আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট এ আপনাকে স্বাগতম

প্রশ্নোত্তর

ক্যাটাগরি
সব প্রশ্ন অর্থনৈতিক আকিকা আকীদা নামায আখিরাত ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আদব আখলাক ইতিহাস ঈদ-কুরবানী ঈমান তাওহীদ রিসালাত জানাযা-কবর যিয়ারত জান্নাত-জাহান্নাম জিহাদ তাফসীর ত্বহারাত পবিত্রতা সফর জুমআ তারাবীহ নফল সালাত বিতর পোশাক-পরিচ্ছেদ ফারায়েজ ফিতরা বিচার-আচার বিবাহ-তালাক মানত যাকাত যিকির/দুআ/আমল রোজা লেনদেন শিরক-বিদআত সাধারণ দান-সদকাহ সিরাত/সামায়েল সুন্নাত হজ্জ হাদীস ও উসূলুল হাদীস হালাল হারাম বিবিধ কুরআন হাদীস বাতিল ফিরকা দাওয়াত ও তাবলিগ জাদু-টোনা মসজিদ মুসাফির রমযান সুদ-ঘুষ হালাল ইতিকাফ কাজা/কাফফারা গুনাহ জায়েয তায়াম্মুম ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ বিদআত কসর তাওবা জিন-পরি ব্যবসা-বাণিজ্য বই অসিয়ত
প্রশ্নঃ 2074
মুহতারাম, আস-সালামু আলাইকুম। আমাদের সমাজে একটি কথা প্রচলিত আছে যে, জান্নাতে যেতে হলে পুল সিরাত নামক একটি পুল বা ব্রিজ পার হয়ে সেখানে পৌছতে হবে। এ বিষয়ে কোরাণ বা হাদিস ভিত্তিক কোন দলিল আছে কি? দয়া করে জানাবেন। মা আসসালাম
18 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সাালাম। কিয়ামতের দিন জাহান্নামের উপর একটি ব্রীজ থাকবে যা পার হয়ে মানুষকে জান্নাত যেতে হবে। এটা বহু সহীহ হাদীসে প্রমাণিত এবং মুসলিম উম্মাহ এই বিষয়ে একমত। যেসব হাদীসে এই বিষেয়ে বর্ণিত আছে তার কয়েকটির তথ্যসূত্র হলো, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৫৭৩, ৭৪৩৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২৯; সুনানু ইবনু মাজাহ, হাদীস নং ৪২৮০।

প্রশ্নঃ 1912
সুরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াতের মাঝের অংশে বলা হয়েছে কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তার কাছে তার অনুমতি ছাড়া? মাআরেফুল কোরআনের তাফসিরে বলা হয়েছে তবে আল্লাহর কিছু খাস বান্দা আছেন, যারা তার অনুমতি সাপেক্ষে তা করতে পারবেন, অন্যথায় নয়। এর পর রাসুল (সাঃ) এর সর্বপ্রথম সুপারিশ এর ব্যাপারে বলা হয়েছে। – এই কিছু খাস বান্দা তা করতে পারবেন সম্পর্কে জানতে চাই। তারা কারা হতে পারে? এতে কি বায়াত হওয়া / কোন ব্যাক্তি ওছিলা হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে?
16 Jan 2026

দেখুন আল্লাহর কাছ প্রিয় এমন কোন বান্দাকে আল্লাহ সুযোগ দিতে পারেন, তার মানে এই নয় ইচ্ছা করলেই পারবে। এই বান্দারা নবী হতে পারেন কিংবা আল্লাহর প্রিয় অন্যরাও হতে পারে। এতে বায়াত হওয়ার কোন সুযোগ সৃষ্টি হয় নি। কারণ ইচ্ছা করলেই তো তারা সুপারিশ করতে পারবে না। বরং প্রচলিত বায়াতকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এই বলে যে, আল্লাহর কাছে অনুমতি ব্যতিত সুপারিশের কোন সুযোগ নেই।

প্রশ্নঃ 1598
আসসালামুয়ালাইকুম। কবরের আজাব নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাই। অনেকে বলেন কবরে নিদ্রা অবস্থায় থাকবে। জান্নাত বা জাহান্নাম হবে শেষ বিচারের পর। কারন সূরা ইয়াসিন, আয়ার নং ৫১-৫২ তে আল্লাহ্ বলেনঃ শিংগায় ফুঁক দেয়া হবে তখনই তারা কবর থেকে তাদের পালনকর্তার দিকে ছুটে চলবে। তারা বলবে হায় আমাদের দুর্ভোগ কে আমাদেরকে নিদ্রাস্থল থেকে উখিত করল? রহমান আল্লাহ তো এরই ওয়াদা দিয়েছিলেন এবং রসূলগণ সত্য বলেছিলেন।
07 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কবরের আজাব সত্য। আলেমগণ এই বিষয়ে একমত। অনেকগুলো হাদীসে কবরের আজাবের বিষয়টি পাওয়া যায়। নিচের হাদীসটি থেকেও কবরের আজাবের বিষযটি জানা যায়। قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى قَبْرَيْنِ فَقَالَ إِنَّهُمَا لَيُعَذَّبَانِ وَمَا يُعَذَّبَانِ مِنْ كَبِيرٍ ، ثُمَّ قَالَ – بَلَى أَمَّا أَحَدُهُمَا فَكَانَ يَسْعَى بِالنَّمِيمَةِ وَأَمَّا أَحَدُهُمَا فَكَانَ لاَ يَسْتَتِرُ مِنْ بَوْلِهِ قَالَ ثُمَّ أَخَذَ عُودًا رَطْبًا فَكَسَرَهُ بِاثْنَتَيْنِ ثُمَّ غَرَزَ كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا عَلَى قَبْرٍ ثُمَّ قَالَ لَعَلَّهُ يُخَفَّفُ عَنْهُمَا مَا لَمْ يَيْبَسَا. অর্থ: ইবনে আব্বাস রা. বলেন, একবার নবী সা. দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, তাদেরকে আযাব দেয়া হচ্ছে তবে বড় কোন পাপের জন্য নয়…(সংক্ষিপ্ত)।সহীহ বুখারী হাদীস নং ১৩৭৮। সুতরাং কবরের আজাবের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নতোলার কোন সুযোগ নেই। এবার আমরা উক্ত আয়াতটির তাফসীর দেখবো। হাফেজ ইবনে কাসীর রহ. এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, يعنون: [من] (7) قبورهم التي كانوا يعتقدون في الدار الدنيا أنهم لا يبعثون منها، فلما عاينوا ما كذبوه في محشرهم { قَالُوا يَا وَيْلَنَا مَنْ بَعَثَنَا مِنْ مَرْقَدِنَا } ، وهذا لا ينفي عذابهم في قبورهم؛ لأنه بالنسبة إلى ما بعده في الشدة كالرقاد. যারা দুনিয়াতে থাকা অবস্থায় মনে করতো তারা কবর থেকে আরা তারা উঠবে না যখন তারা হাশরের মাঠে তাদের ধারণাকে মিথ্যা দেখতে পাবে তখন তারা বলবে, হায় আমাদের দুর্ভোগ কে আমাদেরকে নিদ্রাস্থল থেকে উখিত করল। এটা কবরের আজাবের সাথে সাংঘর্ষিক কোন বিষয় নয়, কেননা কবর থেকে উঠার পরে যে আযাব হবে তার তুলনায় কবরের আজাব অনেকটা বিছানার মত। তাফসীরে ইবনে কাসীর, উক্ত আয়াতের তাফসীর, সূরা ইয়াসিন, আয়াত ৫১-৫২। ইবনে কাসীর রহ. এর বক্তব্য থেকে আমরা জানলাম যে, কবরের আযাব জাহান্নামের আযাবের তুলনায় অনেক কম তাই আল্লাহ তায়ালা কুরআনে নিদ্রাস্থল বলেছেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

প্রশ্নঃ 1565
আস-সালামু আলাইকুম, আমার কেরাত শুদ্ধ না। আমি মিল করে দেখলাম অনেক ভুল। আমি ভুলগুলো ঠিক করার চেষ্টা করতেছি। কিন্তু আমার মনোযোগ শুধু কেরাত হছে না এই দিকে থাকে। এটি নামাজ ভঙ্গের কারন। ফলে আমার মনে হচ্ছে আমার নামায হচ্ছে না। দিন দিন নামাযের আগ্রহ এর জন্য কমে জাচ্ছে। আমার শিরকসহ সব গুনাহ আছে। আমি ঠিক মতো আন্তরিক হতে পারছি না। আমি আমার সব গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে আন্তরিক হতে পারছি না। আমার গুনাহের কাজের আগ্রহ বেড়ে গেছে। আমি এখন এর থেকে ফিরতে চাই।
07 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। ভালো কুরআন পড়তে পারে এমন কারো কাছে কয়েক দিন পড়লেই তো আপনার কেরাত শুদ্ধ হয়ে যায়। সেটা না করে কেন আপনি অন্য দিকে ছুটছেন, তা বোধগম্য নয়। এসব মানসিক সমস্যা থেকে উদ্ধার পাওয়ার একটাই সহজ সমাধান সব কিছু বাদ দিয়ে নামায আদায় করা যায় এমন পরিমাণ কয়েকটি সূরা দ্রুত শুদ্ধ করে শিখে ফেলুন।

প্রশ্নঃ 1478
Assalamualiqum. Mohtaram. Porokalay/akheratay kono musolmanki tar babmayer sakkhat pabay/chintay parbay? Maassalam.
06 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, পারবে। কিয়ামতের দিন বা আখেরাতে মানুষ তাদের পরিচিতদের চিনতে পারবে। এই বিষয়ে কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, فَإِذَا جَاءتِ الصَّاخَّةُ (33) يَوْمَ يَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ أَخِيهِ (34) وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ (35) وَصَاحِبَتِهِ وَبَنِيهِ অত:পর যখন বিরাট আওয়াজ (কিয়ামত) আসবে, সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, তার মা ও তার বাবা থেকে, তার স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি থেকে। সূরা আবাসা, আয়াত ৩৩-৩৫। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

প্রশ্নঃ 1296
আস-সালামু আলাইকুম। আমার বিগত প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য আপনাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজকের প্রশ্নঃ আমি একজন সরকারি কর্মচারী। বিগত প্রায় ১৫ বছর যাবত চাকুরীরত রয়েছি। আমি বিভিন্ন সময়ে অফিসের কাগজ, কলমসহ অন্যান্য স্টেশনারি মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছি। অথবা অফিসের প্রিন্টার হতে ব্যক্তিগত বিভিন্ন কিছু প্রিন্ট করেছি। এখন প্রশ্ন হলোঃ # এতে আমার কী ধরনের গুনাহ হয়েছে? # এ গুনাহ হতে আমাকে কিভাবে ক্ষমা লাভ করতে পারি?
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি আনুমানিক কিছু টাকা সরকারী কোষাগারে দিতে পারেন।

প্রশ্নঃ 1271
Assalamualiqum. Mohtaram. Porokalay/akheratay kono musolmanki tar babmayer sakkhat pabay/chintay parbay? Maassalam.
05 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, পারবে। কিয়ামতের দিন বা আখেরাতে মানুষ তাদের পরিচিতদের চিনতে পারবে। এই বিষয়ে কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, فَإِذَا جَاءتِ الصَّاخَّةُ (33) يَوْمَ يَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ أَخِيهِ (34) وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ (35) وَصَاحِبَتِهِ وَبَنِيهِ অত:পর যখন বিরাট আওয়াজ (কিয়ামত) আসবে, সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, তার মা ও তার বাবা থেকে, তার স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি থেকে। সূরা আবাসা, আয়াত ৩৩-৩৫। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

প্রশ্নঃ 1259
১/ হাশরের মাঠে মানুষের ৭২/৭৩ কাতার হবে বলে জানি কিন্তু প্রশ্ন হল শুধু মুসলমানদের মধ্যে কি ৭২/৭৩ কাতার হবে নাকি ইহুদী খ্রিন্টান ও সকল মানুষের মধ্যে? ২/ দয়া করে আপনার নাম ও আপনার মোবাইল নাম্বার দিবেন কারণ লিখতে সমস্যা হয়?
05 Jan 2026

হাদীসে আছে। وَتَفْتَرِقُ أُمَّتِي عَلَى ثَلَاثٍ وَسَبْعِينَ مِلَّةً অর্থাৎ আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৪১।ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন এবং শায়খ শুয়াইব আর নাউ্ত হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। মুহাদ্দিসগণ বলেছের, এখানে উম্মত বলেত যারা নিজেদেরকে মুসলিম দাবি করে তারা্ উদ্দেশ্য। অন্য ধর্মের অনুসারীরা নয়। তুহফাতুল আহওয়াযী, ৬/৪৪০। ভাই, মোবাইলে প্রশ্ন করার জন্য এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01762629405।

প্রশ্নঃ 953
আস-সালামু আলাইকুম। হুজুর আমি জান্নাতের স্ত্রী সম্পরকে জানতে চাই। হুজুর আমি একজনকে পছন্দ করি। আমাদের মাঝে সম্পর্ক ছিল না, তেমন যোগাযোগও ছিল না। কিন্তু আমি সর্বদা ওকে বিয়ে করার নিয়ত নিয়েই ছিলাম। সম্পর্ক এ জড়ানোর ইচ্ছাও আমার ছিল না কারন বিবাহবহির্ভূত হারাম সম্পর্ক আমি সমর্থন করি না। আমার স্বপ্ন ছিল আমি ওকে নিয়েই ইহকালে পরকালের জন্য প্রস্তুত হব। সত্যি বলতে আমি ওকে স্ত্রী হিসেবে সাথে নিয়েই জান্নাতে যাব এমন নিয়ত ছিল। দুর্ভাগ্যজনক ওর বিয়ে আমার সাথে হয়নি, কিন্তু আমি এখনো ওকে নিয়েই জান্নাতে যেতে চাই। আমি একটি হাদিসে পেয়েছি পছন্দের স্বামির সাথে স্ত্রী জান্নাতে যাবে যদি দুজনই জান্নাতে যায়। আরেকটি মতামত পেয়েছি শেষ স্বামির সাথে জান্নাতে যাব। কিন্তু কোথাও পাইনি ইহকালের স্বামি ছাড়া অন্য কারো সাথে জান্নাতে যাবে যদি বিবাহিত এবং দুজনই জান্নাতে যায়। হুজুর আমি জানতে চাই আমি কি তাহলে ওকে জান্নাতে স্ত্রী হিসাবে পাব না যদি আমি জান্নাতে যাই এবং ওকে জান্নাতে স্ত্রী হিসাবে চাই? বিভিন্নরকম মতামত যা অধিকাংশ ওকে স্ত্রী হিসাবে না পাওয়ার পক্ষে মতামত দেখে আমি সত্যি হতাশ হয়ে পড়েছি কারন বিশ্বাস ছিল জান্নাতে ওকে স্ত্রী হিসাবে পাব। হুজুরের কাছে আমার জন্য দুয়ার অনুরোধ রইল।
03 Jan 2026

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, জান্নাতে আপনি যা চাবেন তাই পাবেন। মানুষের সকল চাহিদা জান্নাতে পূরণ করবেন আল্লাহ তায়ালা। অন্য একজনে স্ত্রীকে নিয়ে এমন ভাবা কোন মূমিনের কাজ হতে পারে না। এভাবে যদি ভাবতে থাকেন তাহলে কখনো পাপে জড়িয়ে পড়তে পারেন। সুতরাং এইসব ভাবনা অবিলম্বে ছেড়ে দিন। কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনকে পরিচালিত করুন, আপনার সকল চাওয়া জান্নাতে পূরণ করা হবে।

প্রশ্নঃ 803
আল কুরআনে ১. সূরা ইয়াসিন ২. সূরা আর রহমান ৩. সূরা আল ফাতিহা ৪. সূরা আল মূলক ৫. সূরা ওয়াকিয়া ৬. সূরা নূহ ৭. সূরা আল জুমা ৮. সূরা মুজাম্মিল ৯. সূরা নাবা। প্রতিদিন এই সূরাগুলো পড়লে কি উপকার আছে। দয়াকরে আল হাদীসের আলোকে জানাবেন। মহান আল্লাহ পাক আপনাদের আস-সুন্নাহ ট্রাস্টকে কবুল করুক। আমীন!
01 Jan 2026

কুরআন পড়াতো সওয়াবের কাজ। প্রতিটি হরফে সওয়াব সুতরাং উপকার তো হবেই । অপনার যদি স্পেশাল কোন ফজিলত সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা হয় তাহলে বিস্তারিত লিখে পাঠান। কোন ফজিলত কোন সূরা ইত্যাদী। প্র্রশ্ন ছোট করবেন দয়া করে।

প্রশ্নঃ 382
আসসালামুয়ালাইকুম। ছেলে ও মেয়ের অবৈধ সম্পর্কের এক পর্যায় একটা ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। পরে তারা বিবাহ করে। এখন এই ছেলে কি জারয সন্তান হবে তাদের বিবাহের পরও?
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম।
অবৈধ সম্পর্কের ফলে জন্ম নেয়া সন্তানের নসব অর্থাৎ বংশ তার পিতার (যার ঔরসে জন্ম) থেকে সাব্যস্ত হবে না । জারজ হিসাবেই সাব্যস্ত হবে। তবে একটা কথা মনে রাখতে হবে এখানে অপরাধ বাবা-মায়ের, সন্তানের কোন অপরাধ নেই, তাই সন্তানকে কোন প্রকারের হেয় করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,
: أَيُّمَا رَجُلٍ عَاهَرَ بِحُرَّةٍ أَوْ أَمَةٍ فَالوَلَدُ وَلَدُ زِنَا لاَ يَرِثُ وَلاَ يُورَثُ.
যখন কোন লোক কোন স্বাধীন মহিলা কিংবা বাদীর সাথে ব্যভিচার করে তাহলে সে সন্তান হবে ব্যভিচারের সন্তান… । সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ২১১৩। শায়খ আলবানী রহ. বলেছেন, হাদীসটি সহীহ।
প্রশ্নঃ 377
assalamualikum. I want to know hadis of tirmizi about Alaahs 99 names. is it sahih hadis and all Allahs name is right? also i want to make clear that if someone mamorize hole quran without understandig is he get reward according hadith.
28 Dec 2025
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ।
আপনি যে হাদীসটির কথা উল্লেখ করেছেন সেটি একই সনদে অনেকগুলো কিতাবে বর্ণনা করা হয়েছে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ৩৫০৭; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং ৮০৮; মুসতাদরক হাকীম, হাদীস নং ৪১। সনদসহ হাদীসটির কিছু অংশের মূল আরবী পাঠ হলো (তিরমিযী থেকে নেয়া)
; حدثنا إبراهيم بن يعقوب الجوزجاني حدثني صفوان بن صالح حدثنا الوليد بن مسلم حدثنا شعيب بن أبي حمزة عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة قال :قال رسول الله صلى الله عليه و سلم إن لله تعالى تسعة وتسعين اسما من أحصاها دخل الجنة
এই হাদীসের বিষয়ে ইাম তিরমিযী বলেন,
هذا حديث غريب حدثنا به غير واحد عن صفوان بن صالح ولا نعرفه إلا من حديث صفوان بن صالح وهو ثقة عند أهل الحديث
অর্থ: এই হাদীসটি গরীব, সফওয়ান থেকে অনেকেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে সফওয়ান ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেছেন বলে জানা যায় না।আর সে মুহাদ্দিসদের নিকট ছিকাহ। অর্থাৎ ইমাম তিরমিযীর বক্তব্য হলো হাদীসটির সনদ গ্রহনযোগ্য। ইমাম যাহাবী রহ. বলেন,
لم يخرجا الأسامي لتفرد الوليد بها وليس ذا بعلة فالوليد أوثق وأحفظ من أبي اليمان وعلي بن عياش
অর্থ: ইমাম বুখারী ও মুসলিম (আল্লাহ তায়ালার) নামগুলো উল্লেখ করেননি কারন ওলীদ (একজন রাবী) একাকী বর্ণনা করেছেন। তবে এটা কোন ইল্লত (সমস্যা) নয়। কেননা ওলীদ আবিল ইয়ামান এবং আলী ইবনে আয়্যাশ থেকে অধিক ছিকাহ এবং ভাল মুখস্ত রাখেন। (উল্লেখ্য যে, সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে (আল্লাহ তায়ালার) নামগুলো ছাড়া হাদীসটি আবু হুরায়রা রা. থেকে অন্য সনদে বর্ণিত আছে। ইমাম জাহাবী সেদিকে ইশারা করেছেন)। এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, ইমাম যাহাবী রহ. হাদীসটির সনদকে সহীহ মনে করেছেন। শায়খ শুয়াইব আরনাউত বলেন, قال شعيب الأرنؤوط : رجاله ثقات অর্থ: হাদীসটির রাবীগণ ছিকাহ। (সহীহ ইবনে হিব্বান এর তালীক)। উল্লেখ্য আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, হাদীসটির সনদ সহীহ। তবে উল্লেখিত নামগুলো হাদীসের অংশ কিনা এই নিয়ে বিতর্ক আছে। এই বিষয়ে মুহাদ্দিস মুহম্মাদ ইবনে ইসমাইল আমীর সানয়ানী (মৃত্যু ১১৮২ হি.) বলেন,
…وساق الترمذي وابن حبان الأسماء والتحقيق أن سردها إدراج من بعض الرواة اتفق الحفاظ من أئمة الحديث أن سردها إدراج من بعض الرواة …
তিরমিযী ও ইবনে হিব্বান নামগুলো উল্লেখ করেছেন। তবে গবেষনালব্ধকথা হলো যে, এই নামগুলো কোন এক রাবী কর্তৃক হাদীসের মধ্যে প্রবেশ করেছে। হাফেজে হাদীসগণ একমত যে, এই নামগুলো কোন একজন রাবী থেকে হাদীসের মধ্যে প্রবেশ করা হয়েছে। সুবুলুস সালাম, ৪/১০৮। তবে এই হাদীসে উল্লেখিত নামগুলো আল্লাহ তায়ালার নাম এবং এই নামগুলে ব্যতিত আল্লাহ তায়ালার আরো নাম আছে। এই নামগুলো ছাড়া আল্লাহ তায়ালার কোন নাম নেই বিষয়টি এমন নয়।

কপিরাইট স্বত্ব © ২০২৫ আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট - সর্ব স্বত্ব সংরক্ষিত| Design & Developed By Biz IT BD