ওয়া আলাইকুমুস সাালাম। কিয়ামতের দিন জাহান্নামের উপর একটি ব্রীজ থাকবে যা পার হয়ে মানুষকে জান্নাত যেতে হবে। এটা বহু সহীহ হাদীসে প্রমাণিত এবং মুসলিম উম্মাহ এই বিষয়ে একমত। যেসব হাদীসে এই বিষেয়ে বর্ণিত আছে তার কয়েকটির তথ্যসূত্র হলো, সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৫৭৩, ৭৪৩৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩২৯; সুনানু ইবনু মাজাহ, হাদীস নং ৪২৮০।
দেখুন আল্লাহর কাছ প্রিয় এমন কোন বান্দাকে আল্লাহ সুযোগ দিতে পারেন, তার মানে এই নয় ইচ্ছা করলেই পারবে। এই বান্দারা নবী হতে পারেন কিংবা আল্লাহর প্রিয় অন্যরাও হতে পারে। এতে বায়াত হওয়ার কোন সুযোগ সৃষ্টি হয় নি। কারণ ইচ্ছা করলেই তো তারা সুপারিশ করতে পারবে না। বরং প্রচলিত বায়াতকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এই বলে যে, আল্লাহর কাছে অনুমতি ব্যতিত সুপারিশের কোন সুযোগ নেই।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। কবরের আজাব সত্য। আলেমগণ এই বিষয়ে একমত। অনেকগুলো হাদীসে কবরের আজাবের বিষয়টি পাওয়া যায়। নিচের হাদীসটি থেকেও কবরের আজাবের বিষযটি জানা যায়। قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَلَى قَبْرَيْنِ فَقَالَ إِنَّهُمَا لَيُعَذَّبَانِ وَمَا يُعَذَّبَانِ مِنْ كَبِيرٍ ، ثُمَّ قَالَ – بَلَى أَمَّا أَحَدُهُمَا فَكَانَ يَسْعَى بِالنَّمِيمَةِ وَأَمَّا أَحَدُهُمَا فَكَانَ لاَ يَسْتَتِرُ مِنْ بَوْلِهِ قَالَ ثُمَّ أَخَذَ عُودًا رَطْبًا فَكَسَرَهُ بِاثْنَتَيْنِ ثُمَّ غَرَزَ كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا عَلَى قَبْرٍ ثُمَّ قَالَ لَعَلَّهُ يُخَفَّفُ عَنْهُمَا مَا لَمْ يَيْبَسَا. অর্থ: ইবনে আব্বাস রা. বলেন, একবার নবী সা. দুটি কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, তাদেরকে আযাব দেয়া হচ্ছে তবে বড় কোন পাপের জন্য নয়…(সংক্ষিপ্ত)।সহীহ বুখারী হাদীস নং ১৩৭৮। সুতরাং কবরের আজাবের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নতোলার কোন সুযোগ নেই। এবার আমরা উক্ত আয়াতটির তাফসীর দেখবো। হাফেজ ইবনে কাসীর রহ. এই আয়াতের তাফসীরে বলেন, يعنون: [من] (7) قبورهم التي كانوا يعتقدون في الدار الدنيا أنهم لا يبعثون منها، فلما عاينوا ما كذبوه في محشرهم { قَالُوا يَا وَيْلَنَا مَنْ بَعَثَنَا مِنْ مَرْقَدِنَا } ، وهذا لا ينفي عذابهم في قبورهم؛ لأنه بالنسبة إلى ما بعده في الشدة كالرقاد. যারা দুনিয়াতে থাকা অবস্থায় মনে করতো তারা কবর থেকে আরা তারা উঠবে না যখন তারা হাশরের মাঠে তাদের ধারণাকে মিথ্যা দেখতে পাবে তখন তারা বলবে, হায় আমাদের দুর্ভোগ কে আমাদেরকে নিদ্রাস্থল থেকে উখিত করল। এটা কবরের আজাবের সাথে সাংঘর্ষিক কোন বিষয় নয়, কেননা কবর থেকে উঠার পরে যে আযাব হবে তার তুলনায় কবরের আজাব অনেকটা বিছানার মত। তাফসীরে ইবনে কাসীর, উক্ত আয়াতের তাফসীর, সূরা ইয়াসিন, আয়াত ৫১-৫২। ইবনে কাসীর রহ. এর বক্তব্য থেকে আমরা জানলাম যে, কবরের আযাব জাহান্নামের আযাবের তুলনায় অনেক কম তাই আল্লাহ তায়ালা কুরআনে নিদ্রাস্থল বলেছেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। ভালো কুরআন পড়তে পারে এমন কারো কাছে কয়েক দিন পড়লেই তো আপনার কেরাত শুদ্ধ হয়ে যায়। সেটা না করে কেন আপনি অন্য দিকে ছুটছেন, তা বোধগম্য নয়। এসব মানসিক সমস্যা থেকে উদ্ধার পাওয়ার একটাই সহজ সমাধান সব কিছু বাদ দিয়ে নামায আদায় করা যায় এমন পরিমাণ কয়েকটি সূরা দ্রুত শুদ্ধ করে শিখে ফেলুন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, পারবে। কিয়ামতের দিন বা আখেরাতে মানুষ তাদের পরিচিতদের চিনতে পারবে। এই বিষয়ে কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, فَإِذَا جَاءتِ الصَّاخَّةُ (33) يَوْمَ يَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ أَخِيهِ (34) وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ (35) وَصَاحِبَتِهِ وَبَنِيهِ অত:পর যখন বিরাট আওয়াজ (কিয়ামত) আসবে, সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, তার মা ও তার বাবা থেকে, তার স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি থেকে। সূরা আবাসা, আয়াত ৩৩-৩৫। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আপনি আনুমানিক কিছু টাকা সরকারী কোষাগারে দিতে পারেন।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জ্বী, পারবে। কিয়ামতের দিন বা আখেরাতে মানুষ তাদের পরিচিতদের চিনতে পারবে। এই বিষয়ে কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, فَإِذَا جَاءتِ الصَّاخَّةُ (33) يَوْمَ يَفِرُّ الْمَرْءُ مِنْ أَخِيهِ (34) وَأُمِّهِ وَأَبِيهِ (35) وَصَاحِبَتِهِ وَبَنِيهِ অত:পর যখন বিরাট আওয়াজ (কিয়ামত) আসবে, সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে তার ভাই থেকে, তার মা ও তার বাবা থেকে, তার স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি থেকে। সূরা আবাসা, আয়াত ৩৩-৩৫। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
হাদীসে আছে। وَتَفْتَرِقُ أُمَّتِي عَلَى ثَلَاثٍ وَسَبْعِينَ مِلَّةً অর্থাৎ আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৪১।ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন এবং শায়খ শুয়াইব আর নাউ্ত হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। মুহাদ্দিসগণ বলেছের, এখানে উম্মত বলেত যারা নিজেদেরকে মুসলিম দাবি করে তারা্ উদ্দেশ্য। অন্য ধর্মের অনুসারীরা নয়। তুহফাতুল আহওয়াযী, ৬/৪৪০। ভাই, মোবাইলে প্রশ্ন করার জন্য এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01762629405।
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ভাই, জান্নাতে আপনি যা চাবেন তাই পাবেন। মানুষের সকল চাহিদা জান্নাতে পূরণ করবেন আল্লাহ তায়ালা। অন্য একজনে স্ত্রীকে নিয়ে এমন ভাবা কোন মূমিনের কাজ হতে পারে না। এভাবে যদি ভাবতে থাকেন তাহলে কখনো পাপে জড়িয়ে পড়তে পারেন। সুতরাং এইসব ভাবনা অবিলম্বে ছেড়ে দিন। কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনকে পরিচালিত করুন, আপনার সকল চাওয়া জান্নাতে পূরণ করা হবে।
কুরআন পড়াতো সওয়াবের কাজ। প্রতিটি হরফে সওয়াব সুতরাং উপকার তো হবেই । অপনার যদি স্পেশাল কোন ফজিলত সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা হয় তাহলে বিস্তারিত লিখে পাঠান। কোন ফজিলত কোন সূরা ইত্যাদী। প্র্রশ্ন ছোট করবেন দয়া করে।