৩। আজকাল কিছু টিন আছে যেগুলা তে প্রাণীর ছবি থাকে যেমন মুরগি মার্কা, এরাবিয়ান হর্স ঢেউটিন ইত্যাদি, এগুলা দিয়ে যদি কেউ ঘরের চাল বানায় (অজ্ঞতা বসত অথবা দ্বীনের ব্যাপারে উদাসীন হবার করণে) তাহলে সেই ঘরে নামাজ পড়লে কি নামাজ হবে? এক্ষেত্রে সিলিং দিলে কি সমস্যার সমাধান হবে? জাজাকাল্লাহ
07 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হ্যাঁ, কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত যে কোন দুআ পড়তে পারবেন।

২। রুকুর সময় এবং সকল সময় সাজদার স্থানে দৃষ্টি রাখবেন। হাদীসে এমন ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সহীহ ইবনে খুযায়মা, হাদীস নং 3012।

৩। নামায হবে তবে ছবিগুলো মুছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রশ্নঃ 1507
নিচের কোনটি সঠিক? কোনটি বলা যাবে? ১/ উচ্চারণ আল্লা-হুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদু মিল আস সামা-ওয়া-তি ওয়া মিল আল আরফি ওয়া মিল আ মা- শিত মিং শাইয়িম বাদু আহলাছ ছানাফ্রি ওয়াল মােজদি আহ:াকু মা-কু-লাল আবদু ওয়া কুলুনা- লাকা আবদুন, আল্লা-হুম্মা লা- মা-নি অ্যা লিমা- আত্ত্বেইতা ওয়ালা- মুত্বিয়া লিমা- মানা তা ওয়ালা- ইয়ান্ফায় যাল জাদি মিংকাল জাদ। ২/ উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, রাব্বানা- লাকাল হামদু, মিল আস সামা-ওয়া-তি ওয়া মিলআল আরদি ওয়া মিলআ মা- বাইনাহুমা, ওয়া মিলআ মা- শিতা মিন শাইয়িান বা আদ, আহলাস সানা-ই ওয়াল মােজদি । লা- মা-নিআ লিমা- আ আত্মাইতা, ওয়ালা- মুঅত্ৰিয়া লিমামানা আতা, ওয়ালা- ইয়ানফাউ যােল জাদি মিনকাল জাদু।
06 Jan 2026

উক্ত দুআটি বিভিন্ন শব্দে বর্ণিত আছে। আপনি যে কোন একটা পড়তে পারেন। তবে নিচেরটা পড়াই বেশী ভাল বলে মনে হচ্ছে। আদ-দুআ লিত তবরানী, হাদীস নং ৫৫৫। এছাড়াও সহীহ মুসলিমসহ বিভিন্ন কিতাবে দুআটি একটু বেশী বা কম শব্দে বর্ণিত আছে।

প্রশ্নঃ 1479
As Salamu Alaikum, Dr. Abdullah Janangir (Rahimahullah) sir er boigulo theke masnun dua o dhikr gulo niye apple and android mobile application korle valo hoi. Jazak Allahu khairan
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।সুন্দর পরামর্শ দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।আমি বিষয়টি কতৃপক্ষকে জানাব।আশা করি দ্রুত একটি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রশ্নঃ 1467
আসসালামু আলাইকুম, ১। সহিহ দুয়া কুনুত কোনটা সেটা দয়া করে বলবেন,আমি আল্লাহ হুম্মা ইন্না নাস্তা ইনুকা ওয়া নাস্তাগফিরুকা ওয়া নু মিনুবিকা … এই দুআ পড়ি কিন্তু দ্বীনি তালিম-শুধু বোনদের জন্য (প্রশ্ন ও উত্তর) এই পেজ এর অ্যাডমিন আপু নিচের দুআ টা দিয়েছেন। আসলে কোনটা সহি? ২। নাপাক কাপর ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুলে কি একবার ধুলেই হয়?নাকি তিন বার করে ধুতে হবে? কেউ কেউ বলেন ধুয়ে এমন ভাবে চিপ্তে হবে যেন কাপড় থেকে আর পানি বার না হয়!! আসলে কাপড় পাক করার সঠিক পদ্ধতি কি? দ্বীনি তালিম-শুধু বোনদের জন্য ( প্রশ্ন ও উত্তর) এই পেজ এর অ্যাডমিন আপু নিচের কথা গুলা লিখেছেন যতক্ষন ক্লিন না হয় ধুতে পারবেন। ৩ বার ধুতে হবে এর বেশি বা কম করা যাবে না এমন কোন নিয়ম শরিয়তে নেই,পেশাব এর ক্ষেত্রে ২ বার ধুয়ে নেন… একবার পেশাব দূর করার জন্য আরেকবার পরিস্কার পানিতে। ৩। দ্বীনি তালিম-শুধু বোনদের জন্য ( প্রশ্ন ও উত্তর) এই পেজ আমার কাছে ভালোই মনে হয়। আবার ইসলামিক একাডেমী তে পড়াশুনা নেই জন্যে কিছু কিছু ব্যাপারে confused থাকি,পেজ টার ব্যাপারে কিছু বলবেন দয়া করে। জাজাকাল্লাহু খাইরান
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। উভয় দুআ কুনুতই সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমানিত। আপনি আগে থেকে যেটা পড়ছেন সেটা আছে মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, ৩/১১০-১২১; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, ২/৩০১, ৩১৪-১৩৫ এবং অন্যান্য গ্রন্থে। ২। যতক্ষন না আপনি নিশ্চিত হবেন যে, অবিত্রতামুক্ত হয়েছেন ততক্ষন ধুতে হবে। তিনবারে পবিত্র না হলে আরো বেশী বার ধুতে হবে। তবে সাধারণত তিনবারে পবিত্র হয়ে যায় তাই অনেকেই তিনবারের কথা বলেন। ৩। এই পেজ সম্পর্কে আমাদের জানা নেই।

প্রশ্নঃ 1454
সম্পদ ফিরে পাওয়ার আমল কি?
06 Jan 2026

আপনি এই দুআটি বেশী বেশী পাঠ করুন। إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أْجُرْنِى فِى مُصِيبَتِى وَأَخْلِفْ لِى خَيْرًا مِنْهَا সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২১৬৫।

প্রশ্নঃ 1451
আসসালামু আলাইকুম, মনের বাসনা ও দোয়া কবুলের জন্য সুন্নাতি আমল গুলো জানালে উপকৃত হব। ধন্যবাদ
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি ইজমে আজম দ্বারা দুআ করুন। বিস্তারিত জানতে দেখুন, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত রাহে বেলায়াত বইটি।

প্রশ্নঃ 1448
১৪৪৪ নাম্বার উত্তরের জন্য ধন্যবাদ । আমি ভেবেছিলাম আপনারা আমার উপর বিরক্ত হয়েছিলেন। আল্লাহ পাক আপনাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমার আরেকটি প্রশ্ন হল, জাঝাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদাম মা হুয়া আহালুহ এই দরুদটির কোন দলিল আছে কি?
06 Jan 2026

ভাই, আপনাকেও আল্লাহ তায়ালা উত্তম প্রতিদান দিন যে, আপনি ধৈর্য্যসহ অপেক্ষা করেছেন। আসলে সব প্রশ্নের উত্তর সবসময় জানা থাকেনা আবার জানার থাকলেও দলীল সামনে না থাকলে দেয়া যায় না, কারণ আল্লাহর কাছে আমাদের সবকিছুর ব্যাপারে জবাবদিহিতা আছে। আপনার প্রশ্নওটি ছিল এরকম আমি জানতাম হাদীসটির কিছু অংশ নেই কিন্তু অন্য আলেমের মতামত খুঁজতে ছিলাম আর এতেই দেরী হয়ে গেছে। আপনার আজকের প্রশ্নের বিষয়ে বলি এই কথাটি হাদীসে আছে। ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. এই কথাটি বলতে বলেছেন। হাদীসটির আরবী পাঠ হলো: عَنِ ابْنِ عَبَّاسِ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ قَالَ جَزَى اللَّهُ عَنَّا مُحَمَّدًا مَا هُوَ أَهْلُهُ أَتْعَبَ سَبْعِينَ مَلَكًا أَلْفَ صَبَاحٍ মুসনাদুশ শামিয়্যিন, ইমাম তবারনী, হাদীস নং ২০৭০। তবে শায়খ আলবানীসহ অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ বলেছেন, হাদীসটি যয়ীফ জিদ্দান অর্থাৎ খুবই দুর্বল। দেখুন, যয়ীফ তারগীব ও তারহীব, হাদীস নং ১০৩৬।

প্রশ্নঃ 1447
Assalamualikum, Halal rijik pawar jonoo kon amol korbo?
06 Jan 2026

ওয়া আলাই কুমুস সালাম। হালাল রিজিক পাওয়ার জন্য এবং যে কোন প্রয়োজনের জন্য এই দুআটি বারবার পাঠ করবেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং নিচের এই দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করুন। اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى আমরা আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ যেন আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমান সম্মানজনক হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করে দেন।

প্রশ্নঃ 1446
আস্সালামু আলাইকুম সকাল সন্ধ্যায় ৭ বার আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার পড়ার হাদীসটা কি সহীহ? titumirahmad@gmail.com এই এড্রেস-এ একটা মেইল করেছিলাম। একটু দেখবেন প্লিজ।
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। উক্ত হাদীসটিকে অধিকাংশ মুহাদ্দিস যয়ীফ বলেছেন। তবে দুএক জন হাসানও বলেছেন। আমল করা যাবে কোন সমস্যা নেই। আমি দু:খিত যে, বেশ কিছু দিন ই মেইল খুলি নাই। আমি আপনার সমস্যার কথা পড়েছি, অল্প কিছু দিনের মধ্যে আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্নঃ 1444
Assalamu Alaikum, Muhtaram, I want to know about authenticity and reference of the following dua: (a) Allahumma antassalam waminkassalam walaika yarjiussalam hayina rabbana bissalam wadkhilna darussalam tabarakta rabbana watalaita ya jal zalali walikram. (b) Inna lillahi wainna ilaihi rajiun, allahumma ajirnee fi musibati, wakhlufli khairumminha. Please give me the original arabic spelling of the above dua. Zajhaakumullah khair.
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। প্রথম দুআটির কিছু অংশ হাদীসে পাওয়া যায় আর কিছু অংশ হাদীসে পাওয়া যায় না। যে অংশটুকু হাদীসে পাওয়া যায় তার আরবী পাঠ হলো: اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং১৩৬২। যে অংশটুকু হাদীসে পাওয়া যায় না তা হলো وَإِلَيْك يَرْجِعُ السَّلَامُ فَحَيِّنَا رَبَّنَا بِالسَّلَامِ وَأَدْخِلْنَا دَارَك السَّلَامَ । বিশিষ্ট মুহাদ্দিস শায়খ জাযারী (মৃত্যু ৮৩৩হি.) বলেছেন, এটুকুর কোন ভিত্তি নেই। দেখুন, তুহফাতুল আহওযী, ১/৩৩০; শরহে মুসনাদু আবু হানীফা ১/ ৯৪। দুই নং দুআটির আরবী পাঠ হলো: إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أْجُرْنِى فِى مُصِيبَتِى وَأَخْلِفْ لِى خَيْرًا مِنْهَا সহীহ মুসলিম হাদীস নং ২১৬৫।

প্রশ্নঃ 1433
আচ্ছালামু আলাইকুম, সুরা ওয়াকিয়া নিয়মিত আমল করলে অভাব তাকে স্পর্শ করবেনা এই কথাটার সত্যতা কতটুক? আর অভাব মোচন করার আমল কি?
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এই অর্থের একটি হাদীস বর্ণিত আছে। তবে হাদটি যয়ীফ। হাদীসটি হলো مَنْ قَرَأَ سُورَةَ الْوَاقِعَةِ فِي كُلِّ لَيْلَةٍ لَمْ تُصِبْهُ فَاقَةٌ أَبَدًا যে ব্যক্তি প্রতি রাত্রে সূরা ওয়াকিয়া পড়তে অভাব তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। শুয়াবুল ইমান, হাদীস নং ২২৬৯। তবে হাদীসটি যয়ীফ। দেখুন, সিলাসিলাতু যয়ীফা, হাদীস নং ২৮৯। অভাব মোচনের জন্য আপনি নিম্নের দুআ দুটি বিভিন্ন সময় পড়বেন। প্রথম দুআটি দু্ই সাজদার মাঝে পড়বেন। ১। اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭০২৫। رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ সূরা আল-বাকরা, আয়াত নং ২০১। আমরা আপনার জন্য দুআ করি অল্লাহ আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমান সম্মানজনক হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করে দিন।

প্রশ্নঃ 1428
আসসালামু ওয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমার প্রশ্নটা হলঃ আমার আম্মাকে আমি যখন আমার কোন ব্যরথতার কথা বলি বা পরিক্ষা দিতে রওনা দেই তখন তিনি আমাকে Òআল্লাহ ভরসাÓ বলে সান্তনা দিয়ে থাকেন বা দোয়া করেন। এটাকে যদি আমি দোয়া মনে করি এবং এ দোয়ার করনে আল্লাহ আমাকে সাহায্য করবেন বিশ্বাস করি তাহলে আমার কোন গোনাহ হবে কিনা? সান্তনা দেয়ার জন্য এর থেকে উত্তম কোন দোয়া থাকলে জানাবেন যা থেকে আমি ও আম্মা দুজনই উপকৃত হতে পারি। জাযাকাল্লাহ
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, এতে কোন গুনাহ হবে না। বরং প্রতিটি কাজেই মুসলিম আল্লহর উপর ভরসা করবে। পিতা-মাত সন্তানদের জন্য নিজ ভাষায় আবেগ নিয়ে আল্লাহ তায়ালার কাছে দুআ করবেন।

প্রশ্নঃ 1419
আসসালামু আলাইকুম। সহিহ মুসলিমে একটা দোয়া আছে। আল্লাহুমা আউযুবিকা মিন আল আযযি ওল কাছালি…(মুসলিম ২৭২২) আমার প্রশ্ন হলো দোয়াটা অনেক বড়, তাই আমি অর্ধেক মুখস্ত করেছি। আমি যখন দোয়াটার অর্ধেক সিজদা বা অন্য সময় পাঠ করি তখন কেন জানি মনে হয় দোয়াটা কবুল হচ্ছে না । অন্য দোয়া পাঠ করলে যেমন ঈমানের প্রশান্তি পাই এটাতে তেমন পাই না। মনে হয় অন্তর আরো কঠিন হয়ে যায়। এটা কি শয়তানের ওসওয়াসা নাকি অর্ধেক এভাবে পাঠ করা নিষেধ আছে। উল্লেখ্য অর্ধেক মুখস্ত করলেও অর্থের দিক দিয়ে সমস্সা নাই। আশা করি জানাবেন
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। অর্ধেক পড়লেও কোন সমস্যা নেই। আপনি নিশ্চিন্তে পড়তে পারেন।

প্রশ্নঃ 1414
Assalamu alaikum wa rahmatullah. Shokal O Shondhay Sura Hashor Path Korar Hadis Ti Ki Sahih Or Joief?
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সুনানু তিরমিযী থেকে হাদীসটির মূল পাঠ হলো: 2922- حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ طَهْمَانَ أَبُو العَلاَءِ الخَفَّافُ قَالَ : حَدَّثَنِي نَافِعُ بْنُ أَبِي نَافِعٍ ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : مَنْ قَالَ حِينَ يُصْبِحُ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ : أَعُوذُ بِاللَّهِ السَّمِيعِ العَلِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ وَقَرَأَ ثَلاَثَ آيَاتٍ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الحَشْرِ وَكَّلَ اللَّهُ بِهِ سَبْعِينَ أَلْفَ مَلَكٍ يُصَلُّونَ عَلَيْهِ حَتَّى يُمْسِيَ ، وَإِنْ مَاتَ فِي ذَلِكَ اليَوْمِ مَاتَ شَهِيدًا ، وَمَنْ قَالَهَا حِينَ يُمْسِي كَانَ بِتِلْكَ الْمَنْزِلَةِ. هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ، لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الوَجْهِ. সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং 2922; মুসনাদু আহমাদ, হাদীস নং 20321 ইমাম তিরমিযী হাদীসটি যয়ীফ হওয়ার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। আর শায়খ শুয়াইব আরনাউত এবং শায়খ আলবানী রহিমাহুমুল্লাহ হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন।

প্রশ্নঃ 1376
আস সালামু আলাইকুুম প্রশ্ন ১: আমার বাবা গত শুক্রবার খুতবা শোনা অবস্থায় মসজিদে ইন্তেকাল করেছেন ৷ এতে কি তিনি কোনোপ্রকার উপকৃত হবেন? প্রশ্ন ২: সন্তান হিসেবে তার জন্য আমরা কী কী এবং কীভাবে করতে পারি যাতে তিনি পরকালে উপকৃত হন?
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। নেক আমলরত অবস্থায় মারা যাওয়া নি:সন্দেহে ভাল। এর চেয়ে বেশীকিছু আমাদের না বলা উচিৎ। আল্লাহ ভাল জানেন। ২। মানুষ নেক সন্তান রেখে গেলে সন্তানের সওয়াবের একটি অংশ তিনি এমনিতেই পান। নিচের হাদীসটি দেখুন: عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ আবু হুরায়রা রা. বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, যখন মানুষ মারা যায় তখন তার সকল আমল বন্ধ হয়ে যায় তবে তিনটি আমল ব্যাতিত। ১. সদাকায়ে জারিয়া, ২. এমন ইলম যার মাধ্যমে মানুষ উপকার পায়, ৩. সৎ ছেলে যে তার জন্য দুআ করে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৩১০। সুতরাং আপনাদের উচিৎ ইসলামের বিধিবিধান অনুযায়ী চলা, যত বেশী সম্ভব ভাল কাজ করা এবং দুআ করা। । এছাড়া কয়েকটি হাদীসে পিতা-মাতার জন্য রাসূলুল্লাহ সা. দান-সদকা করতে বলেছেন। উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা রা.বলেন, ، أَنَّ رَجُلاً قَالَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِنَّ أُمِّي افْتُلِتَتْ نَفْسَهَا وَأُرَاهَا لَوْ تَكَلَّمَتْ تَصَدَّقَتْ أَفَأَتَصَدَّقُ عَنْهَا قَالَ نَعَمْ تَصَدَّقْ عَنْهَا একজন লোক নবী সা. কে বললেন, আমার আম্মা মারা গেছেন। আমি ধারণা করছি যদি তিনি কথা বলতে পারতেন তাহলে দান সাদকা করতেন। আমি কি তার জন্য দান করবো? রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, হ্যাঁ, তাঁর জন্য দান করো। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৬০। অন্য আরেকটি হাদীসে আছে, أَنَّ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُم ، أَخَا بَنِي سَاعِدَةَ تُوُفِّيَتْ أُمُّهُ وَهْوَ غَائِبٌ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ أُمِّي تُوُفِّيَتْ وَأَنَا غَائِبٌ عَنْهَا فَهَلْ يَنْفَعُهَا شَيْءٌ إِنْ تَصَدَّقْتُ بِهِ عَنْهَا قَالَ نَعَمْ قَالَ فَإِنِّي أُشْهِدُكَ أَنَّ حَائِطِي الْمِخْرَافَ صَدَقَةٌ عَلَيْهَا সাদ ইবনে উবাদা রা. এর অনুপস্থিতিতে তাঁর আম্মা মারা গেলেন। তিনি নবী সা. এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার অনুপস্থিতিতে আমার আম্মা মারা গিয়েছেন, যদি আমি তার জন্য কোন কিছু সাদকা করি তাহলে কি তা তাঁর কোন উপকারে আসবে? রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, তাহলে আমি আপনাকে সাক্ষী করে বলছি, মিখরাফের আমার বড় খেজুর বাগানটি তার জন্য দান করে দিলাম। সহীহ বুখারী,হাদীস নং ১৭৬২। জামে তিরমিযী, হাদীস নং৩৬৫০। তিরমিযীতে হাদীসটি একটু বিস্তারিত বর্ণিত আছে। সুতরাং সন্তানদের উচিৎ পিতা-মাতার জন্য নেক আমল করা, দুআ করা, দান-সদকা করা, পিতা-মাতার বন্ধু ও আত্নীয়দের সাথে ভাল ব্যবহার করা ইত্যাদি।

প্রশ্নঃ 1356
আস্সালামু আলাইকুম, ভাই আমার প্রশ্ন হলো আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব উচ্চ স্বরে যিকির করেন এবং মুসল্লিরাও তার সাথে সাথে সম্মিলিতভাবে যিকির করেন। যেমন:1. লা ইলাহা ইল্লালাহ্ 2. ইল্লালাহ্ই ল্লালাহ্ 3. আল্লাহু আল্লাহ্ 4.লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ এভাবে সম্মিলিতভাবে উচ্চ স্বরে যিকির করা ইসলামে যায়েজ কি না?
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জায়েজ, তবে সুন্নাত হলো একা একা নিম্নস্বরে জিকির করা।

প্রশ্নঃ 1320
As salamu alaikum. ami mohilader gorvokalin kono amol ache kina jante cheyechilam. kintu kono uttor pelam na.
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি বেশী বেশী কুরআন পাঠ করবেন। সমস্ত খারাপ কথা ও কাজ এড়িয়ে চলবেন। মায়েদের কথা ও কাজের একটা প্রভাব গর্ভের সন্তানের উপর পড়ে এটা স্বীকৃত বিষয়।

প্রশ্নঃ 1311
আসসালামুআলাইকুম, আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার একটা টিভি অনুষ্টানে বলে ছিলেন একজন কে স্যার মনের ইচ্ছে পূরনে হাদিস সম্মত আমাল দিয়ে ছিলেন, আমি ঐ আমাল জানতে চাই কি ভাবে পাব বা স্যার এর কোন বই এ পাব। একটু জানালে উপকৃত হব।
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি স্যারের রহ. লেখা রাহে বেলায়াত বইট দেখুন।

প্রশ্নঃ 1284
আসসালামুয়ালাইকুম, আমি একটা ব্যাক্তিগত (অনেকটা অদ্ভুত) সমস্যা নিয়ে শায়খকের শরনাপন্ন হয়েছি। আমি গ্রাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার, আমার ক্যারিয়ার কোন দিকে নেব সেটা বুঝতে পারছি না। আমার সামনে কম্পানির জব, আমার ফিল্ডের সরকারি জব এবং বি.সি.এস এই তিন রকমের জবের সুযোগ আছে (যদি আল্লাহ তৌফিক দেন)। এখন আমি কোন সেক্টরের দিকে যাব বা কোন সেক্টর আমার জন্য ভালো হবে সেটাই ঠিক করতে পারছি না। একবার মনে হয় কম্পানির জবে ভালো বেতন পায়া যাবে কিন্তু জব সিকিউরিটি নেই, আবার সরকারি জবের জন্য চেষ্ট করব শেষে যদি চাকরি না হয় তখন কি করব? আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এমন কি কোন আমল আছে যার দ্বারা আল্লাহ আমাকে সঠিক (যেটা আমার জন্য উপযুক্ত) পথ দেখাবেন। এস্তেখারা কি এ ব্যপারে উপযোগী হবে? এ ব্যপারে হিসনুল মুসলিমিন নামের একটা এন্ড্রয়েড এপস এ দেখলাম সুরা আল-কাহফ এর ১০ এর নাম্বার আয়াতের (রব্বানা থেকে শুরু) কথা বলছে, এটা কি ঠিক?
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, আপনি ইস্তিখারা করেন। আশা করা যায় আল্লাহ তায়ালা আপনাকে একটি সঠিক পথ দেখাবেন।

প্রশ্নঃ 1272
As Salamu Alaikum, Dr. Abdullah Janangir (Rahimahullah) sir er boigulo theke masnun dua o dhikr gulo niye apple and android mobile application korle valo hoi. Jazak Allahu khairan
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।সুন্দর পরামর্শ দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।আমি বিষয়টি কতৃপক্ষকে জানাব। আশা করি দ্রুত একটি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রশ্নঃ 1255
Assalamualikum: Choker dristy sokty branor ki kono amol asa? Janala upokoritro hobo.
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। চোখের দৃষ্টি শক্তির জন্য কোন আলাদা দুআ আছে বলে জানা নেই। তবে নিচের দুআটি রাসূলুল্লাহ সা. করতেন। হাদীসটি সহীহ মুসলিমে উল্লেখ আছে, হাদীস নং ১৮৩৫। اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِى قَلْبِى نُورًا وَفِى لِسَانِى نُورًا وَاجْعَلْ فِى سَمْعِى نُورًا وَاجْعَلْ فِى بَصَرِى نُورًا وَاجْعَلْ مِنْ خَلْفِى نُورًا وَمِنْ أَمَامِى نُورًا وَاجْعَلْ مِنْ فَوْقِى نُورًا وَمِنْ تَحْتِى نُورًا. اللَّهُمَّ أَعْطِنِى نُورًا দুআটির সংক্ষিপ্ত অর্থ হলো: হে আল্লাহ, আপনি আমার অন্তরে নূর দান করুন, আমার জিহ্ববাতে নূর দান করুন, আমার কানে নূর দান করুন, আমার চোখে নূর দান করুন, আমার সামনে পিছনে নূর দান করুন, আমার উপরে ও নীচে নূর দান করুন এবং আমাকে নূর দান করুন। সুতরাং এই দুআটি আপনি পড়তে পারেন। আশা করি উত্তর পেয়েছেন।

প্রশ্নঃ 1232
মানুষের মুখে শুনি কয়েকজন আল্লাহ ভিরু লোকদের দিয়ে যদি কেও মনের আশা পুরনের জন্য দুরুদে নারিয়া ৪৪৪৪ বার পড়ায় তা আল্লাহ চাহেন তো পুরণ হয়। আমি যদি তা নিজে নিজে পড়ি এবং তা কতটুকু ভুমিকা পালন করবে?
05 Jan 2026

এটা সম্পূর্ণ জাল কথা। আপনি এই আমল করা থেকে বিরত থাকুন।

প্রশ্নঃ 1227
আসসালামু আলাইকুম, সায়্যিদুল ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দুয়া নামে একটা দুয়া আছে আন্তরিক বিশ্বাসের সাথে কেউ যদি প্রতিদিন সকাল (ফযরের পরে) ও সন্ধ্যায় (আসর বা মাগরিবের পরে) পড়ে আর সে ঐদিন মারা যায় ইনশা আল্লাহ সে জান্নাতে যাবে। এটা কি সহীহ হাদিস?
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। হ্যাঁ, হাদীসটি সহীহ। হাদীসটির মূলপাঠ দিয়ে দিলাম। হাদীসটি সহীহ বুখারীতে আছে। হাদীস নং ৬৩০৬ 6306- حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ بُرَيْدَةَ عَنْ بُشَيْرِ بْنِ كَعْبٍ الْعَدَوِيِّ ، قَالَ : حَدَّثَنِي شَدَّادُ بْنُ أَوْسٍ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم سَيِّدُ الاِسْتِغْفَارِ أَنْ تَقُولَ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ بِذَنْبِي اغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ قَالَ ، وَمَنْ قَالَهَا مِنَ النَّهَارِ مُوقِنًا بِهَا فَمَاتَ مِنْ يَوْمِهِ قَبْلَ أَنْ يُمْسِيَ فَهُوَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ ، وَمَنْ قَالَهَا مِنَ اللَّيْلِ وَهْوَ مُوقِنٌ بِهَا فَمَاتَ قَبْلَ أَنْ يُصْبِحَ فَهْوَ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ.

প্রশ্নঃ 1212
wife er proti valobasa baranor kono todbir amol ache ki?
05 Jan 2026

না, আমাদের কাছে কোন রোগের কোন তদবীর নেই। তবে রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর স্ত্রীদের সাথে যেমন ব্যবহার করেছেন, তাঁর স্ত্রীরাও তাঁর সাথে যেমন ব্যবহার করেছেন তেমন করলে স্বামী-স্ত্রীর একে-অপরের প্রতি ভালবাসে গভীর হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। হাদীস অধ্যায়ন করলে এগুলো জানা যাবে।

প্রশ্নঃ 1195
চাকরী পেতে কি কি আমল করতে হবে? যদি জানাতেন তাহলে খুব উপকৃত হতামচাকরী পেতে কি কি আমল করতে হবে? যদি জানাতেন তাহলে খুব উপকৃত হতাম
04 Jan 2026

চাকরীর জন্য এবং যে কোন প্রয়োজনের জন্য ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত রাহে বেলায়াত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো নফল সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দআটিও বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং হাদীসের এই দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করুন। اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِىচাকরীর জন্য এবং যে কোন প্রয়োজনের জন্য ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো নফল সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দআটিও বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং হাদীসের এই দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করুন। اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى

প্রশ্নঃ 1187
সঠিক আমল সম্বলিত কিছু বইয়ের নাম জানালে উপকৃত হতাম
04 Jan 2026

ভাই, আপনি ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. এর লিখিত বইগুলো সংগ্রহ করুন। এই বইগুলো বাংলা ভাষায় সঠিক আমল সম্বলিত খুবই ভাল হয়। বইগুলো সংগ্রহ করতে ভিজিট করুন

প্রশ্নঃ 1186
আস-সালামু আলাইকুম, ১. সূরা ইয়াসিন মা/বাবার কবরের পশে ৪১ দিন তেলোয়াত করলে কবরের আজাব মাফ হয়, এটা কি সহি হাদিস? যদি সহি হয় তাহলে মেয়েরা এই আমল কিভাবে করবে? মেয়েরা তো ৪১ দিন একটানা তেলোয়াত করতে পারবে না যদি মুখস্ত না থাকে। আর কবরের পাশেই তেলোয়াত করতে হবে নাকি ঘরে বসেও করলে হবে? ২. স্যার এর সকল ওয়াজ -মাহফিল,প্রশ্নোত্তর/ সকল প্রোগ্রাম এর ভিডিও / অডিও এর সিডি / ডিভিডি কি পাওয়া যাবে? যদি পাওয়া যায় তাহলে কিভাবে সংগ্রহ করতে পারি? জাজাকাল্লাহ
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনার প্রথম প্রশ্নের (৪১বার সূরা ফাতিহা পড়লে মা-বাবা কবরের আযাব মাফ হয় বলে কোন সহীহ কিংবা যয়ীফ হাদীস বর্ণিত হয় নি। এটা একটি জাল-বানোয়াট কথা। তবে কুরআন পাঠসহ আপনার অন্যান্য যে কোন নেক আমলের সওয়াবের একটি অংশ পিতা-মাতা পাবে বলে সহীহ হাদীসে উল্লেখ আছে। স্যার এর সকল ওয়াজ -মাহফিল, প্রশ্নোত্তর / সকল প্রোগ্রাম এর ভিডিও / অডিও এর সিডি / ডিভিডি সংগ্রহ করতে ঝিনাইদহে আস-সুন্নাহ ট্রাস্টের অফিসে যোগাযোগ করুন। ইউটিউবেও অনেক কিছু পাবেন।

প্রশ্নঃ 1144
আসসালামুয়ালাইকুম, মা/বাবার কবর এর পাশে সন্তান ৪১ দিন সূরা ইয়াসিন তেলোয়াত করলে কবরের আজাব মাফ হয় এটা কি সত্য? যদি সত্য হয় তাহলে কবর এর পাশেই কি পড়তে হবে নাকি ঘরে বসে পড়লেও হবে? আর মেয়েরা যদি এই আমল করতে চায় কিভাবে করবে, ৪১ দিন একটানা করা তো মেয়েদের পক্ষে সম্ভব না।
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ৪১বার সূরা ফাতিহা পড়লে মা-বাবা কবরের আযাব মাফ হয় বলে কোন সহীহ কিংবা যয়ীফ হাদীস বর্ণিত হয় নি। এটা একটি জাল-বানোয়াট কথা। তবে কুরআন পাঠসহ আপনার অন্যান্য যে কোন নেক আমলের সওয়াবের একটি অংশ পিতা-মাতা পাবে বলে সহীহ হাদীসে উল্লেখ আছে।

প্রশ্নঃ 1141
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? আমার জানার বিষয়গুলো হচ্ছে, ১. একটা লিফলেটে দেখলাম লিখা আছে যে, রাসূলে আকরাম (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, যে বেক্তি জুমুআর দিনে আছরের নামজের পর নিজ জায়গা হতে উঠার পূর্বে এই দুরুদ শরীফ ৮০ বার পাঠ করবে তার আমল নামায় ৮০ বছর ইবাদতের সাওয়াব লেখা হয় এবং ৮০ বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। (তাবরানী, হাবীবিশ শফী পৃ: ২৮৪) আল্লা-হুম্মা ছল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়ালা আলিহী ওয়া সাল্লিম তাসলিমা। এইটা কি সহীহ আমলযোগ্য জানাবেন? ২. মহিলাদের সালাত পড়ার সময় পায়ের টাকনুর নিচের অংশগুলো ও কুনুই থেকে কব্জী পর্যন্ত অংশগুলো খুলা থাকলে বা দেখা গেলে সালাত হবে কি? আসসালামু আলাইকুম। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। ১। উক্ত দরুদ এবং উক্ত দরুদের ফজিলত সম্পর্কে সহীহ বা যয়ীফ কোন হাদীসই বর্ণিত নেই। যা বলা হয় সবই বানোয়াট জাল কথা। তবে জুমুআর দিনের দুআ কবুল হওয়ার বিষয়টি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। ২। শুধু কব্জী খোলা রাখতে পারে, কুনুই থেকে নয় এবং টাখনুসহ কাপড় পরতে হবে। টাকনু ঢাকা থাকার পরে আরো নিচের অংশ তথা পায়ের পাতা খোলা রাখতে পারবে। অর্থাৎ তাদের সতর হলো পুরো শরীর, হাতের কব্জী ও মুখ ছাড়া। পায়ের পাতা খোলা রাখাতে সমস্যা নেই।

প্রশ্নঃ 1134
Assalamu Alaikum. Muhtaram, can you give me reference about Ahad-Nama, Dua-e Gonjol Arosh, Dua-e Habibi and Dua-e Jamila
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। দোয়ায়ে গঞ্জল আরশ. দোয়য়ে আহমাদ নামা, দোয়ায়ে জামিলা এবং দোয়ায়ে হাবীবা নামে সমাজে যা কিছু প্রচলিত আছে সবই ভিত্তিহীন ও বানোয়াট দুআ। এগুলোর কোন দলীল নেই সুতরাং রেফারেন্স কোথাথেকে দেব। তবে এগুলো যে বানোয়াট তার দলীল আছে। বিস্তারিত জানতে দেখুন, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত হাদীসের নামে জালিয়াতি বইটির ৬১৬-৬১৭ পৃষ্ঠা।

প্রশ্নঃ 1128
ওযু করার শুরুতে পানি খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ না বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম বলতে হবে । যে কোন একটি বললে কি সমস্যা আছে।
04 Jan 2026

অর্থ না জানার কারণে এমন প্রশ্ন আমাদের মনে আসে। দেখুন, বিসমিল্লাহ অর্থ আল্লাহর নামে আর পুরোটার অর্থ পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে এবার বলুন দুইটার মধ্যে কি পার্থক্য। পুরো পড়লে আল্লাহ তায়ালার দুইটা গুন বলা হয়। সুতরাং আপনি যা ইচ্ছা পড়তে পারেন।

প্রশ্নঃ 1083
আল্লাহুম্মা বারিক লি ফিল মউত ও ফি মা বাদাল মউত দোয়াটির সঠিক দলিল জানতে চাই ।
04 Jan 2026

যে হাদীসটিতে দুআটি উল্লেখ আছে সে হাদীসটি সনদসহ নিম্নরুপ: 7676 – حدثنا محمد بن موسى الإصطخري ثنا الحسن بن كثير حدثتني نضرة بنت جهضم بن عبد الله بن أبي الطفيل القيسية عن أبيها عن يحيى بن أبي كثير عن ابي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة قالت قلت يا رسول الله ليس الشهيد إلا من قتل في سبيل الله فقال يا عائشة إن شهداء أمتي إذا لقليل من قال في يوم خمسة وعشرين مرة اللهم بارك في الموت وفيما بعد الموت ثم مات على فراشه أعطاه الله أجر شهيد হাদীসটি আলমুজামুল আলওসাত লি-ত্ববারানী কিতাবে উল্লেখ আছে। হাদীস নং ৭৬৭৬। হাদীসটি সহীহ বা গ্রহনযোগ্য নয়। হাদীসটি সম্পর্কে ইমাম হাইছামী রহ. বলেন, وفيه من لم أعرفهم এই হাদীসের মধ্যে কিছু রাবীকে আমি চিনি না।

প্রশ্নঃ 1084
আল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তালার নিকট প্রার্থনা করি স্যার ডঃ খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ) প্রবর্তিত এই অনলাইন সেবাটি যেন চিরকাল থাকে। মুহতারাম, আল্লাহু জাল্লা জালালুহু ওয়া আম্মা নাওয়ালুহু ওয়া জাল্লা সানাউহু ওয়া তাকদ্দাসাত আস্মাউহু ওয়া আজমা শানুহু ওয়া লা ইলাহা গইরুহু … এই জিকির এর ফযিলাত ও দলিল জানতে চাই। মেহেরবানি করে জানাবেন। জাঝাকুমুল্লাহ খাইর।
04 Jan 2026

আমরাও আল্লাহর কাছে দুআ ও প্রার্থনা করি আমরা যেন আপনাদের জন্য আল্লহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কিছু হলেও করতে পারি। এই জিকিরের বিষয়ে শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. হাদীসের নামে জালিয়াতি বইয়েরর (নতুন সংস্করণ) ৬১৩ পৃষ্ঠায় বলেছেন, (এই দুআর সম্পর্কিত ফজিলত উল্লেখ করার পর) এগুলো সবই ভিত্তিহীন কথা যা রাসূলুল্লাহ সা. এর নামে বলা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে মূল বইটি দেখুন। এই দুআ যে পড়তে হবে তাও কোন গ্রহনযোগ্য হাদীসে উল্লেখ নেই। ফজিলত তো দূরের কথা।

প্রশ্নঃ 1067
আসসালামু আলাইকুম। আসসুন্নাহ ট্রাস্ট এর সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম এর নিকট দোয়ার দরখাস্ত। ইয়া আউয়ালাল আউয়ালিন- ইয়া আখিরল আখিরীন- ইয়া যাল কুয়াতাল মাতীন- ইয়া রহীমাল মাসাকীন- ইয়া আরহামার রহিমীন … এই জিকির এর সঠিক আরবি বানান, ফযিলাত ও দলিল জানতে চাই। মেহেরবানি করে জানাবেন।
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনার দুআর আরবী পাঠ হলো: يَا أَوَّلَ الأَوَّلِينَ يَا آخِرَ الآخَرِينَ ذَا الْقُوَّةِ الْمَتِينَ وَيَا رَاحِمَ الْمَسَاكِينِ وَيَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ। একটি হাদীসে আছে ফাতেমা রা. রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে খাবার চাইলে তিনি তাকে এই দুআ পড়তে বলেন, এর বাইরে অন্য কোন ফজিলত আছে বলে আমাদের জানা নেই। । হাদীসটির আরবী পাঠ নিম্নরূপ: عَنْ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ قَالَ أَصَابَتْ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَاقَةٌ فَقَالَ لِفَاطِمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا لَوْ أَتَيْتِ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْتِيهِ وَكَانَ عِنْدَ أُمِّ أَيْمَنَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا فَدَقَّتِ الْبَابَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لأُمِّ أَيْمَنَ إِنَّ هَذَا لَدَقُّ فَاطِمَةَ وَلَقَدْ أَتَتْنَا فِي سَاعَةٍ مَا عَوَّدَتْنَا أَنْ تَأْتِيَنَا فِي مِثْلِهَا فَقُومِي فَافْتَحِي لَهَا الْبَابَ قَالَتْ فَفَتَحْتُ لَهَا الْبَابَ فَقَالَ يَا فَاطِمَةُ لَقَدْ أَتَيْتِنَا فِي سَاعَةٍ مَا عَوَّدْتِنَا أَنْ تَأْتِينَا فِي مِثْلِهَا فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللهِ هَذِهِ الْمَلائِكَةُ طَعَامُهَا التَّسْبِيحُ وَالتَّحْمِيدُ وَالتَّمْجِيدُ فَمَا طَعَامُنَا قَالَ وَالَّذِي بَعَثَنِي بِالْحَقِّ مَا اقْتَبَسَ فِي آلِ مُحَمَّدٍ نَارٌ مُنْذُ ثَلاثِينَ يَوْمًا وَقَدْ أَتَانَا أَعْنُزٌ فَإِنْ شِئْتِ أَمَرْتُ لَكِ بِخَمْسَةِ أَعْنُزٍ وَإِنْ شِئْتِ عَلَّمْتُكَ خَمْسَ كَلِمَاتٍ عَلَّمَنِيهِنَّ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلامُ آنِفًا قَالَتْ بَلْ عَلِّمْنِي الْخَمْسَ كَلِمَاتٍ الَّتِي عَلَّمَكَهُنَّ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلامُ قَالَ قُولِي يَا أَوَّلَ الأَوَّلِينَ يَا آخِرَ الآخَرِينَ ذَا الْقُوَّةِ الْمَتِينَ وَيَا رَاحِمَ الْمَسَاكِينِ وَيَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ قَالَ فَانْصَرَفَتْ حَتَّى دَخَلَتْ عَلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا فَقَالَتْ ذَهَبْتُ مِنْ عِنْدِكِ إِلَى الدُّنْيَا وَأَتَيْتُكَ بِالآخِرَةِ قَالَ خَيْرًا يَأْتِيكِ خَيْرًا يَأْتِيكِ তবে হাদীসটি বিভিন্ন কারণে যয়ীফ।হাদীসটিকে ইমাম জাহাবীসহ অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ যয়ীফ বা দূর্বল বলেছেন। হাদীসট সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এই ঠিকানায় যেতে পারেন

প্রশ্নঃ 1060
আসসালামুয়ালাইকুম। মুহতারাম, দয়া করে জানাবেন চাকুরী পাওয়ার জন্য কোন দুআ পড়বো?
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম।চাকরীর জন্য এবং যে কোন প্রয়োজনের জন্য রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো নফল সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দআটিও বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং রুটি রুজির বরকতের জন্য এই দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করুন। اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى

প্রশ্নঃ 1058
আসসালামুয়ালাইকুম। মুহতারাম, কোন কোন বইতে ডায়াবেটিস, কিডনী রোগ, গুপ্তাঙ্গের রোগ ইত্যাদীর জন্য পৃথক পৃথক আমল ও দুআ আছে। শরিয়াতসম্মত বা সুন্নাহসম্মত কোন আমল ও দুআ থাকলে সেগুলো জানাবেন দয়া করে।
04 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত রাহে বেলায়াত গ্রন্থটির ষষ্ঠ অধ্যায়টি পড়ুন সেখানে রোগব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়ার অনেকগুলো সহীহ দুআ উল্লেখ আছে।

প্রশ্নঃ 1053
Gopononanger rog thekay rokkha petay onekay ekti dua (Yaa Maliku, Yaa Qudduso) poray thakay. Etikii sunnah sommpto, jayej ba najayej? Kono Sohih, Hassan ba Joif Hadis daraki eti promanito?
04 Jan 2026

রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্তি পাওয়ার অনেকগুলো সহীহ দুআ রাহে বেলায়াত গ্রন্থে উল্লেখ আছে। আপনি সেগুলো দেখতে পাবেন। আপনি যে আমলের কথা বলেছেন তা আমরা কোন সহীহ বা যয়ীফ হাদীসে পাই নি।

প্রশ্নঃ 989
আসসালামু আলায়কুম, দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য কি আমল করবো?
03 Jan 2026

واحل لكما ما وراء ذلكم ان تبتغوا باموالكم محصنين غير مسافحين فما استمتعتم به منهن فاتوهن اجورهن فريضة ولا جناح عليكم فيما تراضيتم به من بعد الفريضة ان الله كان عليما حكيما

প্রশ্নঃ 943
ইয়া হায়্যু ইয়া কাইউম বিরাহ্মাতিকা আস্তাগীস, আস্লিহ্লী শানি কুল্লাহু অলা তাকিলনী ইলা নাফসি তারফাতা আইন। — এই দোয়াটির সহী রেফারেন্স জানতে চাচ্ছি । কঠিন বিপদের সময় আল্লাহ পাকের সাহায্য কামনা বিষয়ক দোয়া ও আমল সম্পরকে জানাবেন দয়া করে।
03 Jan 2026

হ্যাঁ, এই দুআটি সহীহ। সহীহ হাদীসে বর্ণিত । আস-সুনানুল কুবরা, ইমাম নাসায়ী,হাদীস নং ১০৩৩০; মুসনাদু বাযযার,হাদীস নং৬৩৮৩। আল্লামা হাইসামী রাহ. বলেছেন, হাদীসটির রাবীগণ সহীহাইনের রাবী, উসমান ছাড়া। তবে তিনিও ছিকাহ। মাজমাউজ জাও-য়িদ, হাদীস নং ১৭০০৮। শায়খ আলবানী রাহ. সনদ সহীহ। হাদীসটি হাসান। সহীহ তারগীব ও তারহীব, হাদীস নং ৬৬১। কঠিন বিপদের সময় আল্লাহ পাকের সাহায্য কামনা বিষয়ক দোয়া ও আমল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন শায়খ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত রাহে বেলায়াত

প্রশ্নঃ 841
আসসালামু আলাইকুম। নিজেকে রাগ থেকে নিয়ন্ত্রন করে তার উপর সবর করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করার একটি সুন্নত আমল আমাকে বলে দিন? আল্লাহর কাছে যে দোয়া করলে নিজের সবর এর ক্ষমতা বেশি হয়, এই রকম একটি দোয়া আমাকে বললে উপকৃত হব। জাযাকাল্লাহু খাইর।
02 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। রাগ নিয়ন্ত্রনের জন্য আপনি এই দুয়াটি পড়বেন: أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ উচ্চারণ: আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়ত-নিররজি-ম। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬১১৫। আর আল্লাহর কাছে নিজের ভাষায় দুআ করুন যেন বিপদাপদে বেশী সবর করতে পারেন।

প্রশ্নঃ 821
১। ওজু শেষ করে কালিমা শাহাদাত আসমানের দিকে তাকিয়ে পড়তে হয় – এইটা কি সহিহ হাদিস সম্মত? নাকি শুধু কালিমা শাহাদাত পড়লেই হবে? ২। দুই সেজদার মাঝে আমি দুয়াটি এইভাবে পড়িঃ- আল্লাহুমাগফিরলী, ওয়ারহামনি, ওয়াহদিনী, ওয়াজবুরনী, ওয়া আফিনি, ওয়ার যুকনী, ওয়ার ফাঅ নী। এইভাবে পড়া যাবে? ৩। আমাদের সমাজে দেখা যায়, কারো শরীরে পা লাগলে, সঙে সঙে তাকে হাত দিয়ে ছুঁয়ে সালাম করেন। এইটা কি কোরআন ও সহিহ হাদিস সম্মত? এক্ষেত্রে আমাদের করনীয় কি?
01 Jan 2026

শুধু কালিমা শাহাদাত পড়লেই হবে। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫৭৬। জ্বী, দুই সাজদার মাঝের এই দুআটি এভাবে পড়লেই হবে।হাদীসে বিভিন্নভাবে দুআটি পড়ার কথা এসেছে। কারো শরীরে পা লাগলে আমাদের দু:খ প্রকাশ করা উচিত। হাত দিয়ে ছুঁয়ে সালাম করার প্রয়োজন নেই।

প্রশ্নঃ 820
আসসালামুয়ালাইকুম। মানসিক প্রশািন্তর জন্য কোন দুআ আছে কি? থাকলে জানাবেন। উপকৃত হব।
01 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি সকাল-সন্ধার যিকির কিছু কিছু আমলা করতে থাকুন। ইনশাআল্লাহ আপনার দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যাবে। নিচের দুআটিও পাঠ করবেন। حَسْبِيَ اللهُ لا إِلَهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লা-হু, লা- ইলাহা ইল্লা- হুআ, আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়া হুআ রাব্বুল আরশিল আযীম। (সূরা তাওবা: ১২৯ আয়াত) অর্থ: আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, আমি তাঁরই উপর নির্ভর করেছি, তিনি মহান আরশের প্রভু। উম্মু দারদা (রা) বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় ৭ বার এ আয়াতটি পাঠ করবে আল্লাহ তাঁর দুশ্চিন্তা, উৎকণ্ঠা ও সমস্যা মিটিয়ে দেবেন। সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ৫০৮৩। শায়খ শুয়াইব আরনাউত বলেছেন, হাদীসটির বর্ননাকারীগণ ছিকাহ। তবে এটা সাহাবীর বক্তব্য।

প্রশ্নঃ 794
Question 1: Is this dua authentic according to Hadith to become rich? The dua للّٰهُمَّ أَعِنِّيْ بِالْعِلْمِ وَزَيِّنِّيْ بِالْحِلْمِ وَأَكْرِمْنِيْ بِالتَّقْوٰى وَجَمِّلْنِيْ بِالْعَافِيَةِ Transliteration: ALLAHUMMA AGNINI BIL ILMI, (Oh Allah! Enrich us via Knowledge) WAZAYYINNI BIL HILMI (Oh Allah! Adorn us with a sense of humility/gentleness) WA AKRIMNA BI TAQWA (Oh Allah! Deem us noble with Taqwa/Piety) WAJAMMILNI BIL AFIYAH (Oh Allah! Beautify us by keeping us in a state of well being/healthy) Question 2: May I receite Allahumag firli war hamni wahdini war jukni … … more and more at the mddle of two suujud?
01 Jan 2026

প্রথম দুআটি হাদীসে বর্ণিত আছে। তবে সনদে দুর্বলতা আছে। অর্থ সুন্দর পড়লে পড়তে পারেন। (আলহিলমু লি আবীদ দুনিয়া)। আর দ্বিতীয় দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পড়তে পারেন।

প্রশ্নঃ 789
আসসালামু আলাইকুম। কিছুদিন আগে আমার বাবা ইন্তেকাল করেছেন। এখন প্রতিবেশিরা কেউ কেউ আমার মাকে নিম্মোক্ত জিনিসগুলো করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন বারবার। ১। চল্লিশ দিন পর্যন্ত ঘর থেকে বের হওয়া যাবেনা। ২। প্রথম কিছুদিন নাকের ফুল পড়া যাবেনা ৩। চল্লিশ দিন পর্যন্ত হাতের চুড়ি পড়া যাবেনা। ৪। চল্লিশা পালন সম্পর্কে আগ্রহ এবং পরামর্শ দান। কি করা উচিত আমাদের শরীয়তের দৃষ্টিকোন থেকে ব্যাখা এবং মাসলা দিবেন অনুগ্রহ করে। ধন্যবাদ।
01 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কোন মহিলার স্বামী মারা গেলে এমহিলার জন্য ৪মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করা ফরজ। এই সমসয়ে সে অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে যেতে পারবে না। সাজসজ্জা তথা সুন্দর পোশাক পরা, অলংকার পরা ও সুগন্ধি ব্যবহার পরিত্যাগ করবে। আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলেন, তোমাদের মধ্যে থেকে যারা মারা যায় আর স্ত্রী জীবিত থাকে এই অবস্থায় ঐ স্ত্রীরা নিজেদেরকে চারমাস দশদিন আটকে রাখবে। وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنْفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا {البقرة: 234 তোমাদের মধ্যে থেকে যারা মারা যায় আর স্ত্রী জীবিত থাকে এই অবস্থায় ঐ স্ত্রীরা নিজেদেরকে চারমাস দশদিন আটকে রাখবে। সুরা বাকারাহ, আয়াত ২৩৪। অবশ্য মহিলা যদি গর্ভবতী হয় তাহলে তার ইদ্দত হলো বাচ্চা প্রসব হওয়া পর্যন্ত। সূরা ত্বলাক, আয়াত নং ৪। আপনার আম্মার জন্য শরীয়তের দৃষ্টিতে এগুলো করা আবশ্যক। ৪০ দিন হয় ১৩০ দিন ইদ্দত পালন করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন।

প্রশ্নঃ 728
মুহতারামঃ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমার প্রশ্নঃ ১. আমি একবার তাবলিগে গিয়ে একটি দুয়া শিখেছিলাম, তা হল মনজিল করারা দুয়া (কোন স্থানে নেমে কিছু সময় বা দিন থাকার ইচ্ছা)। দুয়াটি হলঃ রাব্বি আনজিলনি মুনজালাম মুবারাকাও ওয়া আন্তা খাইরুল মুনজিলিন (সুরা মুমিনুন এর আয়াত), আমার প্রশ্ন দুয়াটি মাসনুন কিনা, দলিল সহ জানতে চাই। ২. ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন market এ raffle draw করছে। (specific amount এর shopping করলে), এটা জায়েজ কিনা? যাযাকুমুল্লাহ।
31 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। যেহেতু এটা কুরআনের দুআ এবং এক নুহ আ; কে নিরাপদ স্থান গিয়ে আল্লাহ পড়তে বলেছেন তাই আপনি এটা পড়তে পারেন। রাফেল ড্র ্এর বিষয়ে আমি মুফতী কাজী ইবরাহীম হা.ফি. এর সাথে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, এর থেকে বিরত থাকা উচিৎ। এর মাধ্যমে নিম্নমানের জিনিস বেশী দাম নেয়াসিহ বিভিন্ন ধরণর ধোকা রয়েছে আর ইসলাম যে কোন ধরনের ধোকা থেকে বিরত থাকতে বলেছে তাই এটা বর্জন করা উচিৎ।

প্রশ্নঃ 710
আসসালামু আলাইকুম হযরত; আমি একজন থেকে দুই লক্ষ টাকা পাই। বিগত তিন বছর ধরে ঘুরতেছি। সে দিবেনা তাও বলেনা; কিন্তু টাকা ব্যবস্থা করেও দিতে পারছেনা। এমতাবস্থায় আমি ও আমার পরিবার খুব পেরেশানীতে আছি। তাই আমার জিজ্ঞাসা হল, সুন্নাহ অনুযায়ী কিভাবে আমি আল্লাহর কাছে এই পেরেশানীর বিষয়ে বলব এবং পেরেশানী থেকে মুক্তি পেতে পাব? কিভাবে দোয়া করব? আর নামাজে সিজদাহরত অবস্থায় কি নিজের আকুতি বলা যাবে, যদি বলা যায় সেটা কি নফল নামাজগুলোতে নাকি ফরজ নামাজের সিজদাহতেও বলা যাবে? তখন কি সুবহানা রাব্বিয়াল আলা বলে তারপর আমার আকুতিগুলো বলব?
31 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। বিপদ-সংকটে সবর করার মধ্যেই রয়েছে মূমিনের সফলতা। অনেক সময় আল্লাহ তায়ালা এই বিপদাপদ দ্বরা তাঁর প্রিয় বান্দাদের পরীক্ষা করেন। সুতরাং আপনি দুঃশ্চিন্তা করবেন না। আল্লাহর কাছে দুআ করুন আশা করি আপনার সমস্যা দূর হয়ে যাবে। আপনি রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো যে কোন সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দআটিও সালাতে এবং অন্যান্য সময় বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ আমরা আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ যেন আপনার সব সংকট দূর করে দেন।

প্রশ্নঃ 663
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আমার একমাত্র ছেলেটি বাকপ্রতিবন্ধী। তার মুখের ভাষা বা কথা আনার জন্য কুরআন বা হাদীসে বিশেষ কোন দুআ আছে কিনা? জানাবেন।
30 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আসলে অটিজম এমন একটি মানসিক রোগ উনবিংশ শতাব্দির পূর্বে যার নাম শুনা যায় নি। বর্তমানে এর কিছু চিকিৎসা বের হলেও তেমন উন্নত চিকিৎসা আমাদের জানা মতে এখনো বের হয়নি।আপনি রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো নফল সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দআটিও সালাতে এবং অন্যান্য সময় বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ আমরা আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ যেন আপনার সব সংকট দূর করে দেন।


প্রশ্নঃ 621
আসসালামুয়ালাইকুম,আশা করি আল্লাহ্ তাআলার দয়ায় ভালো আছেন। আমি জানতে চাঁই যে নিঃসন্তান দম্পতির সন্তান লাভের জন্য কোন বিশেষ আমল আছে কিনা? দয়া কোরে জানাবেন।
30 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমার দুআ করি আল্লাহ যেন আপনাদেরকে এই সমস্যা থেকে নাজাত দেন। আপনারা রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো সুন্নাত সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দুআ দুটিও সুন্নাত সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

প্রশ্নঃ 562
Assalamu Alaikum.Huzur please clarify as per Sahi Hadith.1) illala, illala, illala … Is it Zikir? 2) What is Halkaye Zikir? Sincerely yours
29 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ইল্লাল্লাহ জিকির সুন্নাহসম্মত নয়। বিস্তারিত জানতে দেখুন ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত এহইয়াউস সুনান বইয়ের ৩১৩ নং পৃষ্ঠা।হালকায়ে জিকির অর্থ জিকিরের মসজিলস বা জিকিরের বৈঠক।

প্রশ্নঃ 560
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, ধনবান হওয়ার জন্য কোন দুআ আছে কি? যা সবসময় পড়া যাবে? আপনার রাহে বেলায়াত ও কুরআনে থাকলে জানাবেন? বর্তমানে খুব টাকা পয়সার সমস্যায় আছি। মহান আল্লাহ আপনাকে অনেক জ্ঞান বৃদ্ধি করুন। আমিন।
29 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি এমন দুআ করেন যেন আল্লাহ তায়ালা আপনাকে প্রয়োজন পরিমান সম্মানজনক রিজিক দান করেন। রিচ ম্যান হওয়ার দুআ করার দরকার নেই। প্রয়োজনী পরিমান রিযিকের জন্য আপনি কুরআনের এই দুআটি নফল নামাযের সাজদাতে, দুআ মাসূরার সময়ে এবং অন্যান্য সময় বারবার পড়বেন, رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ এবং হাদীসের এই দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করবেন, اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى এছাড়া রাহে রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো নফল সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করবেন। আমরা আপনার জন্য দুআ করি আল্লাহ আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমান হালাল রিযিক দান করুন।

প্রশ্নঃ 555
Yeaa haiu yeaa qaium bi rahmatika astaagith. Ai doa sohi ki na jante cai.
29 Dec 2025

বিভিন্ন হাদীসে দুআটি উল্লেখ আছে। হাদীসগুলোকে শায়খ আলবানী রহ. হাসান বলেছেন। সুতরাং এই দুআটি পড়া যাবে। দুআটি সহীহ।

প্রশ্নঃ 537
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করা ও স্পষ্টভাবে কথাবলা বা না তুতলিয়ে কথা বলার জন্য কোন সুন্নাতি দুআ আছে কি?
29 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর জন্য আপনি পড়তে পারেন, কোরআনে বর্ণিত নিম্নের দোয়াটি- رَّبِّ زِدْنِي عِلْماً رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي يَفْقَهُوا قَوْلِي বিশেষ করে ফরজ নামাযের পর,নামাযের সিজদায়, আরো যে সব সময় দোয়া কবুল হয় বলে হাদিস বর্ণিত হয়েছে সে সব সময় বেশী বেশী করে দোয়াটি পড়তে পারেন। ইনশা আল্লাহ উপকার হবে।

প্রশ্নঃ 532
Assalamu Alaikum, Dear Sir, Please let me know the observation process of shab e meraj night. Are there any special Salah or Ebadad on this Night? Sincerely Yours
29 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। রাসুল স.এর মিরাজ হয়েছে সত্য, তবে মিরাজের তারিখ নিয়ে উলামাদের মধ্যে অনেক মতানৈক্য রয়েছে। মিরাজের রাতকে কেন্দ্র করে কোন ইবাদাত অথবা কোন বিশেষ সালাত সহীহ অথবা যয়ীফ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।

প্রশ্নঃ 527
আসসালামুয়ালাইকুম-আমার রাহে বেলায়াত বইতে ১৮৮ ও ১৯২ নং যিকির নাই, দয়া করে দিবেন কি?
29 Dec 2025

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। নিচে যিকির দুটি দেয়া হলো, যিক্র নং ১৮৮: কঠিন কর্মকে সহজ করার দুআ اَللَّهُمَّ لاَ سَهْلَ إِلاَّ مَا جَعَلْتَهُ سَهْلاً وَأَنْتَ تَجْعَلُ الْحَزْنَ إِذَا شِئْتَ سَهْلاً উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা, লা- সাহলা ইল্লা- মা- জা আলতাহূ সাহলান। ওয়া আনতা তাজ আলুল হাযনা ইযা- শিয়্তা সাহলান। অর্থ : হে আল্লাহ আপনি যা সহজ করেন তা ছাড়া কিছুই সহজ নয়। আর আপনি ইচ্ছা করলে সুকঠিনকে সহজ করেন। হাদীসটি সহীহ। সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/২৫৫, মাকদিসী, আহাদীস মুখতারাহ ৫/৬২, ৬৩; আলবানী, সাহীহাহ ৬/৯০২। যিক্র নং ১৯২: বিপদ-কষ্টে নিপতিত ব্যক্তির দুআ إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أْجُرْنِيْ فِيْ مُصِيْبَتِيْ وَأَخْلِفْ لِيْ خَيْرًا مِنْهَا উচ্চারণ: ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলাইহি রা-জিঊন। আল্লা-হুম্মাঅ্ জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খাইরাম মিনহা-। অর্থ: নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় তাঁর কাছেই আমরা ফিরে যাব। হে আল্লাহ আপনি আমাকে এ বিপদ মুসিবতের পুরস্কার প্রদান করুন এবং আমাকে এর পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম কিছু প্রদান করুন। উম্মুল মুমিনীন উম্মু সালামাহ (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, যদি কোনো মুসলিম বিপদগ্রস্ত হয়ে এ কথাগুলো বলে তাহলে আল্লাহ তাকে অবশ্যই উক্ত ক্ষতির পরিবর্তে উত্তম বিষয় দান করে ক্ষতিপূরণ করে দিবেন। উম্মু সালামাহ বলেন, আমার স্বামী আবু সালামাহর মৃত্যুর পরে আমি চিন্তা করলাম, আবু সালামার চেয়ে আর কে ভাল হতে পারে! … তারপরও আমি এ কথাগুলো বললাম। তখন আল্লাহ আমাকে আবু সালামার পরে রাসূলুল্লাহকে (সা.) স্বামী হিসাবে প্রদান করেন। মুসলিম (১১-কিতাবুল জানাইয, ২-বাব মা ইউকালু ইনদাল মুসীবাহ) ১/৬৩১-৬৩২ (ভা ১/৩০০)।

প্রশ্নঃ 505
শরীর নাপাক থাকলে কালিমা পড়া যাবে কি? এবং আল্লাহ্র কাছে কোন পার্থনা করা যাবে কি?
29 Dec 2025

হ্যাঁ, শরীর নাপাক থাকলেও কালিম পড়া যাবে এবং প্রার্থনা করা যাবে।কোন সমস্যা নেই।

প্রশ্নঃ 447
পাড়াগায়ে ক্রিকেট খেলা উপলক্ষে সবাই মিলে টাকা তুলে খাবার আয়োজন করা যাবে কি?
29 Dec 2025
না, এভাবে সবাই মিলে টাকা তুলে খাবার আয়োজনে কোন সমস্যা নেই।
প্রশ্নঃ 446
আস সালামু আলাইকুম সায়েখ এই আমল টা পেয়েছি । এটা কি সহি আমল জানাবেন দয়া করে। দারিদ্রতা থেকে মুক্তি লাভের পরীক্ষিত আমল…হযরত ইমাম মালেক (রহ.) হজরত ইবনে উমর [রা.] থেকে বর্ণনা করেন যে, একবার এক ব্যক্তি হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললো: ইয়া রাসুলাল্লাহ! ﷺ দুনিয়া আমার থেকে বিমুখ হয়েছে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শণ করেছে। রাসুল ﷺ বললেন, তুমি কি ফেরেশতাদের দোয়া ও আল্লাহর সব সৃষ্টিজীবের তাসবীহ পড় না? যে তাসবীহের কারণে তাদেরকে রিজিক দেয়া হয়? সুবহে সাদেকের সময় তুমি সে তাসবীহ একশবার করে পড়বে, তাহলে দেখবে দুনিয়া তোমার কাছে তুচ্ছ হয়ে আসবে। লোকটি চলে গেল। এবং এ দোয়াটি পড়তে লাগল। .কিছুদিন পরে আবার সে ফিরে এসে বললো ইয়া রাসুলাল্লাহ! ﷺ আমার কাছে এত অধিক সম্পদ জমা হয়েছে যেগুলো হেফাজত করার মত কোনো জায়গা আমার কাছে নেই। [জিয়াউন্নবী-৫/৯০২] আরবি দোআঃ سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم أستغفر الله বাংলা উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আজিম। আসতাগফিরুল্লাহ। :অর্থঃ আল্লাহ তায়ালা সব অসম্পূর্ণতা থেকে পবিত্র এবং সমস্ত প্রশংসা তাঁরই। মহান আল্লাহ পবিত্র। আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থণা করছি।
29 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
না, আমলটি সহীহ নয়। উক্ত হাদীসটি মাওযু।সকল মুহাদ্দিস হাদীসটিকে মাওযু বা জাল বলেছেন। আল-লায়াইল মাসনুয়াহ, ২/২৮৭; তানযীহুশ শারিআতিল মারফুয়াহ ২/৩৮৯।
প্রশ্নঃ 426
শায়েখ কুরআন সুন্নার আলোকে ফরজ গোসলের নিয়ম টা জানাবেন? রুজি রুটির/চাকরির বেবস্থা করার জন্য আর রুজি রুটির বরকত পাওয়ার জন্য সুন্নাতি দোয়ার আমল জানাবেন? জাঝাকাল্লাহ খাইরান
28 Dec 2025
গোসলের পূর্বে প্রথমে দুই হাত ভাল করে ধৌত করতে হবে। এরপর লজ্জাস্থান ধৌত করতে হবে। তারপর সালাতের ওযুর মত ওযু করতে হবে। ওযুর পর মাথায় পানি ঢালতে হবে তারপর শরীরে।এরপর পুরো শরীরে তিনবার পানি ঢালতে হবে। সহীহ হাদীসে এমনটিই বর্ণিত আছে।
عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ بَدَأَ فَغَسَلَ يَدَيْهِ ثُمَّ يَتَوَضَّأُ كَمَا يَتَوَضَّأُ لِلصَّلاَةِ ثُمَّ يُدْخِلُ أَصَابِعَهُ فِي الْمَاءِ فَيُخَلِّلُ بِهَا أُصُولَ شَعَرِهِ ثُمَّ يَصُبُّ عَلَى رَأْسِهِ ثَلاَثَ غُرَفٍ بِيَدَيْهِ ثُمَّ يُفِيضُ الْمَاءَ عَلَى جِلْدِهِ كُلِّهِ
অর্থ: হযরত আয়েশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. যখন জানাবাতের (ফরজ) গোসল করতেন তখন প্রথমে হাত ধৌত করতেন তারপর ওযু করতেন যেভাবে নামাযে ওযু করেন এরপর পানির মধ্যে আঙ্গুল ডুবাতেন এবং তা দ্বারা চুল খিলাল করতেন। অতঃপর মাথায় তাঁর হাত দ্বারা তিন অঞ্জলী পানি মাথায় ঢালতেন। তারপর তিনি তার পুরো শরীরে পানি ঢালতেন। সহীহ বুখারী হাদীস নং ২৪৮। আরো দেখুন, সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ১০৩, ১০৪; সুনানু ইবনে মাজাহ হাদীস নং ৫৭৩। প্রতিটি হাদীসই সহীহ। চাকরীর জন্য এবং যে কোন প্রয়োজনের জন্য রাহে বেলায়েত গ্রন্থের ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৪, ২৫, ১৫৭, ১৮৮, ১৯২ নং দুআগুলো নফল সালাতের সাজদাতে এবং অন্যান্য সময় বেশী বেশী পাঠ করুন। এছাড়া কুরআনের এই দআটিও বারবার পড়বেন,
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
এবং রুটি রুজির বরকতের জন্য এই দুআটি দুই সাজদার মাঝে এবং অন্যান্য সময় পাঠ করুন।
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِى وَارْحَمْنِى وَاهْدِنِى وَعَافِنِى وَارْزُقْنِى
প্রশ্নঃ 365
মুহতারাম আস-সালামু আলাইকুম। আপনার রাহে বেলায়াত বই পড়ে জানতে পারি যে-এখন যেভাবে যিকির করা হয় তা রাসুল (স.) এর জামানায় ছিল না। আমার প্রশ্ন: বুখারি শারীফ দুআ চ্যাপ্টার হাদিস নং: ৬৪০৮, হাদিসটি বুঝিয়ে বলবেন।
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
আপনি ভাল করে রাহে বেলায়াতের শেষ অধ্যায় তথা মাজলিসে জিকর ও জিকিরের মাজলিস পড়ুন। ইনশাআল্লাহ আপনার প্রশ্নের সমাধান হয়ে যাবে।
প্রশ্নঃ 359
আস সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন : আমি রোগবালাই (ঠান্ডা, এজমা, এল্যারজি জনিত) থেকে নিজেকে সুস্থ রাখার দোয়া তাবিজ করে আমার শরীরে রাখি, কিন্তু যখন শুনলাম তাবিজ শরীরে রাখা যাবে না,তখন খুলে ফেলি। কিন্তু আমার সমস্যার সমাধান হচ্ছে না বরং আগের মতই আছে। এখন আমি ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি আর কি কি আমল (দোয়া) করতে পারি?
28 Dec 2025
ওয়া আলইকুমুস সালাম।
আমরা আপনার জন্য দআ করি যেন আল্লাহ আপনাকে সুস্থ করে দেন। ঔষুধ খাওয়ার পাশাপাশি আপনি রাহে বেলায়াত বইয়ের ২২৮, ২২৯, ২৩০, ২৩১, ২৩২ নং দুআ গুলো নফল নামাযের সাজদাতে এবং বিভিন্ন সময় পড়তে থাকুন।
প্রশ্নঃ 343
আসসালামু আলাইকুম আমরা বেশিরভাগ সময় বাথরুম এ অজু করে থাকি। কিন্তু আমি শুনেছি অজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা জরুরি। কিন্তু বাথরুমের মত জায়গাতে কি করে বিসমিল্লাহর জিকির করব। এ ক্ষেত্রে করনীয় কি? আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন।
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
যে সব বাথরুমে ওযুর ব্যবস্থা আছে সেখানে ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়লে কোন অসুবিধা হবে না। শুধুমাত্র বাথরুম করা অবস্থায় কোন যিকির করা যাবে না।
প্রশ্নঃ 298
What is the origin of prevailing darud except darude Ibrahim
27 Dec 2025
মুমিন যে কোনো ভাষায় ও বাক্যে আল্লাহর যিকর বা প্রার্থনা করলে তিনি মূল ইবাদতের সাওয়াব ও ফল পেতে পারেন। তবে মুমিনের শ্রেষ্ঠ বাসনা সকল বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুকরণ করা। যিকর ও দুআর ক্ষেত্রে তাঁর শেখানো বা আচরিত বাক্যগুলো হুবহু ব্যবহার মুমিনের সর্বোচ্চ কাম্য ও দায়িত্ব। এতে সাওয়াব ও কবুলিয়্যাতের আশা অনেক বেশি। সাহাবী-তাবিয়ীগণ মাসনূন বাক্যাবলি ব্যবহারের পাশাপাশি কখনো কখনো অন্যান্য বাক্য ব্যবহার করতেন। তবে সুন্নাতের ব্যতিক্রম বাক্য দ্বারা যিকর, দুআ বা দরুদ-সালাম পালন রীতিতে পরিণত করলে মাসনূন বাক্যাবলির প্রতি অনীহা এবং এ বিষয়ক সুন্নাতের প্রতি অবজ্ঞার মনোভাব জন্ম নেয়, মাসনূন বাক্যাবলি বা সুন্নাতের মৃত্যু ঘটে এবং এভাবে খেলাফে সুন্নাত থেকে বিদআতের জন্ম হয়। এ মূলনীতির ভিত্তিতে মাসনূন বাক্যগুলোর অর্থবোধক যে কোনো বাক্যে রাসূলুল্লাহ সা.কে সালাত ও সালাম জানানো যেতে পারে। তবে মাসনূন বাক্যাবলির ব্যবহার সর্বোত্তম। দরুদে ইবরহীম ছাড়াও আরো কিছু দরুদ বা সালাত হাদীসে উল্লেখ আছে। আসমা বিনতে আবু বাকর রা. সর্বদা বলতেন, صَلَّى اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ وَسَلَّمَ সাল্লাল্লাহু আলা- রসূলিহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ তাঁর রাসূলের উপর সালাত ও সালাম প্রেরণ করুন। সহীহ মুসলিম,হাদীস নং ৩০৬৩। আরো একটি হলো মাসনূন সালাত হলো,
اللهم صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَنْزِلْهُ الْمَقْعَدَ الْمُقَرَّبَ عِنْدَكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা, স্বাল্লি আলা- মুহাম্মাদিন, ওয়া আনযিলহুল মাক্বআদাল মুর্ক্বারাবা ইনদাকা ইয়াওমাল ক্বিয়ামাহ। অর্থ: হে আল্লাহ মুহাম্মাদের উপর সালাত (দরুদ) প্রেরণ করুন এবং তাঁকে কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যপ্রাপ্ত অবস্থানে অবতীর্ণ করুন। রুআইফি বিন সাবিত আনসারী (রা) বলেন: রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন:
مَنْ قَالَ … وَجَبَتْ لَهُ شَفَاعَتِي
যে ব্যক্তি উপরের কথাগুলো (সালাতটি) বলবে, তার জন্য আমার শাফায়াত পাওনা হবে। হাদীসটির সনদে একজন দুর্বল রাবী রয়েছেন, তবে আল্লামা হায়সামী ও মুনযিরী হাদীসটিকে হাসান বা গ্রহণযোগ্য বলেছেন। মুসনাদে আহমাদ ২/৩৫২, তাবারানী, আল-মুজামুল কাবীর ৫/২৫-২৬; আল-মুজামুল আউসাত ৩/৪৫৬, নং ৩২৯৭, হাইসামী, মাজমাউয যাওয়ায়িদ ১০/১৬৩, মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৫০২-৫০৩। দরুদে ইবরাহীমীর তিনটি আরবী পাঠসহ আরো কিছু মাসনুন দরুদ এবং দরুদ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে দেখুন, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত রাহে বেলায়াত ১৭৩-১৯৫ পৃষ্ঠা।
প্রশ্নঃ 215
মুহতারাম, আস সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন: শিশুরা অসুস্থ হলে কী দুআ পড়তে হয়?
23 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
অসুস্থতা থেকে সুস্থ হওয়ার জন্য বিভিন্ন দোয়া হাদীস শরীফে আছে। বিস্তারিত জানতে রাহে বেলায়াত নতুন সংস্করনের ২২৮ নং যিকির থেকে২৩৯ নং যিকির পর্যন্ত দেখুন। আল্লাহ সবাইকে সুস্থ রাখুন।
প্রশ্নঃ 210
মুহতারাম আস সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন: নজর থেকে বাচার জন্য কোন জিনিসের মাধ্যমে শিশূদের ঝাড়-র্ফুক করা, যেমন—শুকনা মরিচ, কপালে কাল টিপ দেয়া — এ ব্যাপারে ইসলামে কোন বাধা আছে কি? থাকলে হাদিস এর রেফারেঞ্চ সহ জান্তে চাই।
23 Dec 2025
বদ-নযর থেকে শিশুকে বাঁচানোর জন্য সূরা ফালাক, সূরা নাস পড়ে ঝাড়ফুঁক করতে পারেন। এছাড়াও আরো কিছু দোয়া হাদীস শরীফে উল্লেখ আছে। বিস্তারিত জানতে দেখুন রাহে বেলায়াত (মার্চ-২০১৩ইং সংস্করন), শেষ অধ্যায়। কপালে টিপ পরার মাধ্যমে শিশুর কোনই উপকার হয় না। এটা একটি কুসংস্কার। এটা পরিহার করতে হবে।
প্রশ্নঃ 138
assalamu-alaikum.amer prosno holo subahanALLAH, Alhamdulillah, La-illaha illah, ALLAHuakhbar. ai jikir somuher fozilot ki? ai jikir gulo neomito korle ALLAH amader dunia o akhirate ki ki neamot dan korben? jummahr din er kichu amol somondhe bolben ki? ki amol korle gunha thake maff paowa jabe?
23 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। প্রশ্নে বর্ণিত আমলটি সকালে, সন্ধায়, দিনের বেলা, নামাযের পরে বিভিন্ন সময় করা যায়। এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত সহীহ মাসনুন ওযীফা এবং রাহে বেলায়াত বই দুটি। উক্ত আমলের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত একটি হাদীস নিম্নরূপ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ ، قَالَ جَاءَ الْفُقَرَاءُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا ذَهَبَ أَهْلُ الدُّثُورِ مِنَ الأَمْوَالِ بِالدَّرَجَاتِ الْعُلاَ وَالنَّعِيمِ الْمُقِيمِ يُصَلُّونَ كَمَا نُصَلِّي وَيَصُومُونَ كَمَا نَصُومُ وَلَهُمْ فَضْلٌ مِنْ أَمْوَالٍ يَحُجُّونَ بِهَا وَيَعْتَمِرُونَ وَيُجَاهِدُونَ وَيَتَصَدَّقُونَ قَالَ أَلاَ أُحَدِّثُكُمْ بِأَمْرٍ إِنْ أَخَذْتُمْ بِهِ أَدْرَكْتُمْ مَنْ سَبَقَكُمْ وَلَمْ يُدْرِكْكُمْ أَحَدٌ بَعْدَكُمْ وَكُنْتُمْ خَيْرَ مَنْ أَنْتُمْ بَيْنَ ظَهْرَانَيْهِ إِلاَّ مَنْ عَمِلَ مِثْلَهُ تُسَبِّحُونَ وَتَحْمَدُونَ وَتُكَبِّرُونَ خَلْفَ كُلِّ صَلاَةٍ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ فَاخْتَلَفْنَا بَيْنَنَا فَقَالَ بَعْضُنَا نُسَبِّحُ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَنَحْمَدُ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ وَنُكَبِّرُ أَرْبَعًا وَثَلاَثِينَ فَرَجَعْتُ إِلَيْهِ فَقَالَ تَقُولُ سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ حَتَّى يَكُونَ مِنْهُنَّ كُلِّهِنَّ ثَلاَثًا وَثَلاَثِينَ
অর্থ: আবু হুরায়রা রা.থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, কিছু দরিদ্র লোক নবী সা. এর কাছে এসে বললেন, ধনীরা তাদের সম্পদ দান করে আমাদের চেয়ে মর্যাদার দিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা আমাদের মত সালাত আদায় করে, রোজা রাখে। কিন্তু তারা দান-সদাকা করে, জিাহাদ করে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী হয়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, আমি কি তোমাদের এমন একটি আমলের বিষয়ে অবহিত করব না যা করলে তোমরা তোমাদের অগ্রবর্তীদের সমান হয়ে যাবে আর কেউ তোমাদের পরে তোমাদের মত মর্যাদা পাবে না আর তোমরা হবে সময়ের সবচেয়ে উত্তম মানুষ তবে যারা অনুরুপ আমল করবে তারা এমন মর্যাদা পাবে? তোমরা প্রত্যেক সালাতের পরে তেত্রিশ বার করে তাসবীহ পড়বে, হামদ পেশ করবে এবং আল্লাহর বড়ত্ব পেশ করবে। এরপর এরপর আমরা মতভেদে লিপ্ত হলাম। কেউ বলল, তাসবীহ ও হামদ তেত্রিশ বার আর তাকবীর চৌত্রিশ বার । এরপর আবার আমরা তাঁর কাছে গেলাম। তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুল্লিাহ, আল্লাহু আকবার প্রত্যেকটিই তেত্রিশবার। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৮৪৩। অন্য সহীহ হাদীসে আল্লাহু আকবার চৌত্রিশ বারের কথাও বলা হয়েছে। জুমুয়ার দিনের ফজিলত ও আমল নিয়ে অনেক হাদীস বর্ণিত আছে। সহীহ হাদীসে এই দিনে রাসূলুল্লাহ সা. বেশী বেশী করে দরুদ পাঠ করার কথা বলেছেন। সূরা কাহফ পাঠ করার কথাও সহীহ হাদীসে উল্লেখ আছে। এছাড়া জুমুয়ার সালাতে যাওয়ার জন্য অনেক আদব শিক্ষা দিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সা.। এগুলির মধ্যে রয়েছে জুুমুয়ার দিনে গোসল করা, সুগন্ধি মাখা এবং সবচেয়ে ভাল পোশাক পরিধান করা, হেঁটে যাওয়া, সকাল সকাল মসজিদে উপস্থিত হওয়া, মসজিদে প্রবেশ করে কিছু সুন্নাত-নফল সালাত আদায়া করা, মসজিদের মধ্যে আগেই উপস্থিত কোন মুসল্লিকে কষ্ট না দেওয়া, কারো ঘাঁড়ের উপর দিয়ে না যাওয়া, দুই জনের মাঝে ঠেলে বসে না পড়া, ইমামের নিকটবর্তী হয়ে বসা, নীরবে মনোযোগের সাথে ইমামের বক্তৃতা শ্রবণ করা ইত্যাদী। দলীলসহ বিস্তারিত জানতে দেখুন, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত, খুতবাতুল ইসলাম পৃষ্ঠ ১৬৭।
প্রশ্নঃ 89
আস-সালামু আলাইকুম হুজুর তছবি গুনা সুন্নত কিনা এ সম্পর্কে সহি ও জইফ কোন হাদীস আছে কিনা?
21 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সালাতুত তাসবীহ বিষয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো যিকেরের মূল চারটি বাক্য: তাসবীহ সুবহানাল্লাহ তাহমীদ আল-হামদু লিল্লাহ তাহলীল লা- ইলাহা ইল্লল্লাহ এবং তাকবীর আল্লাহু আকবার । সালাতুত তাসবীহ -এর মধ্যে সালাতরত অবস্থায় এ যিক্রগুলো পাঠ করা হয়। চার রাকআত সালাতে প্রতি রাকআতে ৭৫ বার করে চার রাকআতে মোট ৩০০ বার উক্ত যিক্রগুলো আদায় করা হয়।
عَنْ أَبِى رَافِعٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- لِلْعَبَّاسِ يَا عَمِّ أَلاَ أَصِلُكَ أَلاَ أَحْبُوكَ أَلاَ أَنْفَعُكَ قَالَ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ. قَالَ يَا عَمِّ صَلِّ أَرْبَعَ رَكَعَاتٍ تَقْرَأُ فِى كُلِّ رَكْعَةٍ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَسُورَةٍ فَإِذَا انْقَضَتِ الْقِرَاءَةُ فَقُلِ اللَّهُ أَكْبَرُ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ خَمْسَ عَشْرَةَ مَرَّةً قَبْلَ أَنْ تَرْكَعَ ثُمَّ ارْكَعْ فَقُلْهَا عَشْرًا ثُمَّ ارْفَعْ رَأْسَكَ فَقُلْهَا عَشْرًا ثُمَّ اسْجُدْ فَقُلْهَا عَشْرًا ثُمَّ ارْفَعْ رَأْسَكَ فَقُلْهَا عَشْرًا ثُمَّ اسْجُدِ الثَّانِيَةَ فَقُلْهَا عَشْرًا ثُمَّ ارْفَعْ رَأْسَكَ فَقُلْهَا عَشْرًا قَبْلَ أَنْ تَقُومَ فَتِلْكَ خَمْسٌ وَسَبْعُونَ فِى كُلِّ رَكْعَةٍ وَهِىَ ثَلاَثُمِائَةٍ فِى أَرْبَعِ رَكَعَاتٍ فَلَوْ كَانَتْ ذُنُوبُكَ مِثْلَ رَمْلِ عَالِجٍ لَغَفَرَهَا اللَّهُ لَكَ . قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَنْ يَسْتَطِيعُ أَنْ يَقُولَهَا فِى كُلِّ يَوْمٍ قَالَ فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ أَنْ تَقُولَهَا فِى كُلِّ يَوْمٍ فَقُلْهَا فِى جُمُعَةٍ فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ أَنْ تَقُولَهَا فِى جُمُعَةٍ فَقُلْهَا فِى شَهْرٍ . فَلَمْ يَزَلْ يَقُولُ لَهُ حَتَّى قَالَ فَقُلْهَا فِى سنة.
অর্থ: আব রাফে (আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস) রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর চাচা আব্বাস (রা)-কে বলেন: চাচাজি, আমি আপনাকে একটি বিশেষ উপহার ও বিশেষ অনুদান প্রদান করব, যা পালন করলে আল্লাহ আপনার ছোট, বড়, ইচ্ছাকৃত, অনিচ্ছাকৃত, প্রকাশ্য, গোপন সকল গোনাহ ক্ষমা করবেন। তা এই যে, আপনি চার রাকআত সালাত আদায় করবেন। প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহা ও অন্য যে কোনো একটি সূরা পাঠ করবেন। প্রথম রাকআতে সূরা ফাতিহা ও অন্য যে কোনো সূরা পাঠের পর দাঁড়ানো অবস্থায় ১৫ বার বলবেন سُبْحَانَ اللهِ، وَالْحَمْدُ للهِ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَر উচ্চারণ: সুবহা-নাল্লাহ, ওয়ালহামদুলিল্লাহ, ওয়ালা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আল্লা-হু আকবার । এরপর রুকুতে গিয়ে রুকু অবস্থায় উপরের যিক্রগুলো ১০ বার, রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানো অবস্থায় ১০ বার, সাজদা রত অবস্থায় ১০ বার, প্রথম সাজদা থেকে উঠে বসা অবস্থায় ১০ বার, দ্বিতীয় সাজদায় ১০ বার এবং দ্বিতীয় সাজদা থেকে উঠে (বসা অবস্থায়) ১০ বার। এ মোট এক রাকআতে ৭৫ বার (চার রাকআতে মোট ৩০০ বার)। সম্ভব হলে আপনি প্রতিদিন একবার, না হলে প্রতি সপ্তাহে একবার, না হলে প্রতি মাসে একবার, না হলে প্রতি বছর একবার, না হলে সারা জীবনে একবার এ সালাত আপনি আদায় করবেন। সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ৪৮২। সালাতুত তাসবীহ সংক্রান্ত অধিকাংশ হাদীসই অত্যন্ত যয়ীফ সনদে বর্ণিত। একমাত্র এ হাদীসটিকে অনেক মুহাদ্দিস সহীহ হিসাবে গ্রহণ করেছেন। যদিও অনেক মুহাদ্দিস হাদীসটির ভাব ও ভাষা বিষয়েও আপত্তি করেছেন। ইমাম তিরমিযী প্রখ্যাত তাবে-তাবেয়ী আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক (১৮১ হি) থেকে সালাতুত তাসবীহ-এর আরেকটি নিয়ম উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে এ অতিরিক্ত যিক্র আদায়ের নিয়ম: নামায শুরু করে শুরুর দুআ বা সানা পাঠের পরে ১৫ বার, সূরা ফাতিহা ও অন্য কোনো সূরা শেষ করার পরে ১০ বার, রুকুতে ১০ বার, রুকু থেকে উঠে ১০ বার, প্রথম সাজদায় ১০ বার, দুই সাজাদার মাঝে ১০ বার ও দ্বিতীয় সাজদায় ১০ বার মোট ৭৫ বার প্রতি রাকআতে। অর্থাৎ, এ নিয়মে কিরাআতের পূর্বে ও পরে দাঁড়ানো অবস্থায় ২৫ বার তাসবীহ পাঠ করা হয় আর দ্বিতীয় সাজদার পরে বসা অবস্থায় কোনো তাসবীহ পড়া হয় না। পূর্বের হাদীসে বর্ণিত নিয়মে কিরাআতের পূর্বে কোনো তাসবীহ নেই। দাঁড়ানো অবস্থায় শুধু কিরাআতের পরে ১৫ বার তাসবীহ পড়তে হবে। প্রত্যেক রাকআতে দ্বিতীয় সাজদার পরে বসে ১০ বার তাসবীহ পড়তে হবে। ইবনুল মুবারক বলেন, যদি এ সালাত রাত্রে আদায় করে তবে দু রাকআত করে তা আদায় করবে। অর্থাৎ, দু রাকআত শেষে সালাম ফিরিয়ে আবার দু রাকআত আদায় করবে। আর দিনের বেলায় ইচ্ছা করলে একত্রে চার রাকআত অথবা ইচ্ছা করলে দু রাকআত করেও আদায় করতে পারে। সালাতুত তাসবীহ-এ রুকু ও সাজদায় প্রথমে রুকু ও সাজদার তাসবীহ সুবহানার রাব্বিয়্যাল আযীম ও সুবহানা রাব্বিয়্যাল আলা নূন্যতম তিন বার করে পাঠ করার পরে অতিরিক্ত তাসবীহগুলো পাঠ করতে হবে। তিরমিযী (আবওয়াবুস সালাত, সালাতুত তাসবীহ) ২/৩৪৭-৩৫০ (ভারতীয় ১/১০৯); আবূ দাউদ ২/২৯, নং ১২৯৭, (ভারতীয় ১/১৮৩); সুনানু ইবনি মাজাহ ১/৪৪২, নং ১৩৮৬, ১৩৮৭, (ভারতীয় ১/৯৯); মুসতাদরাক হাকিম ১/৪৬৩-৪৬৪, সহীহ ইবনু খুযাইমা ২/২৩-২৪, হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ২/২৮১-২৮৩, আলবানী, সহীহুত তারগীব ১/৩৫৩-৩৫৫।
প্রশ্নঃ 36
জীবিত ব্যাক্তির অসীলা দিয়ে দোআ করা যাবে কি না?
20 Dec 2025
গুরুত্বপূর্ণ এই প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে শুকরান, মুবারকবাদ। নিম্নে আপনার প্রশ্নের উত্তর সহ আরেকটু বিস্তারিত দেওয়ার প্রয়াস পাচ্ছি। বিষয়টি সহজে বুঝতে প্রথমে কয়েকটি ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার সময় কোনো কিছুর দোহাই বা বা ওসীলা দেওয়া কয়েকভাবে হতে পারে: ১) মহান আল্লাহর পবিত্র নাম ও গুণাবলির দোহাই দেওয়া। ২) নিজের কোনো ভাল কর্মের দোহাই দেওয়া। ৩) কারো দুআর দোহাই দেওয়া। ৪) কারো ব্যক্তিগত মর্যাদা বা অধিকারের দোহাই দেওয়া। প্রথমত: মহান আল্লাহর পবিত্র নাম ও গুণাবলির দোহাই দেওয়া যেমন বলা যে, হে আল্লাহ, আপনার রহমান নামের গুণে, বা গাফ্ফার নামের ওসীলায় আমার দুআ কবুল করুন। এরূপ দোহাই দেওয়া কুরআন- হাদীসের নির্দেশ এবং দুআ কবুল হওয়ার কারণ। দিত্বীয়তঃ নিজের কোনো ভাল কর্মের দোহাই বা ওসীলা দিয়ে আল্লাহর কাছে দুআ করা। নিজের কোনো ভাল কর্মের দোহাই বা ওসীলা দিয়ে আল্লাহর কাছে দুআ করলে কবুল হয় বলে হাদীস শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে। একটি হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, অতীত যুগের তিনজন মানুষ বিজন পথে চলতে চলতে বৃষ্টির কারণে এক পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় গ্রহণ করে। প্রবল বর্ষণে একটি বিশাল পাথর গড়িয়ে পড়ে তাদের গুহার মুখ একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। এভাবে গুহাটি তাদের জীবন্ত কবরে পরিণত হয়। এ ভয়ানক বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্য তারা দুআ করতে মনস্থ করেন। এবং আল্লাহ তাদের দোয়া কবুল করেন এবং পাথরটি সরে যায়। অনুরূপভাবে নিজের ঈমান, মহব্বত ইত্যাদির ওসীলা দিয়ে দুআ চাওয়াও এ প্রকারের ওসীলার অন্তর্ভক্ত । বুরাইদাহ আসলামী (রা) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সা.-এর সাথে মসজিদে প্রবেশ করে দেখেন এক ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় দুআ করছে হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি, এ ওসীলায় (এদ্বারা) যে, আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি, আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনিই একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি জন্মদান করেননি ও জন্মগ্রহণ করেননি এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :যার হাতে আমার জীবন তাঁর শপথ করে বলছি, নিশ্চয় এই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে তাঁর ইসমু আযম ধরে প্রার্থনা করেছে, যে নাম ধরে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম ধরে চাইলে তিনি প্রদান করেন। তিরমিযী, আস-সুনান ৫/৫১৫; আবূ দাউদ, হাকিম ও অন্যান্য মুহাদ্দিস হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। এখানে আমরা দেখছি যে, ঈমান ও শাহাদতের ওসীলা দিয়ে দুআ চাওয়া হয়েছে। বিভিন্নভাবে এরূপ দুআ করা যায়, যেমন: হে আল্লাহ, আমি গোনাহগার, আমি অমুক কর্মটি আপনার সন্তুষ্টির জন্য করেছিলাম, সেই ওসীলায় আমার প্রার্থনা কবুল করুন। তৃতীয়ত: কারো দুআর দোহাই দেওয়া। কারো দুআর ওসীলা দেওয়ার অর্থ এ কথা বলা যে, হে আল্লাহ, অমুক আমার জন্য দুআ করেছেন, আপনি আমার বিষয়ে তাঁর দুআ কবুল করে আমার হাজত পূরণ করে দিন। নেককার মুত্তাকী মুমিনদের নিকট দুআ চাওয়া সুন্নাত সম্মত রীতি। এবং হাদীস দ্বারা প্রমাণীত। হাদীসে আনাস ইবনু মালিক (রা) বলেন:
إِنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ t كَانَ إِذَا قَحَطُوا اسْتَسْقَى بِالْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَقَالَ اللَّهُمَّ إِنَّا كُنَّا نَتَوَسَّلُ إِلَيْكَ بِنَبِيِّنك r فَتَسْقِينَا وَإِنَّا نَتَوَسَّلُ إِلَيْكَ بِعَمِّ نَبِيِّنَا فَاسْقِنَا قَالَ فَيُسْقَوْنَ
উমার (রা) যখন অনাবৃষ্টিতে আক্রান্ত হতেন তখন আব্বাস ইবনু আব্দুল মুত্তালিবকে (রা) দিয়ে বৃষ্টির দুআ করাতেন, অতঃপর বলতেন: হে আল্লাহ আমরা আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওসীলায় আপনার নিকট প্রার্থনা করতাম ফলে আপনি আমাদের বৃষ্টি দান করতেন। এখন আমরা আপনার নিকট প্রার্থনা করছি আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চাচার ওসীলায়, অতএব আপনি আমাদেরকে বৃষ্টি দান করুন। আনাস (রা) বলেন, তখন বৃষ্টিপাত হতো। বুখারী, আস-সহীহ ১/৩৪২, ৩/১৩৬০। আব্বাস (রা) নিম্নের বাক্যগুলি বলে দুআ করলে আল্লাহ বৃষ্টি দিতেন:
اللهم إنه لم ينزل بلاء إلا بذنب ولم يكشف إلا بتوبة وقد توجه القوم بي إليك لمكانى من نبيك وهذه أيدينا إليك بالذنوب ونواصينا إليك بالتوبة فاسقنا الغيث
হে আল্লাহ, পাপের কারণ ছাড়া বালা-মুসিবত নাযিল হয় না এবং তাওবা ছাড়া তা অপসারিত হয় না। আপনার নবীর সাথে আমার সম্পর্কের কারণে মানুষেরা আমার মাধ্যমে আপনার দিকে মুখ ফিরিয়েছে। এ আমাদের পাপময় হাতগুলি আপনার দিকে প্রসারিত এবং আমাদের ললাটগুলি তাওবায় আপনার নিকট সমর্পিত, অতএব আপনি আমাদেরকে বৃষ্টি দান করুন। ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী, ২/৪৯৭। এ হাদীসেও স্পষ্ট যে, আব্বাস (রা) বৃষ্টির জন্য দুআ করেছেন উমার (রা) আব্বাসের (রা) দুআর ওসীলা দিয়ে দুআ করেছেন। তাঁর কথা থেকে বুঝা যায় যে, যতদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবিত ছিলেন, ততদিন খরা বা অনাবৃষ্টি হলে তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে দুআ চাইতেন এবং সে দুআর ওসীলায় আল্লাহ তাদের বৃষ্টি দান করতেন। তাঁর ওফাতের পরে যেহেতু আর তাঁর কাছে দুআ চাওয়া যাচ্ছে না, সেহেতু তাঁর চাচা আব্বাসের (রা) কাছে দুআ চাচ্ছেন এবং দুআর ওসীলা দিয়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করছেন। চতুর্থত: কোনো ব্যক্তি তাঁর মর্যাদা বা অধিকারের দোহাই দেওয়া। আল্লাহর কাছে দুআ করার ক্ষেত্রে ওসীলা বা দোহাই দেওয়ার চতুর্ত পর্যায় হলো, কোনো ব্যক্তির, বা তাঁর মর্যাদার বা তাঁর অধিকারের দোহাই দেওয়া। যেমন জীবিত বা মৃত কোনো নবী-ওলীর নাম উল্লেখ করে বলা: হে আল্লাহ অমুকের ওসীলায়, বা অমুকের মর্যাদার ওসীলায় বা অমুকের অধিকারের অসীলায় আমার দুআ কবুল করুন। এরূপ দুআ করার বৈধতার বিষয়ে আলিমদের মধ্যে ব্যাপক মতভেদ রয়েছে। অনেক আলিম এরূপ দুআ করা বৈধ বলেছেন। তাদের বর্ণনার সার-সংক্ষেপ যে, খলীফা হযরর উসমান (রা)-এর সময়ে এক ব্যক্তি তাঁর দরবারে একটি প্রয়োজনে যায়। কিন্তু খলীফা তার প্রতি দষ্টিৃপাত করেন না। লোকটি উসমান ইবনু হানীফের (রা) নিকট গমন করে তাকে খলীফা উসমানের নিকট তার জন্য সুপারিশ করতে অনুরোধ করে। তখন উসমান ইবনু হানীফ লোকটিকে একটি দোয়া শিখিয়ে দেন, যা রাসূল সাঃ এর এক অন্ধ ছাহাবী অন্ধত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য রাসূল সাঃ এর কাছে দোয়া চাইলে তিনি তাকে শিখিয়ে দিয়েছিলেন। লোকটি এভাবে দুআ করার পরে খলীফা উসমান (রা) তার প্রয়োজন মিটিয়ে দেন। দোয়াটি নিম্নরূপঃ
أَنَّ رَجُلا ضَرِيرَ الْبَصَرِ أَتَى النَّبِيَّ r فَقَالَ ادْعُ اللَّهَ أَنْ يُعَافِيَنِي قَالَ إِنْ شِئْتَ دَعَوْتُ وَإِنْ شِئْتَ صَبَرْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ قَالَ فَادْعُهْ قَالَ فَأَمَرَهُ أَنْ يَتَوَضَّأَ فَيُحْسِنَ وُضُوءَهُ (فيحسن ركعتين) وَيَدْعُوَ بِهَذَا الدُّعَاءِ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ وَأَتَوَجَّهُ إِلَيْكَ بِنَبِيِّكَ مُحَمَّدٍ r نَبِيِّ الرَّحْمَةِ، (يا محمد) إِنِّي تَوَجَّهْتُ بِكَ إِلَى رَبِّي فِي حَاجَتِي هَذِهِ لِتُقْضَى لِيَ (يا محمد إني أَتَوَجَّهُ بِكَ إلى اللهِ أَنْ يَقْضِيَ حَاجَتِيْ) (فَيُجْلِيْ لِيْ عَنْ بَصَرِي) اللَّهُمَّ فَشَفِّعْهُ فِيَّ (وشَفِّعْنِي فِيْهِ) (اللهم شَفِّعْهُ فِيَّ وَشَفِّعْنِيْ فِيْ نَفْسِيْ)
একজন অন্ধ ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট আগমনে করে বলে, আমার জন্য দুআ করুন, যেন আল্লাহ আমাকে সুস্থতা দান করেন। তিনি বলেন: তুমি যদি চাও আমি দুআ করব, আর যদি চাও তবে সবর কর, সেটাই তোমার জন্য উত্তম। লোকটি বলে: আপনি দুআ করুন। তখন তিনি তাকে নির্দেশ দেন, সে যেন সুন্দর করে ওযূ করে (অন্য বর্ণনায়: এবং দু রাকাত সালাত আদায় করে) এবং এই দুআ করে: হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি এবং আপনার দিকে মুখ ফিরাচ্ছি (মনোনিবেশ করছি) আপনার নবী মুহাম্মাদের দ্বারা, যিনি রহমতের নবী, হে মুহাম্মাদ, আমি মুখ ফিরাচ্ছি (মনোনিবেশ করছি) আপনার দ্বারা আমার প্রতিপালকের দিকে আমার এ প্রয়োজনটির বিষয়ে, যেন তা মেটানো হয়। (অন্য বর্ণনায়: যেন তিনি তা মিটিয়ে দেন, যেন তিনি আমার দৃষ্টি প্রদান করেন। ) হে আল্লাহ আপনি আমার বিষয়ে তার সুপারিশ কবুল করুন (অন্য বর্ণনায়: আমার বিষয়ে তাঁর সুপারিশ কবুল করুন এবং তাঁর জন্য আমার সুপারিশ কবুল করুন। অন্য বর্ণনায়: আমার বিষয়ে তাঁর সুপারিশ কবুল করুন এবং আমার বিষয়ে আমার নিজের সুপারিশও কবুল করুন। ) তিরমিযী, আস-সুনান ৫/৫৬৯; হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৭০০, ১/৭০৭; হাকিম ও অন্যান্য মুহাদ্দিসণ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। এ হাদীসে অন্ধ লোকটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট দুআ চেয়েছে। তিনি দুআ করেছেন এবং তাকে শিখিয়ে দিয়েছেন তাঁর দুআর ওসীলা দিয়ে মহান আল্লাহর কাছে নিজে দুআ করতে। লোকটি সেভাবে দুআ করেছে। এ থেকে বুঝা যায় যে, শুধু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দুআর ওসীলাই নয়, উপরন্তু তাঁর ইন্তেকালের পরেও তাঁর ওসীলা দিয়ে দুআ চাওয়াও বৈধ। তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছাড়া অন্য কোনো ফিরিশতা, নবী, সাহাবী, তাবিয়ী বা ওলী-আল্লাহর ওসীলা দিয়ে দুআ চাওয়ার কোনো কথা কোনো হাদীসে বা সাহাবী-তাবিয়ীগণের বক্তব্যে পাওয়া যায় না। কোনো কোনো আলিম কেবলমাত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ব্যক্তিসত্তার ওসীলা দিয়ে আল্লাহর কাছে দুআ করা জায়েয বলেছেন। অন্য কারো ওসীলা দিয়ে দুআ চাওয়া নাজায়েয বলেছেন। তাঁদের মতে, কারো মৃত্যুর পরেও তাঁর ওসীলা দিয়ে দুআ করা জায়েয বলার পরে রাসূলুল্লাহ সা. কে বাদ দিয়ে অন্য কারো ওসীলা দিয়ে দুআ করা তাঁর সাথে বেয়াদবী ছাড়া কিছুই নয়। পক্ষান্তরে অন্য অনেক আলিম কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির, তাঁর মর্যাদার বা তাঁর অধিকারের দোহাই দিয়ে আল্লাহর কাছে দুআ করা অবৈধ ও নাজায়েয বলে গণ্য করেছেন। তাঁরা বলেন যে, এরূপ কোনো জীবিত বা মৃত কারো ব্যক্তিসত্তার ওসীলা দিয়ে দুআ চাওয়ার কোনোরূপ নযির কোনো সহীহ ও প্রসিদ্ধ হাদীসে বা সাহাবী-তাবিয়ীগণের মধ্যে পাওয়া যায় না। এছাড়া নবীগণ ও যাদের নাম মহান আল্লাহ ওহীর মাধ্যমে জানিয়েছেন তাঁরা ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির বিষয়ে সুনিশ্চিতভাবে কখনোই বলা যায় না যে, উক্ত ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয় বা আল্লাহর কাছে তাঁর কোনো বিশেষ মর্যাদা বা অধিকার আছে। সর্বোপরি তাঁরা উপরে উল্লেখিত উমার (রা) কর্তৃক আব্বাসের ওসীলা প্রদানকে দলীল হিসেবে পেশ করেন। যদি কারো দুআর ওসীলা না দিয়ে তাঁর সত্তার ওসীলা দেওয়া জায়েয হত তবে উমার (রা) ও সাহাবীগণ কখনোই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে বাদ দিয়ে আব্বাস (রা)-এর দোয়ার ওসীলা পেশ করতেন না। শাহ ওয়ালি উল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী তাঁর আল-বালাগুল মুবীন গন্থে উমার (রা)-এর হাদীসটি উদ্ধৃত করে বলেন: এই ঘটনায় প্রতীয়মান হয় যে, মৃত ব্যক্তিকে অসিলা করা শরীয়ত বিরোধী। যদি শরীয়ত সিদ্ধ হইত হযরত ওমর (রা) হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অসিলা করিয়াই দোআ করিতেন। কারণ, মৃত বা জীবিত যে কোন ব্যক্তির চেয়েই হুযুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফযীলত সীমাহীন-অনন্ত। তাহই হযরত ওমর (রা) এই কথা বলেন নাই যে, হে আল্লাহ, ইতি পূর্বে তো আমরা তোমার নবীকে অসীলা করিয়া দোআ করিতাম। কিন্তু এখন তিনি আমাদের মধ্যে বিদ্যমান নাই তাই আমরা তাঁহার রুহু মোবারককে অসিলা করিয়া তোমার কাছে আরযী বেশ করিতেছি। তাই কোন মৃত ব্যক্তিকে অসিলা করা মোটেই বৈধ নহে। এবং জীবিত ব্যক্তির ব্যক্তি স্বত্তার ওসীলা দিয়ে দোয়া করার কথাও কোরান হাদীসে কোথাও পাওয়া যায় না। বরং জীবিত ব্যক্তির দোওয়ার ওসীলা দিয়ে দোয়া করার কথা একাধিক হাদীসে পাওয়া যায়। ইমাম আবূ হানীফা (রাহ), ইমাম আবূ ইউসূফ (রাহ) ও ইমাম মুহাম্মাদ (রাহ) সকলেই একমত যে কারো অধিকার বা মর্যাদার দোহাই দিয়ে আল্লাহর কাছে দুআ চাওয়া মাকরূহ। আল্লামা ইবনু আবিল ইয্য হানাফী বলেন:
قَالَ أَبُو حَنِيفَةَ وَصَاحِبَاهُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ : يُكْرَهُ أَنْ يَقُولَ الدَّاعِي: أَسْأَلُكَ بِحَقِّ فُلانٍ، أَوْ بِحَقِّ أَنْبِيَائِكَ وَرُسُلِكَ ، وَبِحَقِّ الْبَيْتِ الْحَرَامِ ، وَالْمَشْعَرِ الْحَرَامِ، وَنَحْوِ ذَلِكَ
ইমাম আবূ হানীফা (রাহ) ও তাঁর সঙ্গীদ্বয় বলেছেন: আমি অমুকের অধিকার বা আপনার নবী-রাসূলগণের অধিকার, বা বাইতুল হারামের অধিকার বা মাশআরুল হারামের অধিকারের দোহাই দিয়ে চাচ্ছি বা প্রার্থনা করছি বলে দুআ করা মাকরূহ। আল্লামা আলাউদ্দীন কাসানী (৫৮৭ হি) বলেন:
...وَيُكْرَهُ لِلرَّجُلِ أَنْ يَقُولَ فِي دُعَائِهِ أَسْأَلُك بِحَقِّ أَنْبِيَائِك وَرُسُلِك وَبِحَقِّ فُلانٍ لأنَّهُ لا حَقَّ لأحَدٍ عَلَى اللَّهِ
আমি আপনার নবী-রাসূলগণের অধিকারের দোহাই দিয়ে চাচ্ছি এবং অমুকের অধিকারের দোহাই দিয়ে চাচ্ছি বলে দুআ করা মাকরূহ; কারণ মহান আল্লাহর উপরে কারো কোনো অধিকার নেই। উপরোক্ত আলোচনা দ্বারা বুঝা যায় যে,প্রথম তিন প্রকারের ওসীলা গ্রহন করা বৈধ। এমনকি কোনটি উত্তম । কিন্তু চতুর্থ প্রকার তথা ব্যক্তি স্বত্তার ওসীলা দিয়ে দোয়া করা অপছন্দনিয় যা থেকে বেচে থাকা আমাদের উচিত জীবিত হোক বা মৃত হোক । আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন।

কপিরাইট স্বত্ব © ২০২৫ আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট - সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত| Design & Developed By Biz IT BD