প্রশ্নঃ 2139
আমরা কবর দেখলে যে দোয়া পড়ি আসসালামু আলায়কুম ইয়া আহলাল কুবূর সেটা কি সুন্নাত সম্মত? যদি না হয় তবে সুন্নাত সম্মত দোয়া কোনটি?
20 Jan 2026
রাসূলুল্লাহ সা. মৃত ব্যক্তিদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে বললে আয়েশা রা. বললেন, কিভাবে করব? তখন তিনি বললেন, قُولِى السَّلاَمُ عَلَى أَهْلِ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ وَيَرْحَمُ اللَّهُ الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنَّا وَالْمُسْتَأْخِرِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَلاَحِقُونَ অর্থ: বল, السَّلاَمُ عَلَى أَهْلِ الدِّيَارِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ وَيَرْحَمُ اللَّهُ الْمُسْتَقْدِمِينَ مِنَّا وَالْمُسْتَأْخِرِينَ وَإِنَّا إِنْ شَاءَ اللَّهُ بِكُمْ لَلاَحِقُونَ মূমিন এবং মুসলিম কবরবাসীদের উপর সালাম। আল্লাহ পূর্ববর্তীদের এবং পরবর্তীদের সকলের উপর দয়া করুন, অচিরেই আমরা তোমাদের সাথে মিলিত হবো ইনশাআল্লাহ। সহীহ মুসলিম হাদীস নং ২৩০১। আপনি যতটুকু লিখেছেন ততটুকু বললেও হবে তবে আমি যেভাবে লিখলাম সেভাবে দেয়া অধিক ভাল।
প্রশ্নঃ 2131
আসসালামু আলাইকুম, একজনের কাছে শুনেছি, ১/ যে ফজর সলাতের পর মাথায় হাত দিয়ে আয়াতুল কুরসি পরলে মাথা ব্যাথা ভাল হয়ে যায়। ২/ বুকে হাত দিয়ে ২১ বার ইয়া সালামু ইয়া সালামু বলতে, ইহার ফজিলত মনে নেই। এগুলো কি রসুল (স) এর সুন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত বা সহিহ হাদিসে আছে?
20 Jan 2026
এগুলো সহীহ হাদীসে আছে বলে আমাদের জানা নেই। তবে কুরআনের যে কোন আয়াত পড়ে ঝাড়ফুঁক করলে যে কোন ব্যাথা ভাল হওয়া খুবই সম্ভব।
প্রশ্নঃ 2123
আমাদের দেশে সালাতের বিভিন্ন স্থানে রাফউল ইয়াদাইন নিয়ে পক্ষে/ বিপক্ষে ঝগড়া হয় কিন্তু সিজদাকালীন সময়ও রাফউল ইয়াদাইন করতে হয় মর্মে অনেক সহিহ হাদিসে পাওয়া যায় সে বিষয়ে জানাবেন। এ হাদিসগুলি কি মানসুক হয়ে গিয়েছে? আমি শাইখ আকতারুল আমান মাদানী এর আলোচনা ইউটিউবে শুনেছি তিনি বলেছেন তিনি আরবে কিছু লোকদের এরুপ করতে দেখেছেন। এ হাদিস মানসুক হয়নি। আমাকে এক আহলে হাদিস আলেম বলেছেন এ হাদিস মানসুক/রহিত হয়ে গেছে। সঠিক বিষয়টি জানালে উপকৃত হব। নিম্নে সিজদাকালীন রাফউল ইয়াদাইন বিষয়ক কিছু হাদিস দেওয়া হলো:
১১৪৬। মুহাম্মাদ ইবনু মুছান্না (রহঃ) … মালিক ইবনু হুয়ায়রিছ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে প্রবেশ করতেন তখন তার হাতদ্বয় উঠাতেন। আর যখন রুকু করতেন ঐরূপ করতেন, আর যখন রুকু থেকে মাথা উঠাতেন তখনও ঐরূপ করতেন। আর যখন সিজদা থেকে তাঁর মাথা উঠাতেন তখনও ঐরূপ করতেন। অর্থাৎ তাঁর হাতদ্বয় উঠাতেন। সূনান নাসাঈ (ই:ফা), হাদিসের মানঃ সহিহ সূত্র: বাংলা হাদিস Apps মুসা ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু মুসা বাসরী (রহঃ) … নযর ইবনু কাসীর আবূ সাহল আযদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন আব্দুল্লাহ ইবনু তাঊস (রহঃ) মিনার মসজিদে খায়ফে আমার পাশে সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি প্রথম সিজদা করতেন এবং সিজদা থেকে মাথা উঠাতেন তখন তিনি তাঁর চেহারা বরাবর তাঁর উভয় হাত উঠাতেন। তা আমার না-পছন্দ হওয়ায় আমি উহায়ব ইবনু খালিদকে বললাম এ ব্যক্তি এমন কিছু করছে যা আমি কাউকে করতে দেখিনি উহায়ব তাঁকে বললেন আপনি এমন কিছু করছেন যা আমরা কাউকে করতে দেখিনি তখন আব্দুল্লাহ ইবনু তাঊস বললেন আমি আমার পিতাকে তা করতে দেখেছি আর আমার পিতা বলেছেন। আমি আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাসকে এরূপ করতে দেখেছি। আর আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস বলেছেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এরূপ করতে দেখেছি। সূনান নাসাঈ (ই:ফা), আবু দাউদ হাঃ ৭২৫, সহিহ, [সূত্র: বাংলা হাদিস Apps]
20 Jan 2026
মানসুখ হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই। তবে এটা করে ঝগড়াতে নতুন মাত্রা যোগ করা যাবে বলে মনে হয়, সুন্নাত পালন হবে বলে মনে হয় না।
প্রশ্নঃ 2023
আহলে হাদীসদের কোন বইতে আমাদের হানাফীদেরকে কাফির বা বেদাতী বলেছে?
18 Jan 2026
এই ধরণের প্রশ্নের জন্য আমাদের এই বিভাগটি নয়। জীবন ঘনিষ্ট ইমান ও আমল সম্পর্কীত বিষয়ে আমরা উত্তর দিয়ে থাকি।
প্রশ্নঃ 2010
আসসালামুয়ালাইকুম প্রতি মাসে ৩টি রোজা রাখার বিধান কি? ১৩,১৪,১৫ তারিখে রোজা রাখতে না পারলে যে কোনো ৩ দিন রোজা রাখলে কি হবে?
18 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। প্রতি চন্দ্র মাসে তিনদিন রোজা রাখা মুস্তাহাব। এই তিন দিন মাসের যে কোন তিন দিন হতে পারে। তবে উত্তম হলো ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখা। নিচের হাদীসগুলো লক্ষ্য করুন: হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي بِثَلاَثٍ لاَ أَدَعُهُنَّ حَتَّى أَمُوتَ صَوْمِ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَصَلاَةِ الضُّحَى وَنَوْمٍ عَلَى وِتْرٍ. আমার বন্ধু অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ সা. আমাকে তিনটি ওসিয়ত করেছেন যা আমি মৃত্যু পর্যন্ত ছাড়বো না। ১, প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা। ২. দুহা বা চাশতের নামায। ৩. ঘুমের পূর্বে বিতর নামায পড়া। উক্ত হাদীসে যে কোন তারিখে তিনটি রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে। নিচের হাদীসটিতে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে। আবু জার রা. বলেন, قال رسول الله صلى الله عليه و سلم يا أبا ذر ! إذا صمت من الشهر ثلاثة أيام فصم ثلاث عشرة وأربع عشرة وخمس عشرة রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, হে আবু জার! যদি তুমি প্রতি মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাউ তাহলে ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখবে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ৭৬১; সুনানু নাসায়ী, হাদীস নং ২৪২৪ সুতরাং চেষ্টা করবেন এই তিন দিন রোজা রাখার জন্য সম্ভব না হলে আপনি যে কোন তিন দিন রোজা রাখতে পারেন।
প্রশ্নঃ 2005
আসসালামু আলাইকুম… কাউকে জন্মদিনে হ্যাপি বার্থডে বা শুভ জন্মদিন বলা খ্রিস্টানদের সংস্কৃতি… কেক কাটাও একই… আমার প্রশ্ন হলো, আমাদের সুন্নাত পদ্ধতি কি? কারো জন্মদিনে কিভাবে উইশ করা, কিভাবে পালন করা যাবে?
18 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। রাসূলুল্লাহ সা. বা সাহাবীদের থেকে জন্মদিন পালনের কোন হাদীস পাওয়া যায় না। সুতরাং জন্মদিন পালনই করা যাবে না। সুন্নাত পদ্ধতির তো প্রশ্নই নেই।
প্রশ্নঃ 1999
আসসালামু আলাইকুম, আমরা ওযু করার সময় গার মাছা করতাম, ছোট বেলা থেকে এভাবেই ওযু করা শিখেছি এবং করে আসছি। শাইখ মতিউর রহমান মাদানীর একটা ভিডিও দেখেছি (নিচে লিংক দিয়েছি) ঐখানে এটা বিদাআত বলা হয়েছে। এটার সর্ম্পকে এবং সুন্নাত মত ওযু পদ্ধতি জানালে খুশি হবো। https://www.facebook.com/ILBmedia/videos/820685154723414/?hc_ref=ARRZdrWISJ7sC1TfCVtMR6G6MIRTzK5RsPAIDpdeTx-Ynlmv-VokuiuWVq3r6lHut-k
18 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ঘাড় মাসেহ করার ব্যাপারে কয়েকটি দূর্বল হাদীস বর্ণিত আছে। তার একটি হলো, قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: من توضأ ومسح عنقه لم غل بالأغلال يوم القيامة অর্থ: রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি ওযু করবে এবং ঘাড় মাসেহ করবে কিয়ামতের দিন তাকে শিকল পরানো হবে না। তারীখ আসবাহান, ১/২৪২। এই বিষয়ে বিভিন্ন হাদীসের বিশ্লেষন শেষে মোল্লা আলী কারী হানাফী রাহ. বলেন, قال أئمتنا إن مسح الرقبة مستحب أو سنة অর্থ: আমাদের ইমামগণ বলেছেন, ঘাড় মাসেহ করা মুস্তাহাব অথবা সুন্নাত। আল-আসরারুল মারফুয়াহ, পৃষ্ঠা- ৩১৫। কোন কোন আলেম বিদআত বলেছেন। তবে দলিলের আলোকে বিদআত নয় বলে মনে হয় না। আমরা যেভাবে ওযু করি এটাই সুন্নাত পদ্ধতি।
প্রশ্নঃ 1996
আসসালামুয়ালাইকুম। আমি জানতাম যে সুলুল্লাহ সঃ বললেনঃ আমি তোমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দুটো জিনিস রেখে যাচ্ছি। এর প্রথমটি হলো আল্লাহর কিতাব এবং অপরটি হলো সুন্নত। এটা কি সহিই হাদিস বা আমার জানাটা কি ঠিক? আমি আরেকটি হাদিস পেলাম। সেটা বলছে এর প্রথমটি হলো আল্লাহর কিতাব এবং অপরটি হলো আমার আহলে বাইত। তাহলে কোনটা সঠিক? হাদিস টি সংক্ষিপ্ত ভাবে নিচে দেওয়া হলো। … (সংক্ষিপ্ত ভাবে) যায়দ (রাঃ) বললেন, রাসুলুল্লাহ সঃ একদা বললেনঃ আমি তোমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দুটো জিনিস রেখে যাচ্ছি। এর প্রথমটি হলো আল্লাহর কিতাব। এতে হিদায়াত এবং নূর রয়েছে। সুতরাং তোমরা আল্লাহর কিতাবকে অবলম্বন কর, একে শক্ত করে ধরে রাখো। এরপর কুরআনের প্রতি আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা দিলেন। আর হলো আমার আহলে বাইত। আর আমি আহলে বাইতর ব্যাপারে তোমাদের আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আহলে বাইতর ব্যাপারে তোমাদের আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), হাদিস নং-৬০০৭,৬০১০ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
18 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। প্রথম হাদীসটিকে শায়খ আলবানী iরহি. হাসান বলেছেন। অর্থের দিকে থেকে দুটি হাদীসের মধ্যে কোন বৈপরীত্য নেই। কেননা সুন্নাত জানার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হচ্ছে আহলে বাইত তথা নবী পরিবার।সেই কারণে হয়তো তিনি আহলে বাইতের উপর জোর দিয়েছেন।
প্রশ্নঃ 1947
Assalamulaikum মিসত্তয়াক করে নামায পরলে নামাযে ৭০ গুন বেশী সত্তয়াব হয়। এই হাদিসের তাহকীক জানলে একটু জানাইলে ভাল হয়।
16 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মিসওয়াক করলে নামাযে ৭০ গুন সওয়াব হয় এই অর্থের হাদীসটি একাধিক সাহবী থেকে একাধিক শব্দে বর্ণিত আছে। যেমন, আস-সুনানুল কুবরা লিল বায়হক্কীতে আছে: صَلاَةٌ بِسِوَاكٍ خَيْرٌ مِنْ سَبْعِينَ صَلاَةً بِغَيْرِ سِوَاكٍ হাদীস নং ১৬৪। মুসনাদে আহমাদে আছেفضل الصلاة بالسواك على الصلاة بغير سواك سبعين ضعفا হাদীস নং এবং ২৬১৮৩। সহীহ ইবনে খুজায়মাতে আছেفضل الصلاة التي يستاك لها على الصلاة التي لا يستاك لها سبعين ضعفا হাদীস নং ১৩৭। প্রতিটি সনদই বিভিন্ন কারণে দুর্বল। মুহাদ্দিসগণ হাদীসটিকে সহীহ বলেন নি। তবে শায়েখ ইবনে কয়্যিম জাইযী রহ. বলেছেন, অনেক সংখ্যক দুর্বল বর্ণনা থাকার কারণে এবং মিসওয়াক করার বিষয়ে সহীহ হাদীসে ব্যাপক গুরুত্ব দেয়ার কারণে ৭০ গুন সওয়াব হওয়া অসম্ভব নয়। বিস্তারিত জানতেصَلاَةٌ بِسِوَاكٍ خَيْرٌ مِنْ سَبْعِينَ صَلاَةً بِغَيْرِ سِوَاكٍ লিখে ইন্টারনেটে সার্স নিতে পারেন।
প্রশ্নঃ 1811
১। সুন্নাত গোসল এবং সুন্নাত অজু করার নিয়ম সহি হাদিস এর রেফারেন্স সহ জানালে উপকৃত হবো? ২। নাভির নিচে প্যান্ট পরা, কিন্তু উপরে গেঙ্গি, শার্ট, পাঞ্জাবী পড়া থাকলে নামাজের কোন সমস্যা হবে কি?
এই বিষয় গুলো নিয়ে ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহি. স্যার এর অডিও, ভিডিও ওয়াজ অথবা কোন বই এর নাম থাকলে ডাউনলোড লিঙ্ক অথবা বইয়ের নাম জানালে উপকৃত হবো।
13 Jan 2026
গোসল করার সুন্নাত সম্মত পদ্ধতি বিভিন্ন হাদীসে থেকে জানা যায়। প্রথমে হাত ভাল করে ধুয়ে লজ্জাস্থান ধৌত করতে হবে। এরপর ওজু করে গোসল করতে হবে। গোসলের স্থানে পানি জমে গেলে গোসল শেষে দূরে সরে গিয়ে পা ধৌত করতে হবে। পানি জমে না গেলে গোসলের স্থানেই পা ধৌত করবে। নিচের হাদীসেটিতে গোসলের বর্ণনা এসেছে: عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ : قَالَتْ مَيْمُونَةُ وَضَعْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَاءً لِلْغُسْلِ فَغَسَلَ يَدَيْهِ مَرَّتَيْنِ ، أَوْ ثَلاَثًا ثُمَّ أَفْرَغَ عَلَى شِمَالِهِ فَغَسَلَ مَذَاكِيرَهُ ثُمَّ مَسَحَ يَدَهُ بِالأَرْضِ ثمَّ مَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ وَغَسَلَ وَجْهَهُ وَيَدَيْهِ ثُمَّ أَفَاضَ عَلَى جَسَدِهِ ثُمَّ تَحَوَّلَ مِنْ مَكَانِهِ فَغَسَلَ قَدَمَيْهِ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, মায়মুনা রা. বলেন, আমি গোসলের জন্য রাসূলুল্লাহ কাছে পানি নিয়ে আসলাম। তখন তিনি দুই হাত দুই-তিনবার ধৌত করলেন, এরপর তিনি তার লজ্জাস্থান ধৌত করলেন, এরপর দুই হাত মাটিতে লাগিয়ে ধৌত করলেন অত:পর কুলি করলেন ও নাকি পানি দিলেন তারপর চেহারা এবং দুই হাত ধৌত করলেন এরপর পুরো শরীরে পানি ঢাললেন। অত:পর তিনি গোসলের স্থান থেকে সরে গিয়ে দুেই পাই ধৌত করলেন। সহীহ বুখারী হাদীস নং ২৫৭। حُمْرَانَ مَوْلَى عُثْمَانَ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ رَأَى عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ دَعَا بِإِنَاءٍ فَأَفْرَغَ عَلَى كَفَّيْهِ ثَلاَثَ مِرَارٍ فَغَسَلَهُمَا ثُمَّ أَدْخَلَ يَمِينَهُ فِي الإِنَاءِ فَمَضْمَضَ وَاسْتَنْشَقَ ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاَثًا وَيَدَيْهِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ ثَلاَثَ مِرَارٍ ثُمَّ مَسَحَ بِرَأْسِهِ ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ ثَلاَثَ مِرَارٍ إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثُمَّ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنْ تَوَضَّأَ نَحْوَ وُضُوئِي هَذَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لاَ يُحَدِّثُ فِيهِمَا نَفْسَهُ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ. হুমরান বলেন তিনি উসমান রা. একটি পাত্রে পানি নিয়ে আসতে বলেন, (পানি নিয়ে আসার পর) তিনি হাতির কব্জি তিনবার ধৌত করলেন এরপর কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন এরপর চেহারা তিনবার ধৌত করলেন এরপর হাত তিনবার কনুই পর্যন্ত ধৌত করলেন এরপর পা টাকনু পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন। এরপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, যে আমার এই ওযু করবে এবং এই ওজুতে দুই রাকআত নামায পড়বে তার পূর্বের সকল গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫৯। ২। না, সমস্যা হবে না।
প্রশ্নঃ 1636
আসসালামু আলাইকুম, শাইখ। আমার প্রশ্ন হলো-
১। ভুলে,অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও হক নষ্ট করলে কী তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে?
২। মা-বাবার হকের ক্ষেত্রে কী তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে?
৩। বিতর ও ফজরের সুন্নত সালাত কী ওয়াজিব? শেষ প্রশ্নটির বিস্তারিত উত্তর দিলে খুশি হবো। জাযাকাল্লাহু খাইরা।
07 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ১। জ্বী, ভুলে,অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও হক নষ্ট করলেও তাদের হক পূরণ করে দিতে হবে, তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ২। জ্বী, মা-বাবার হক নষ্ট করলেও তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ৩। আলেম ও ফকীহদের একটি বড় অংশ, বিশেষত হানাফী মাজহাবের আলেমরা বিতরকে ওয়াজিব বলেছেন। কারণ রাসূলুল্লাহ সা. الوتر حق فمن لم يوتر فليس منا قالها ثلاثا বিতর আবশ্যক, যে বিতর আদায় করবে না সে আমাদের অন্তর্ভূক্ত নয়। তিনি তিন বার এই কথা বলেছেন। সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ১৪২১। শায়খ শুয়াইব আরনাউত বলেছেন, হাদীসটি হাসান লি গয়রিহি।আবার অনেকে সুন্নাত বলেছেন, হযরত আলী রা. বলেন, إِنَّ الْوِتْرَ لَيْسَ بِحَتْمٍ كَصَلَاتِكُمُ الْمَكْتُوبَةِ، وَلَكِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْتَرَ ثُمَّ، قَالَ: «يَا أَهْلَ الْقُرْآنِ أَوْتِرُوا فَإِنَّ اللَّهَ وِتْرٌ، يُحِبُّ الْوِتْرَ বিতরের নামায তোমাদের ফরয নামাযসমূহের মত অত্যাবশ্যকীয় (ফরয) নামায নয়। বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এ নামায) তোমাদের জন্য সুন্নাতরূপে প্রবর্তন করেছেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বিতর (বেজোড়), তিনি বিতরকে ভালবাসেন। হে কুরআনের বাহকগণ (মুমিনগণ)! তোমরা বিতর আদায় কর। মুসনাদু আহমাদ, হাদীস নং ১২৬২। হাদীসটি সহীহ। ফজরের সুন্নাতকেও গুরুত্বের কারণে অনেক আলেম ওয়াজিব বলেছেন।عن عائشةَ رضي الله عنها قالتْ: لم يكُنِ النبيُّ – صلى الله عليه وسلم – على شيءٍ منَ النوافلِ أشَدَّ منْه تعاهُداً على ركعتَيِ الفجرِ. হযরত আয়েশা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের দু’ রাকআত সুন্নতের প্রতি যেরূপ যত্নবান ছিলেন, সেরূপ অন্য কোন নফল নামাযের প্রতি ছিলেন না। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১১৬৯।
প্রশ্নঃ 1603
জনাব, ঝিনাইদহের অধিকাংশ মসজিদে আযানের আগে শুর করে আ্উযু বিল্লাহ, বিসমিল্লাহ পড়া হয়, এর পরে আযান দেওয়া হয়, এ ব্যাপারে শরীয়াতের বিধান বা সুন্নাত নিয়ম জানতে চাই।
07 Jan 2026
এটা নাজায়েজ বা হারাম কিছু না। এতে কোন সমস্যা নেই।
প্রশ্নঃ 1549
আস-সালামু-আলাইকুম, ছোটবেলাতে এরকম শুনেছি যে,কোনো ভালো কাজের আগে “বিসমিল্লাহ” বললে পুরো কাজের সময় ধরে সওয়াব হয়। আসলেই কি তাই? সওয়াব পাওয়ার শর্ত ও আমরা কিভাবে দিনের প্রতিটা ভালো কাজের ভিতর সওয়াব পেতে পারি?
07 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মুসলিম শুধু ভালো কাজই করবে, কোন মন্দকাজ করবে না। মন্দকাজ হয়ে গেলে আল্লাহর কাছে তওবা করবে ক্ষমা চাইবে। কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা বা আল্লাহর নাম নেয়া সুন্নাত। বিসমিল্লাহ বলে কাজ শুরু করলে সুন্নাতের সওয়াব পাবে। মুসলিম ভালো কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করলে ভালো কাজরে সওয়াব পাবে। বিসমিল্লাহ পড়লে পুরো সময় ধরে সওয়াব হয় বিষয়টি এরকম না। আল্লাহর সন্তুষ্টির প্রত্যাশা নিয়ে আমরা সকল ভালো কাজ করবো, এতে আমাদের সওয়াব হবে।
প্রশ্নঃ 1497
আসসালামু আলাইকুম । শায়েখ কেমন আছেন?আমি একটা বিষয় নিয়ে কিছুদিন ধরে ভাবছি। বিষয়টি হলো। আমরা রাসুল(সাঃ)এর কর্ম জীবন কে সুন্না হিসাবে যানি। আবার আমাদের আকাবিরের কর্ম গুলোও আকাবির দের সুন্না বলে যানি। এখন একটা বিষয় যে,আমরা হাদিস ও ইসলামী ইতিহাস থেকে জানতে পারি,রাসুল(স:)ও সাহাবায়ে কেরামদের অনেকেরই পোষাক ছিলো সেলাই/ তালি দেওয়া। এবং উনারা সাধারন জীবন যাপন কে পছন্দ করতেন। এখন আমার জানার বিষয়,আমাদের আলেম উলামা এই বিষয় নিয়ে কোন আলোচনা করেন না কেন। এটি কি সুন্নার মধ্য পরে না। এক গ্লাস পানি পান করতে হলে যেখানে রাসুল(স:) এর পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। সেখানে পোষকের এই বিষয় নিয়ে সমাজে কোন অলোচনা নেই কেন। বিষয় টি ক্লিয়ার করলে খুব উপকৃত হতাম ইনশাল্লাহ।
06 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমরা আল্লাহর রহমতে ভাল আছি। দুআ করি আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ভাল রাখেন। দেখুন, সাধারন জীবন-জাপন করা সুন্নাত। সেলাই/ তালি দেওয়া জামা কাপড় পরা নয়। সেই সময়ের সাধারণ জীবন-জাপন আর এখনকার সাধারণ জীবন জাপন এক নয়। এখন কেউই সাধারণ জীবন-জাপন হিসেবে সেলাই/ তালি দেওয়া জামা কাপড় পরে না। এখন সাধারণ জীবন-জাপন হিসেবে মানুষ যে ধরণের কাপড় ব্যবহার করে সেটাকেই আমাদের গুরুত্ব দেয়া উচিত। আরো একটা বিষয় মনে রাখবেন ইসলাম পোশাকের ব্যপারে স্পষ্ট কোন পোশাকের নাম বলে দেয় নি। বরং একটি নীতিমালা দিয়েছে যে, পুরুষ এমন পোশাক পরবে আর মহিলা এমন পোশাক পরবে। বিস্তারিত জানতে দেখুন, ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. এর লেখা কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পোশাক, পর্দা ও দেহ-সজ্জা বইটি।
প্রশ্নঃ 1481
আসসালামু আলাইকুম। আমাদের দেশে অনেকে ফরজ সালাতের পর মাথায় বা কপালে হাত দিয়ে কি যেন একটা দুয়া পরে (আমি অনেক ইমাম সাহেবকেও দেখেছি), কিন্তু একি সাথে আমি অনেক আলেমের মুখেও শুনেছি এটা সুন্নাহ সম্মত নয় । বিষয়টির ব্যাপারে সত্যিয়ই দলিল আছে কি না? থাকলে জানতে চাচ্ছি।
06 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এ ব্যাপারে কোন সহীহ দলীল আছে বলে আমাদের জানা নেই।
প্রশ্নঃ 1460
আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্নঃ নিচের দুয়া গুলি একটি poster এ দেখতে পেলাম। এগুলির প্রতিটার দলিল আছে কি না আনতে চাই। ১. প্রতিদিন ১০ বার ফজরের সালাতের পর দুরুদ পাঠ করলে তার রুহ নবী ও সিদ্দিকিন দের মত সহজ ভাবে বের হবে। ২. যে প্রতি সালাতের পর সুরা তাওবার শেষ দুই আয়াত পরবে, সে হাশরের দিন রাসুল (সঃ) এর শাফায়েত পাবে, বিপদে পড়লে বিপদ দূর হবে, সে দিন মৃত্যু হলে শহিদী মৃত্যু হবে… ৩. কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর যদি ১০০০ বার বিসমিল্লাহ … পায় তবে তাকে আল্লাহ পাক তার ছায়ায় স্থান দিবেন। ৪. রাতে যে ব্যক্তি সুরা আল ইমরানের শেষ দশ আয়াত পরবে সে সারা রাত তাহাজ্জুদের নেকি পাবে। ৫. যে প্রতি সালাতের পর সুরা সাফফাতের ১৮০-১৮২ আয়াত পরবে, তাকে যথেষ্ট পরিমাব নেকি দেয়া হবে। যাকাল্লাহু খাইর।
06 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এতগুলো প্রশ্ন একসাথে করলে উত্তর দেয়া কঠিন। আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তরে বলছি হাদীসে আছে সকাল সন্ধা ১০ বার করে দরুদ পাঠ করলে রাসূলুল্লাহ সা. এর শাফায়াত তার নসীব হবে। সহীহুত তারগীব ১/৩৪৫। এর বাইরে কোন ফজিলত আছে কি না আমাদের জানা নেই।
প্রশ্নঃ 1338
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ! আশা করি আল্লাহর দয়ায় ভালো আছেন। স্যার, আপনাদের এই প্রশ্ন উত্তর গুলো অনেক হেল্পফুল আমাদের মতো নগন্যদের জন্য। আল্লাহ সুবহানুতায়ালা আপনাদেরকে এর উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন। স্যার আমি শুধু এখানে নিজে প্রশ্নই করি না, সাথে সাথে সবগুলো প্রশ্ন উত্তরগুলো পড়ে থাকি। যাই হউক সে সুবাদে একটি প্রশ্নোত্তর দেখলাম। আমার প্রশ্ন হলো এশারের পরতো আমরা সাধারণত দুই রাকাত সুন্নাত ও তারপর বিতির পড়ে থাকি। যদি নিন্মোক্ত আমলটি করি তাহলে কি সুন্নাতের পর এক সালামে চাররাকাত নাকি দুই সালামে চার রাকাত সলাত পড়ে সব শেষে তিন রাকাত বিতর পড়ব? জাযাকাল্লাহু খইরান।
05 Jan 2026
ওয়াআলাইকুমুস সালাাম। আমরা আপনাদেরকে সাহায্য করতে পারছি জেনে আল্লাহ তায়াল শুকরিয়া আদায় করছি। দুআ করবেন আমরা যেন এই কাজটি অব্যাহত রাখতে পারি। আপনার প্রশ্নের উত্তর। আপনি একটু বুঝতে ভুল করেছেন। তা হলো হাদীসের অর্থ হলো ইশার ফরজের পর চার রাকআত সুন্নাত পড়া, দুই রাকআত সুন্নাতের পর চার রাকআত নয়। অর্থাৎ ফরজ পড়ে চার রাকআত সুন্নাত পড়বেন। সালাম কয়টি হবে তা স্পষ্ট হাদীসে নেই সুতরাং যে কোন একটির উপর আমল করলেই হবে। তারপর বিতির পড়তে পারেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
প্রশ্নঃ 1274
আসসালামু আলাইকুম। আমাদের দেশে অনেকে ফরজ সালাতের পর মাথায় বা কপালে হাত দিয়ে কি যেন একটা দুয়া পরে (আমি অনেক ইমাম সাহেবকেও দেখেছি), কিন্তু একি সাথে আমি অনেক আলেমের মুখেও শুনেছি এটা সুন্নাহ সম্মত নয় । বিষয়টির ব্যাপারে সত্যিয়ই দলিল আছে কি না? থাকলে জানতে চাচ্ছি।
05 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এ ব্যাপারে কোন সহীহ দলীল আছে বলে আমাদের জানা নেই।
প্রশ্নঃ 1078
আমি ব্যাক্তিগতভাবে তাবলীগ জামাত কে পছন্দ করি এবং মাঝে মাঝে সময় লাগাই। অনেক ওলামায়ে কেরামকে দেখেছি এই কাজের সাথে লেগে আছেন এবং অনেক মেহনত করছেন। আবার কিছু আলেমকে এর কড়া সমালোচনা করতে দেখেছি। আমরা যারা সাধারন মুসলিম, আমাদের কোরআন- সুন্নাহ এর গভীর এলেম নাই, আমরা কোন পথে যাই । যদি আসসুন্নাহ ট্রাস্ট এর সম্মানিত ওলামায়ে কেরামগণকে এই প্রশ্নের মাধ্যমে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে থাকি তাহলে আমি আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষমা প্রার্থী।
04 Jan 2026
তাবলীগ জামাত এবং অন্যান্য দাওয়াতী প্রতিষ্ঠান এবং যে কোন দায়ী কেউ ভুলত্রুটির ঊধ্বে নয়। তারা মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকছেন এটা নিঃসন্দেহ ভাল কাজ। তাদের ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে, এটা অসাভাবিক নয়। সম্ভব হলে উত্তম পন্থায় তাদের ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে পারেন। তবে এই সব ভুল-ত্রুটির কারণে অহেতুক সমালোচনা কোন কাজে আসে না। এই প্রসঙ্গে শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. এক প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক সহীহ দাওয়াত দেয়ার জন্য অন্য কোন দল বা মতের সমালোচনা মূলত কোনো ভাল ফল দেয় না। এতে এসকল দলের কেউ পরিবর্তনও হয় না। আপনি তাদের সাথে দাওয়াতে কাজে অংশ নিবেন, আপনি ভাল কাজের মধ্যে আছেন। তবে কোন কাজ কুরআন-সুন্নাহর মুখালেফ মনে হলে তা করবেন না।
প্রশ্নঃ 1056
প্রিয় স্যার আশা করছি আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। স্যার আপনাদের এই দ্বীনি কাজ আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা কবুল ও মঞ্জুর করুন। আমিন। স্যার, আমি একটা শহরের মসজিদে দেখলাম যে অজু করার স্থানে একটা টুথ পাউডার এর পেকেট দেয়া আছে যাহাতে অজু করার আগে কোন মুসল্লি চাইলে একটু আংগুল দিয়ে দাত ব্রাস করে তারপর অজু করে নিতে পারে। বিষয়টা দেখে আমার ভালোই লাগল। তাই আমি ভাবলাম আমার মহোল্লার মসজিদে অজুর স্থানে কয়েকটা টুথ পাউডার দিয়ে দিলে তো ভালোই হয়। সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম দিবো। কিন্তু হঠাৎ মনে পড়ল নবীজির (সঃ) সুন্নত তো অজু বা সলাতের আগে মেসওয়াক করা। এখন যদিও ভালো কাজ কিন্তু হতে পারে খেলাফে সুন্নাত। তাই আমি আসলে ডিসিশন নিতে পারছি না এটা করা ঠিক হবে কিনা। আপনার একান্ত মতামত চাই। আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা আপনাকে জাযাখায়ের দান করুন। আমিন।
04 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি চাইলে করতে পারেন। শায়খ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ. বলতেন এখানে পরিস্কার করাই মূল উদ্দেশ্য। আর এটা টুথ পাওডার এবং আঙ্গল দ্বারা হতে পারে। আল্লাহ ভাল জানেন।
প্রশ্নঃ 1004
আসসালামু আলাইকুম, বাংলাদেশ ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার এর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে ধন্যবাদ যে আপনারা দ্বীনের দাওয়াত ও মুসলিমের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছেন। আল্লাহ তাআলার কাছে দোআ করি যাদে আপনারা দ্বীনের সঠিক দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন ।আজ বাংলাদেশ ইসলামী দাওয়াহ সেন্টার এর পক্ষ থেকে আপনাদেন কাছে একটি প্রশ্ন করছি।আমরা আশা করছি আপনারা প্রশ্নের উত্তর আমাদের ই-মেইল এর মাধ্যমে দিবেন। প্রশ্নঃ দাঁড়ি রাখার বিধান কি আর দাঁড়ির রাখার সীমা বা কি পরিমাণ দাঁড়ি লম্বা করতে হবে?
03 Jan 2026
দাঁড়ি পুরুষের জন্য বিশেষ সৌন্দর্য ও পৌরুষ প্রকাশক। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজে বড় দাঁড়ি রাখতেন, উম্মাতকে বড় দাঁড়ি রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং দাঁড়ি ছোট করতে এবং মুণ্ডন করতে নিষেধ করেছেন।রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আকৃতির বর্ণনায় আলী (রা) বলেন, كان عـظـيـم اللـحـيـة তিনি অনেক বড় দাড়ির অধিকারী ছিলেন। হাদীসটি হাসান। ইবনু হিব্বান, আস-সহীহ ১৪/২১৬-২১৭; আল-মাকদিসী, আল-আহাদীস আল-মুখতারাহ ২/৩৬৯; হাইসামী, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/২১-২২; আলবানী, সহীহুল জামি ২/৮৭৩। মুসলিম সংকলিত অন্য হাদীসে জাবির ইবনু সামুরা (রা) বলেন, كان كـثـيـر شـعـر اللـحـيـة রাসূলুল্লাহ সা.-এর দাড়ি ছিল বেশি বা ঘন। মুসলিম, আস-সহীহ ৪/১৮২৩। ইয়াদিয আল-ফারিসী বর্ণিত ও আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) অনুমোদিত হাদীসে তিনি বলেন, قـد مـلأت لحـيته ما بيـن هذه إلى هذه، قد مـلأت نحـره তাঁর দাড়ি তাঁর বক্ষ পূর্ণ করে ফেলেছিল। হাদীসটি হাসান। তিরমিযী, আশ-শামাইল, পৃ. ৩৫১; আলবানী, মুখতাসারুশ শামাইল, পৃ.২০৮-২০৯। এভাবে আমরা দেখছি যে, রাসূলুল্লাহ সা. বড় দাড়ি রেখেছেন।তিনি দাড়ির যত্ন নিতেন এবং বেশি বেশি দাড়ি পরিপাটি করতেন ও আঁচড়াতেন। সাহাবীগণও এভাবে বড় দাড়ি রাখতেন বলে বিভিন্ন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। তিনি দাড়িতে খেযাব ব্যবহার করেন নি বলেই অধিকাংশ বর্ণনার আলোকে বুঝা যায়। কারণ তাঁর দাড়ি প্রায় সবই কাল ছিল। মাথায় গোটা বিশেক চুল এবং নিচের ঠোটের নিচের দাড়িগুচ্ছের (বাচ্চা দাড়ির) মধ্যে গোটা দশেক দাড়ি মাত্র সাদা হয়েছিল। এছাড়া দু কানের পাশে কলির কিছু চুল পাকতে শুরু করেছিল। ইবনু হাজার আসকালানী, ফাতহুল বারী ৬/৫৭-৫৭২। তৎকালীন যুগে মুশরিক ও অগ্নি উপাসকদের মধ্যে দাড়ি ছোট করে রাখা বা দাড়ি মুণ্ডন করার রীতি প্রচলিত ছিল। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁর উম্মাতকে বিশেষভাবে এ সকল অমুসলিম সম্প্রদায়ের বিরোধিতা করতে এবং বড় দাড়ি রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাদীসে আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা.বলেছেন, خَالِفُوا الْمُشْرِكِينَ أَحْـفُوا (انْهَكُوا) الشَّوَارِبَ وَأَوْفُوا (أَعْـفُوا) اللِّـحَى (أَمَرَ e بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحْيَةِ) তোমরা মুশরিকদের বিরোধিতা কর, গেঁফগুলি ছেটে ফেল বা ছোট কর এবং দাড়িগুলি বড় কর (অন্য বর্ণনায়: তিনি গোঁফ ছাটতে এবং দাড়ি ছাটা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। ) বুখারী, আস-সহীহ ৫/২২০৯; মুসলিম, আস-সহীহ ১/২২২। অন্য বর্ণনায় তাবিয়ী নাফি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, خَالِفُوا الْمُشْرِكِينَ وَفِّرُوا اللِّحَى وَأَحْفُوا الشَّوَارِبَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا حَجَّ أَوِ اعْتَمَرَ قَـبَضَ عَلَى لِحْـيَتِهِ فَمَا فَضَلَ أَخَذَهُ তোমরা মুশরিকদের বিরোধিতা কর, দাড়ি বাড়াও বা বড় কর এবং গোঁফ খাট কর। নাফি বলেন, ইবনু উমার (রা) যখন হজ্জ অথবা উমরা পালন করতেন, তখন (হজ্জ বা উমরা পালনের শেষে মাথার চুল মুণ্ডন করার সময়) নিজের দাড়ি মুষ্টি করে ধরতেন এবং মুষ্টির অতিরিক্ত দাড়ি কর্তন করতেন। বুখারী, আস-সহীহ ৫/২২০৯। ফকীগণের মতামত: (১) ফকীহগণ একমত যে দাড়ি রাখা ইবাদত (ফরয, ওয়াজিব অথবা সুন্নাত)। তবে এ ইবাদতের সীমার বিষয়ে তাঁরা মতভেদ করেছেন। কেউ বলেছেন দাড়ির দৈর্ঘের কোনো সীমা নেই। যত বড়ই হোক তা ছাটা যাবে না। শুধু অগোছালো দাড়ি ছাটা যাবে। কেউ বলেছেন এ ইবাদতের সীমা একমুষ্টি পর্যন্ত। এর অতিরিক্ত দাড়ি কেটে ফেলাই সুন্নাত। (২) ফকীহগণ সকলেই দাড়ি কাটা বা মুণ্ডন করা নিষিদ্ধ বলে উল্লেখ করেছেন (হারাম বা মাকরূহ তাহরীমী)। (৩) অনেক ফকীহ একমুষ্টির অতিরিক্ত দাড়ি কাটা বৈধ, উত্তম বা ওয়াজিব বলে উল্লেখ করেছেন। (৪) কোনো মুহাদ্দিস, ফকীহ, ইমাম বা আলিম এক মুষ্টির কম দাড়ি রাখার সুস্পষ্ট অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা যায় না। যারা দাড়ি থেকে কিছু ছাটার অনুমতি দিয়েছেন তাদের প্রায় সকলেই সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, একমুষ্টির অতিরিক্তই শুধু কাটা যাবে। দ্বিতীয়-তৃতীয় শতকের কোনো কোনো ফকীহ মুষ্টির কথা উল্লেখ না করে সামান্য ছাটা যাবে, বা মুশরিকদের অনুকরণ না হয় এরূপ ছাটা যাবে বলে উল্লেখ করেছেন। আবূ ইউসূফ, কিতাবুল আসার ১/২৩৪; ইবনু আবী শাইবা, আল-মুসান্নাফ ৫/২২৫; ইবনু আব্দুল র্বার, আত-তামহীদ ২৪/১৪৫-১৪৬; নববী, শারহু সহীহি মুসলিম ৩/১৪৯; কাসানী, বাদাইউস সানাইয় ২/৩২৭; মারগীনানী, হিদাইয়া ১/১২৩; ইবনুল হুমাম, শারহু ফাতহিল কাদীর ২/৩৫২; ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ১০/৩৫০; আইনী, আল-বিনাইয়া শারহুল হিদাইয়া ৩/৬৮২; ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ, মানারুস সাবীল ১/২১; মারয়ী ইবনু ইউসূফ, দলীলুত তালিব ১/২১; মুহাম্মাদ হাজাবী, আল-ইকনা ১/২০; শাওকানী, নাইলুল আওতার ১/১১০-১১২, ১৩৬; মুনাবী, ফাইদুল কাদীর ১/১৯৮, ৫/১৯৩; মুবারকপূরী, তুহফাতুল আহওয়াযী ৮/৩৬-৩৯। (৫) প্রসিদ্ধ চার মাযহাবের মধ্যে হাম্বালী ও শাফিয়ী মাযহাবের আলিমদের মতে দাড়ি যত বড়ই হোক তা ছাটা বা কাটা যাবে না; কারণ রাসূলুল্লাহ সা.তা বড় করতে ও লম্বা করতে নির্দেশ দিয়েছেন, কোনোভাবে তা কাটতে বা ছাটতে অনুমতি দেন নি। হাম্বালী মাযহাবের অন্য একটি বর্ণনা ও মালিকি মাযহাব অনুসারে একমুষ্টির অতিরিক্ত দাড়ি কর্তন করা বৈধ বা মুবাহ।হানাফী মাযহাবের দৃষ্টিতে একমুষ্টির অতিরিক্ত দাড়ি কর্তন করাই সুন্নাত। বিস্তারিত জানতে দেখুন, ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. রচিত, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স ঝিনাইদহ থেকে প্রকাশিত কুরাআন-সুন্নাহর আলোকে পোশাক পর্দাও দেহসজ্জা বইটি। পৃষ্ঠা ৩৩৬-৩৫১।
প্রশ্নঃ 852
আস-সালামুআলাইকুম। ১. সাধারনত কবর জিয়ারত করতে গেলে সেখানে সুরা ফাতিহা, সুরা নাস, সুরা ফালাক, সুরা ইখলাছ পরে দরূদ শরীফ পাঠ করে মৃত দের জন্য দোয়া করা হয়ে থাকে। আমাদের সমাজে এটাই বহুল প্রচলিত আমল হিসেবে জারি আছে। আমার প্রশ্ন হল এই প্রকারের কবর জিয়ারত কি সুন্নত সম্মত। যদি না হয় তাহলে আসা করি সুন্নত সম্মত পদ্ধতি টি জানাবেন। ২. আমার ২য় প্রশ্ন হল কোরআন শরিফ পাঠ করে অথবা অন্য কোন সূরা পাঠ করে সেটার সওয়াব মৃতদের কাছে কি হাদিয়া সরুফ পাঠানো যায়?
02 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, আপনার দুটি প্রশ্নের মূল কথা হলো কুরআন পাঠের সওয়াব মৃত ব্যক্তি পাবে কি না? সূরা ফাতিহা… ইত্যাদি মূলত পাঠ করা হয় এই উদ্দেশ্যে যে, সওয়াব মৃত ব্যক্তি পাবে। এই বিষয়ে শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সা. ও তাঁর সাহাবীগণ কখনো মৃতের জন্য কুরআন খতম, কালেমা খতম ইত্যাদি অনুষ্ঠান করেন নি। এগুলির সওয়াব মৃতব্যক্তি পাবেন বলে কোন হাদীসে বলা হয়নি। তবে, অনেক আলেম বলেছেন যে, যেহেতু দান, দোয়া, হজ্জ ইত্যাদিও সওয়াব মৃতব্যক্তি পাবেন বলে হাদীসে বলা হয়েছে, সেহেতু আমরা আশা করতে পারি যে, কুরআন তেলাওয়াত, যিকির, তাসবীহ ইত্যাদি ইবাদতের সওয়াব তাঁরা পাবেন। এহইয়াউস সুনান, পৃষ্ঠা ৩৯১। বিস্তারিত জানতে দেখুন উক্ত কিতাবের ৩৮৮-৪০০ পৃষ্ঠা।
প্রশ্নঃ 819
আসসালামু আলাইকুম। আউজুবিল্লাহ হিমিনাশশাইতোনির রাজিম। বিসমিল্লাহ-হিররাহ মানির রাহিম। (৩) বার পরার পর সুরা হাশর এর শেষ ৩ আয়াত পরলে সারাদিনের অনেক ফজিলতের কথা জানতে পারছি। আবার অনেকে বলতেছে এই আমালের নাকি ভিত্তি নাই আর হাদিস টা নাকি জঈফ। জঈফ হাদিসের উপর ভিত্তি করে আমল করলে কি কোন নেকি পাওয়া যাবে কিনা? সঠিক বিষয় টা জানালে উপকৃত হব?
01 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। এই বিষয়ে বর্ণিত হাদীসটি যইফ। এ সব ক্ষেত্রে যইফ হাদীসের উপর আমল করা যায় বলে মুহাক্কিক আলেমগণ মত দিয়েছেন। ফজিলত যদি নাও পান তেলাওয়াতের সওয়াব পাবেন । আল্লাহ ভাল জানেন।
প্রশ্নঃ 799
আসসলামু আলাকুম। নামাজে টুপি পরা কী সুন্নত? যদি সুন্নত না হয় তাহলে পরা হয় কেন? দয়া করে উত্তর টা জলদি দেওয়ার চেস্টা করিবেন
01 Jan 2026
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। রাসূলুল্লাহ সা. ও সাহাবীগণ স্বাভাবিক পোশাক হিসাবে টুপি পরতেন বলে অনেক হাদীসে পাওয়া যায়। কখনো কখনো তারা টুপি ছাড়াও চলাফেরা করতেন। শুধু নামাযের জন্য টুপি পরা সুন্নাত এই মর্মে কোন হাদীস আমরা পাই নি। তবে টুপি পরে নামায পড়া নামাযের প্রতি অনেক সময় মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাই আমাদের উচিত টুপি পরেই নামায পড়া। আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন।
প্রশ্নঃ 684
আমার প্রশ্ন হোল আপনি এর আগে কোন এক জায়গায় বলছিলেন যে, আমরা যে জানি ১৮ হাজার মাখলুকাতের কথা এটা নাকি ভুল? যে হাদিস থেকে এই থেকে এই কথা আসসে তা নাকি বানোয়াট? আপনি কি একটু কষ্ট করে আপনার এই কথার প্রমান দিতে পারেন? সত্য সুন্নাহের আলোকে কি রেফারেন্স দিয়ে উত্তর দেবেন?
31 Dec 2025
কোন হাদীসে তো নেই ১৮ হাজার মাখলুকাতের কথা তাহলে রেফারেন্স আসবে কোথা থেকে? আপনিই বলুন কোন হাদীসে আছে? রেফারেন্স দিন।
প্রশ্নঃ 678
নবী করীম (সাঃ) নামাজে কোন দরুদ পড়তেন? তিনি কী দরুদে মুহাম্মাদ (আমরা নামাজে যে দরুদ পড়ি) পড়তেন?
30 Dec 2025
সাহবীগণ রাসূলুল্লাহ (সা.) কে জিজ্ঞসা করলেন, আমরা সালাতে কিভাবে আপনার উপর দরুদ পড়বো তখন তিনি তাদেরকে আমরা সালাতে যে দরুদ পড়ি তা শিক্ষা দেন। বুখারী, মুসলিমসহ অন্যান্য কিতাবে হাদীসগুলো উল্লেখ আছে। তবে শব্দ কোথাও কমবেশী আছে। বিস্তারিত দেখুন রাহে বেলায়াত গ্রন্থে। পৃষ্ঠা ১৭৪-১৭৮।
প্রশ্নঃ 630
আসসালামুআলাইকুম, স্যার, আমার প্রশ্ন হলো ফরজ মহান আল্লাহর ঘোষিত, সুন্নত রাসুল (স:) এর। কিন্তুু ওয়াজিবের উৎস কি এবং কখন থেকে ওয়াজিব চালু হয়, দয়া করে জানাবেন। আবিদুল ইসলাম বাকেরগঞ্জ, বরিশাল
30 Dec 2025
ওয়া আলইকুমুস সালাম। সকল ফকীহ এই পরিভাষাটি ব্যবহার করেন না। তারা শুধু ফরজ আর সুন্নাতের কথাই বলেন। তবে অনেকেই ওয়াজিব পরিভাষা ব্যবহার করেন। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সুন্নাতের মধ্যে যে কাজগুলো রাসূলুল্লাহ সা. বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন সেগুলো। যেমন, বিতর সালাত। ইমাম আবু হানীফা রা. যুগ থেকেই এই পরিভাষার ব্যবহার পাওয়া যায়।
প্রশ্নঃ 619
Assalamu alaikum Prof. I have two questions:
1. Is it mandatory to follow anyone madhab? Please, Prof. explain or suggest to me one authentic book on madhab.
2. Last time I have seen some youtube video one alem (popular alem) said to another alem (popular alem) is kafir, munafiq or agent of Yehudi, Christian etc. Now, I dont understand who is really follow sunnah. So, please suggest to me some authentic books.
30 Dec 2025
মাজহাব বিষয়ে স্যারের রহ. মতামত জানতে আমাদের দেয়া ১৬৯নং প্রশ্নের উত্তর দেখুন। ২। আমাদের উচিৎ ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা করা। যারা এমন বলেন তারা সঠিক বলেন না। মানুষ কখন কাফের হয় জানতে দেখুন, স্যারের ইসলামী আকীদা বইটি।
প্রশ্নঃ 535
আমি প্রতিদিন দিনে রাতে বিভিন্ন দোয়া, দুরুদ ও কুরআনের সুরা পড়ি। এভাবে সবসময় দোয়া করা যাবে কিনা,আর এরকম সবসময় দোয়া করা কি সুন্নাতের পরিপন্থী হবে,দয়াকরে জানাবেন।
29 Dec 2025
দিনে-রাতে সবসময় দোয়া, দরুদ ও কোরআন তিলাওয়াতসহ যে কোন ধরণের যিকিরে মশগুল থাকা অনেক বড় সাওয়াবের কাজ। ত বে রাসুল সা. যে সময়ে যে যিকর ও দোয়া করছেন সে সময়ে সে দোয়া ও যিকর করলে অনেক সাওয়াব ও নেকী অর্জন করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন,প্রফেসর ড.আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ. লিখিত রাহে বেলায়েত এর শেষ অধ্যায়।
প্রশ্নঃ 533
Aslamualaikum. ভাত খাওয়ার সময় ডান হাত দিয়ে পানি সূন্নত। কিন্তু পালন না করলে কী গোনা হবে? একই হাতে ভাত খাওয়া আর পানি খেলে পানির পাত্র খারাপ দেখতে হয়। খারাপ দেখা সূন্নাত এর খেলাপ না? এ বিষয়ে একটু বলতেন?
29 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। ডান হাত দিয়ে খাওয়াই সুন্নাত। দুএকবার যদি কেউ বাম হাত দিয়ে পানি পান করে, তাহলে গুনাহ হবে,এটা বলা মশকিল কিন্তু কাজটি যে অনুত্তম এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু যদি কেউ নিয়মিত বাম হাতে পান করার অভ্যাস গড়ে তোলে তাহলে তা হবে সুন্নাত বিরোধিতা, আর এমনটি হলে তো গুনাহ হবেই। পানি পান করার সময় ডান হাতের উপরে গ্লাস রেখে বাম হাতে ধরে, পান করা যেতে পারে, তাহলে ডান হাতে পান করছে বলেই ধরা হবে।
প্রশ্নঃ 511
নিয়ত তো অন্তরে করতে হয় অর্থাৎ নিয়ত পড়তে হয় না। যাই হোক মনে করুন আমি কোন ওয়াক্তের সালাতের ইমামতি করব, আর এই ক্ষেত্রে আমি কিভাবে নিয়ত করব? যেহেতু আমি তখন ইমাম হয়ে সালাত আদায় করব।
29 Dec 2025
নিয়ত হচ্ছে হ্নদয়ের ইচ্ছা। সুতরাং ইচ্ছাটাই এখানে মুখ্য। মুখে নিয়ত করা না করা কোন বিষয় নয়। মুখে নিয়ত করার কথা হাদীসে উল্লেখ নেই তাই মুখে নিয়তের বিশেষ কোন ফজিলত নেই। ইমামতি করার সময় আমি নামায পড়াচ্ছি এতটুকু মনে রাখতে হবে।
প্রশ্নঃ 376
বর্তমানে দেখা যায় যে, মৃত ব্যাক্তির মাটি দেয়া কে কেন্দ্র করে সময়ের অভাবে ও অতিরিক্ত ভিড়ের কারনে দোওয়া পড়ে ঝুড়িতে মাটি দেওয়া এবং ওই মাটি কবরের উপরে ঢেলে দেওয়া হয় তা কেমন?
এরুপ মাটি দিলে কি সওয়াব অর্জন হবে?
কুরান সুন্নাহ ও ফিকহা কিতাবের দলিল দিয়ে জনালে খুব উপকৃত হব।
28 Dec 2025
এই কাজটি বিদআত। এর থেকে বিরত থাকতে হবে।
প্রশ্নঃ 374
ami dr.abdullah jahangir sir er aih-ea-us sunan, rahe balayet, monajat o namaj boi porasi and bar bar portesi . amer mone namajer modhe dua monajat bisoea kiso prosno jagase kindly sir amake answer diben khob bipode asi, ai dua / monajat korte gea bid-at na hoea jai?
1. eaka or jamat e foroj namaj sese dua masura porer por onno kono dua pora jabe ki? or allah r kase banglai kono kiso chaoa jabe ki?
2. eaka foroj namaj porar por haat tule monajat kora jabe ki?
3. tahajoot namaj e dua masura porer por salam firanor agae allahr kase banglai kiso chaoa jabe ki? naki salam firanor por haat tule masnoon dua pore banglai allahor kase kiso chaite hobe?
28 Dec 2025
দু’আ মাসূরা অর্থ কুরআন কিংবা হাদীস শরীফে বর্ণিত দুআ। সুতরাং ফরজ সালাতের শেষ বৈঠকে আপনি এক বা একাধিক দুআ মাসূরা পড়তে পারেন। তবে দুআ মাসূরা ব্যতিত অন্য কোন দুআ কিংবা বাংলায় দুআ করা যাবে না। আর ফরজ নামায শেষে আপনি হাত তুলে দুআ করতে পারবেন, কোন সমস্যা নেই।
প্রশ্নঃ 292
আস্সালামু আলাইকুম
আমি একজন ছাত্র হিসেবে লেখাপড়ায় ভালো করতে চাই এখন আত্মবিশ্বাস কিভাবে সুন্নাহসম্মতভাবে বাড়াব?
27 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আপনি রাহে বেলায়াত বইটি সংগ্রহ করুন। ওখানে অনেক দুয়া-জিকির আছে। আপনি সেখান থেকে সকাল সন্ধার দুয়া-জিকির গুলোসহ অন্যান্য দুয়া নিয়মিত পাঠ করুন। ইনশাআল্লাহ আপনার আত্ম বিশ্বাস বাড়বে।
প্রশ্নঃ 278
I live in UK. It is very difficult to make Wadu when I go outside. Some times no facilities for Wadu. My question If I wash Hand, Head face according to Sunna (In a basin), Can I do Massa on feet? If Yes? Then how? Jajak-Allah.
27 Dec 2025
আপনি অফিসে আসার পূর্বে ওযু অবস্থায় চামড়ার মোজা অথবা কাপড়ের মোটা মোজা পরে নেবেন। এই অবস্থায় পা মাসেহ করবেন আর অন্যান্য অঙ্গ ধুবেন। আশা করি সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
প্রশ্নঃ 249
মুহতারাম, আস-সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন: জান্নাতে যাওয়ার জন্য হাদিসের আলোকে কিছু কাজের কথা জানতে চাঁই।
27 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
পুরুরষেরা স্বর্ণের অলংকার পরতে পারবে না কিন্তু মহিলাদের জন্য স্বর্ণালংকার পরার কোন নিষেধাজ্ঞা হাদীসে নেই। নিচের হাদীসদুটি লক্ষ্য করুন:
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِى حَبِيبٍ عَنْ أَبِى أَفْلَحَ الْهَمْدَانِىِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ زُرَيْرٍ – يَعْنِى الْغَافِقِىَّ – أَنَّهُ سَمِعَ عَلِىَّ بْنَ أَبِى طَالِبٍ – رضى الله عنه – يَقُولُ إِنَّ نَبِىَّ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- أَخَذَ حَرِيرًا فَجَعَلَهُ فِى يَمِينِهِ وَأَخَذَ ذَهَبًا فَجَعَلَهُ فِى شِمَالِهِ ثُمَّ قَالَ ্র إِنَّ هَذَيْنِ حَرَامٌ عَلَى ذُكُورِ أُمَّتِى
হযরত আলী রা. বলেন, একদা নবী সা. রেশম তুল ধরলেন এবং সেটা ডান হাতে রাখলেন ও এবং স্বর্ণ তুলে ধরলেন এবং সেটা বাম হাতে রাখলেন। অত:পর বললেন, অবশ্যই এই দুটি বস্তু আমার উম্মাতের পুরুষদের জন্য হারাম। সুনানু আবু দাউদ, হাদীস নং ৪০৫৯; সুনানু নাসায়ী হাদীস নং ৫১৪৪-৪৫-৪৬। হাদীসটি সহীহ। শায়খ আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِى هِنْدٍ عَنْ أَبِى مُوسَى الأَشْعَرِىِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- قَالَ حُرِّمَ لِبَاسُ الْحَرِيرِ وَالذَّهَبِ عَلَى ذُكُورِ أُمَّتِى وَأُحِلَّ لإِنَاثِهِمْ
অর্থ: আবু মুসা আশয়ারী রা. বলেন, রেশমের পোশাক ও স্বর্ণালংকর আমার উম্মতের পুরুষদেন জন্য হারাম করা হয়েছে আর মহিলাদের জন্য হালাল করা হয়েছে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ১৮২৪। ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। শায়খ আলবানী রহ. বলেছেন, সহীহ। এই সহীহ হাদীসদুটির মাধ্যমে স্পষ্ট যে, মহিলাদের জন্য স্বর্ণালংকার পরা জায়েজ। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন।
প্রশ্নঃ 248
আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সুন্নাহ্ অনুসারে দোরুদ কয়টি ও কি কি?
27 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। হাদীস শরীফে অনেকগুলো দরুদ বর্ণিত আছে। ছয়টি মাসনূন দরুদ সহ দরুদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন, আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত
রাহে বেলায়ত বইটির ১৭৩-১৯৮পৃষ্ঠা।
প্রশ্নঃ 235
কোন বক্তব্ব রাখার আগে বিসমিল্লাহ বলা সুন্নাহ না আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত? সুন্নার আলকে জানালে খুশি হব।
24 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। রাসূলুল্লাহ সা. হামাদ দ্বারা বক্তব্য শুরু করতেন মর্মে অনেকগুলো হাদীস বর্ণিত আছে। তাই হামদ দ্বারা বক্তব্য শুরু করা উচিত। নিচের হাদীসটি দেখুন:
عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُومُ ، فَيَخْطُبُ ، فَيَحْمَدُ اللَّهَ ، وَيُثْنِي عَلَيْهِ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ ، وَيَقُولُ : مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلاَ هَادِيَ لَهُ ، إِنَّ خَيْرَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللهِ ، وَخَيْرَ الْ هَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ ، وَشَرَّ الأُمُورِ مُحْدَثَاتُهَا ، وَكُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ ، وَكَانَ إِذَا ذَكَرَ السَّاعَةَ احْمَرَّتْ وَجْنَتَاهُ ، وَعَلاَ صَوْتُهُ ، وَاشْتَدَّ غَضَبُهُ كَأَنَّهُ مُنْذِرُ جَيْشٍ، صَبَّحَكُمْ مَسَّاكُمْ . مَنْ تَرَكَ مَالاً فَلِلْوَرَثَةِ ، وَمَنْ تَرَكَ ضَيَاعًا أَوْ دَيْنًا فَعَلَيَّ وَإِلَيَّ ، وَأَنَا وَلِيُّ الْمُؤْمِنِينَ.
অর্থ: জাবের রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. খুতবা দেয়ার জন্য দাঁড়ালেন। অতঃপর আল্লাহর হামদ ও ছানা করলেন…। মুসনাদু আহমাদ হাদীস নং ১৫০২৬। শায়খ শুয়াইব আর-নাউত বলেছেন, হাদীসটির সনদ সহীহ। এই হাদীসে আমরা দেখতে পাচ্ছি রাসূলুল্লাহ সা. হামাদ দ্বারা বক্তব্য শুরু করেছেন। আরো অনেকগুলো সহীহ হাদীসে এমনটি বর্ণিত আছে। দেখুন, সুনানু নাসায়ী, হাদীস নং ৩২৭৮; সহীহ মুসলিম হাদীস নং ২০৪৫।
প্রশ্নঃ 223
মুহতারাম, আস সালামু আলাইকুম। আমার প্রশ্ন: ইসলাম সম্পর্কে জানা এবং হিদায়েত এর পথে চলার ক্ষেত্রে জাহাঙ্গির স্যার এর ভুমিকা আমার জীবনে ব্যাপক। স্যার এর সবগুল বই আমার সংগ্রহে আছে এবং আমি তা নিয়মিত অধ্যায়ণ করি। অতপর আমার জানার বিষয় হল:
১. ঈসলামের ইতিহাস সম্পর্কিত সবচেয়ে সহিহ বই কোনটি কোনটি?ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত ঈসলামের ঈতিহাস মাওলানা আকবার শাহ খান নাজিদাবাদি বইটি কি পরা যাবে?
২. আমি PRIVATE JOB করি, বাছর দুই-তিনেক আগে নিয়ত করি যে জীবনের শেষদিন পুর্যন্ত কুরান হিফজ করতে থাকব….সেমতে চেষ্টা করে প্রাই ৬০ টি সুরা মুখস্ত করেছি (আলহামদুলিল্লাহ). কিন্তু যেহেতু আমি তহাজ্জুদ আদায় করকে পারি না এবং হিফজ করতে যথেষ্ঠ সময় লাগে, তাই এখন হিফজ মনে রাখা কঠি হয়ে গেছে। ফলে আমাকে নতুন হিফজ করার চেয়ে পুরাতনগুলো রিভাইজ করতে বেশি সময় দিতে হয়…এই অবস্থায় আমার করণীয় কি?
(আমার বয়স ৩২, আমি বিবাহিত এবং আমার ১টি ছেলে আছে যর বয়স ৭ বছর বাক্তিগত জীবনে দ্বীন-ইসলামপালনের ক্ষেত্রে পরামর্শ দিবেন
24 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
১। হ্যাঁ, উক্ত বইটি পাঠ করা যেতে পারে।
২। আপনি কুরআন যতটুকু মুখস্ত করেছেন তা ভালভাবে মুখস্ত রাখুন। আর বাকিটুকু আপনার সামর্থনাযুয়ী হিফজ করার চেষ্টা করুন। এরপরও যদি কোন অংশ ভুলে যান তাহলে আশা করা যাই আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করে দিবেন।
প্রশ্নঃ 219
আসসালামু আলাইকুম! ঊস্তাদ! আমি আপনার নিয়মিত শ্রোতা এবং আপনার বইগুলির একজন পাঠক। আমি আপনার খুতবা সম্পর্কিত বইটি পড়ছিলম। মাশাল্লাহ এখানে আপনি গভির পর্জালচোনা করেছেন। আমার প্রশ্ন হল মাতৃভাষায় খুতবা দেওয়ার অভিমতটি বাংলাদেশ এর অনেক আলেম সহজ ভাবে মেনে নিতে চাবেন না। যেমন আমি http://ahlehaqmedia.com/ আহ্লেহাক্মেদিয়া। চম এ খুতবা বিশৈয়ক পস্ত গুল দেখছিলাম। ষেখানে আলেম গন এর কতর বিরধিতা করেছেন। এবং তাদের সপক্কে অনেক জুক্তি দেখিয়েছেন। ঊস্তাধ! এখন আমার প্রস্ন হচ্ছে জে ঐক্ক রক্ষার খেত্রে কি এই বিসৈ নিয়া আমি তাদের সাথে আলছনা আরিয়ে জেতে পার্ব? জাযাকাল্লাহ খাইর!
24 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
ঐক্য রক্ষার খাতিরে আলোচনা করতে গিয়ে আপনি ঐক্য রক্ষা করতে পারবেন বলে মনে হয় না। সুতরাং এই সব থেকে আপনার বিরত থাকায় উচিৎ।
প্রশ্নঃ 186
আমার প্রশ্নঃ ১। সাহাবাদের নামের শেষে আমরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলে দুয়া করি। এবং আগের নবিদের ক্ষেত্রে আমরা আলাইহিস সালাম বলে দুয়া করি। কিন্তু আগের নবিদের স্ত্রি বা মাতা (আসিয়া/ হাযেরা/সারাহ) ক্ষেত্রে দুয়ার জন্য কি ব্যবহার করব? রাদিয়াল্লাহু আনহু না আলাইহিস সালাম? আল্লাহ আপনাকে উত্তম বদলা দান কারুন। আমিন।
23 Dec 2025
এক্ষেত্রে ইসলাম কোন কিছু নির্দিষ্ট করে দেয়নি। আপনার কাছে যে দোয়াটি ভাল লাগে আপনি সে দোয়াটি পড়তে পারেন। তবে সাধারণত আলাইহাস সালাম পড়া হয়।
প্রশ্নঃ 169
Assalamualaikum, sir,I want to know about la majhabi. If i do not follow only one imam its call la majhab in our socity. but I try to my best what i known about hadith to follow. I am not a student of madrasa do not read in islamic study. I accept some alem who are in sohi akdia (that i mind) as example Abdullah jahangir, motiur rahman madani, mufti kazi ibrahim, abdur razzak bin yousuf, sohidullah khan madani. kamal uddin jafari also some other alem. If it is Enough for me to pray for allah? Or i am needed to follow any imam from our 4 imam. Hope you will understand my Quistion.
23 Dec 2025
Wa Alaikumus Salam Wa Rahmatullah. What you do is the same that the followers of Madhabs do. They also accept some scholars and follow them. The main duty of a Muslim is to follow the Quran and Sunnah. But the most of the muslims can not study them. So the depend of mazhabs or scholars. You should try your best to study the Quran and sunnah yourself. If not possible, you should follow one Alim and make your decision depending on Sunnah, not on your personal trend or choice.
প্রশ্নঃ 161
পায়ে হাত দিয়ে সালাম করার বিধান
23 Dec 2025
বিস্তারিত জানতে
এহইয়াউস সুনান (৩৮৬পৃষ্ঠা থেকে ৩৮৮পৃষ্ঠা) পড়ুন। এক কথায় এরূপ করা সুন্নাত নয় ও ইসলামী আদব নয়।
প্রশ্নঃ 105
Salam, before sleeping, Is it sunnah to keep the head in the north direction?
22 Dec 2025
না, উত্তর দিকে মাথা রেখে ঘুমানো সুন্নাত নয়। তবে ডান কাঁধে ঘুমানো সুন্নাত। হযরত বারা ইবনে আযিব রা. বলেন,
كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَوَى إِلَى فِرَاشِهِ نَامَ عَلَى شِقِّهِ الأَيْمَنِ
অর্থ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বিছানায় আসতেন তখন ডান কাঁধের উপর ঘুমাতেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৩১৫
প্রশ্নঃ 90
ami dr.abdullah jahangir sir er aih-ea-us sunan, rahe balayet, monajat o namaj boi porasi and bar bar portesi . amer mone namajer modhe dua monajat bisoea kiso prosno jagase kindly sir amake answer diben khob bipode asi, ai dua / monajat korte gea bid-at na hoea jai?
1. eaka or jamat e foroj namaj sese dua masura porer por onno kono dua pora jabe ki? or allah r kase banglai kono kiso chaoa jabe ki?
2.eaka foroj namaj porar por haat tule monajat kora jabe ki?
3.tahajoot namaj e dua masura porer por salam firanor agae allahr kase banglai kiso chaoa jabe ki? naki salam firanor por haat tule masnoon dua pore banglai allahor kase kiso chaite hobe?
21 Dec 2025
দুআ মাসূরা অর্থ কুরআন কিংবা হাদীস শরীফে বর্ণিত দুআ। সুতরাং ফরজ সালাতের শেষ বৈঠকে আপনি এক বা একাধিক দুআ মাসূরা পড়তে পারেন। তবে দুআ মাসূরা ব্যতিত অন্য কোন দুআ কিংবা বাংলায় দুআ করা যাবে না। আর ফরজ নামায শেষে আপনি হাত তুলে দুআ করতে পারবেন, কোন সমস্যা নেই।